রিনচেনপং: রবি ঠাকুর কিন্তু এখানে এসেছিলেন
ভোরে ঘুম ভাঙুক পাখির ডাকে। জানলা খুলে দেখুন, পাহাড়ের গায়ে আলো কীভাবে ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে। সকালের চা শেষ করে পায়ে হেঁটে বেরিয়ে পড়ুন। কোনও গন্তব্যের প্রয়োজন নেই। সরু রাস্তা ধরে হাঁটুন। দু’পাশের বাড়ি দেখুন। পাহাড়ি মানুষের দৈনন্দিন জীবন দেখুন। কোনও অচেনা পাখির ডাক শুনে থমকে দাঁড়ান। ইচ্ছে হলে কোনও বাড়িতে ঢুকেও পড়তে পারেন। এটুকু বলতে পারি, গৃহকর্তা বিরক্ত হবেন না। চা খেতে খেতে গল্প জুড়ে দিতেই পারেন। অনেকটা সেই তু মান ইয়া না মান, ম্যায় তেরা ম্যাহেমান–এর মতো।
এইসব লোকেদের কেউ গ্রন্থাগারের দায়িত্ব দেয়!
লাইব্রেরি দপ্তরের আসল সমস্যা কোনগুলো, সেগুলো বোঝার মতো সময় বা ইচ্ছে, কোনওটাই তাঁর আছে বলে মনে হয় না। কত গুলো লাইব্রেরি বন্ধ হয়ে পড়ে আছে, কতজন গ্রন্থাগারিকের পদ শূন্য আছে, এগুলো নিয়ে তাঁর কোনও মাথাব্যথাই নেই। থাকলেও কাগজে প্রকাশিত খবরে তা অন্তত প্রকাশ পায়নি।
এই গুন্ডামির নাম ‘রাষ্ট্রবাদ’ নয়
‘গেরুয়া গুন্ডামি’ কেন লেখা হল, তা নিয়ে হুঙ্কার না দিয়ে, গেরুয়ার সম্মান নিয়ে কারা এই গুন্ডামি করার সাহস পাচ্ছে, আগে তাদের হুঙ্কার দিন। শিক্ষাঙ্গনে এই দুর্বৃত্তদের প্রবেশ বন্ধ করুন। দোহাই, এই অসভ্যতাকে, এই গুন্ডামিকে রাষ্ট্রবাদ বলে চালাবেন না।
আর কবে ঘুম ভাঙবে সুপ্রিম কোর্টের!
মহামান্য স্পিকার, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট, আর কবে আপনাদের ঘুম ভাঙবে? এখনও যদি নিজেদের চেয়ারের মর্যাদা সম্পর্কে সচেতন না হোন, আরও অনেক থাপ্পড় আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে।
মধ্যবিত্তের মানচিত্রে আসুক সুন্দরবন
বেসরকারি ট্যুর অপারেটররা যদি তিন থেকে সাড়ে তিন হাজারে ভ্রমণ করাতে পারেন, তাহলে সরকার কেন পাঁচ–ছয় হাজারে পারবে না? বিদেশি পর্যটকদের জন্য অত্যাধুনিক ক্রুজ থাকুক। কিন্তু মধ্যবিত্ত বাঙালি যেন আরও কম খরচে, নিরাপদে সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারেন, তার উদ্যোগ নেওয়া হোক।
এমন ভ্রমণপ্রিয় জাতি আর কটা আছে?
এত নিয়মের ফিরিস্তি আগে তো শোনা যায়নি!
একই পরিবারে হয়তো বড় বউয়ের হয়নি, কিন্তু ছোট বউয়ের হয়েছে। এই বাড়িতে হয়নি, পাশের বাড়িতে হয়েছে। এর ফলে, একটা পারস্পরিক ঈর্ষাও তৈরি হচ্ছে। দুই গৃহবধূর মধ্যে একটা চাপা লড়াই তৈরি হয়ে যাচ্ছে। সরকার পক্ষ হয়তো যুক্তি দেখাবে, এত টাকা নেই। যুক্তি হিসেবে ভাল। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে, টাকা যে নেই, সেটা ভোটের আগে জানা ছিল না?
