বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন: পুজোয় পাহাড়ে ভিড় কেমন হবে? এখন থেকেই আভাস পাওয়া যাচ্ছে। পুজোর চার মাস আগে থেকেই শুরু হয়েছে টিকিট বুকিং। প্রথম দিন থেকেই লম্বা ওয়েটিং লিস্ট।
অনেকে টিকিট কাটতে লাইন দিয়েছেন ভোর থেকে। কেউ কেউ দালাল ফিট করে রেখেছিলেন। কিন্তু কাউন্টার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওয়েটিং লিস্ট ১০০ ছাপিয়ে গেল। শিয়ালদা বা হাওড়া থেকে এনজেপি–র কোনও ট্রেনেই আর টিকিট নেই। দার্জিলিং মেল, পদাতিক, কাঞ্চনকন্যা, উত্তরবঙ্গ, শতাব্দী, কামরূপ— সব ট্রেনেই লম্বা ওয়েটিং লিস্ট।
ডুয়ার্স গামী ট্রেনেও জায়গা নেই। এত লম্বা ওয়েটিং লিস্ট। তবু কাটছেন কেন? অনেকেই আশায় আছেন, পুজোর সময় হয়ত কামরা বাড়ানো হতে পারে। বা স্পেশাল ট্রেন দেওয়া হতে পারে। গত বছর পুজোয় পাহাড়ে তেমন ভিড় ছিল না। কারণ, তার আগেই গুরুংদের আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছিল পাহাড়। যদিও পুজোর আগেই বিনয় তামাংরা শান্তি ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তবু একটা চাপা আতঙ্কের রেশ থেকেই গিয়েছিল।
এবার সেই আশঙ্কা আর নেই। তাই নির্ভয়ে পাহাড় যাচ্ছে বাঙালি। পর্যটন সংস্থাগুলিও আগাম কিছু টিকিট কেটে রাখছে। তাদের দাবি, শুধু বাঙালি নয়, ভিনরাজ্যের অনেক পর্যটকও ওই সময় বেড়াতে আসবেন। সবমিলিয়ে পুজোর আবহে জমজমাট পাহাড়।

