দিব্যি ভুলেই ছিলাম সত্যজিৎকে

পয়লা মে–‌র জন্য পরেরদিন কাগজ বন্ধ থাকে। অর্থাৎ, সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিনে কাগজ বেরোয় না। ফলে, বিশেষ ক্রোড়পত্র, স্মৃতিচারণের পর্ব সেরে রাখতে হয় দু–‌একদিন আগেই। কী হবে, কিছুটা আন্দাজ করাই যায়। কেউ‌ ফেসবুকে ছবি সাঁটালেন। কেউ হোয়াটস অ্যাপ স্টেটাসে সত্যজিৎ রায়ের ছবি দিয়ে তাঁকে ধন্য করলেন। ওইটুকুই। হাতের সামনে ইউটিউব। ঢালাও নেট পরিষেবা। কিন্তু কজন দেখবেন সত্যজিতের অন্তত একটা ছবি?‌ বইয়ের তাকের ধুলো সরিয়ে কজন পেড়ে নেবেন সত্যজিতের কোনও বই!‌

আর ‘‌ভাইপো’‌ নয়, এবার ‘‌ভাগ্নে’‌ বলার সময় এসেছে

আর তাঁকে ভাইপো ভাইপো বলে ডাকার কোনও মানে হয় না। ভাইপো হয়ে রাজ্যের গন্ডিতে সুরক্ষিত থাকা যায়, মাতব্বরি করা যায়। কিন্তু ‘‌ভাইপো’‌ তকমাটা সিবিআইয়ের কাছে বাঁচার জন্য যথেষ্ট নয়। সেখানে আরও প্রভাবশালী কারও ‘‌ভাগ্নে’‌ হতে হয়। কাজেই সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তাঁকে ‘‌ভাগ্নে’‌ বলা যায় কিনা, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা ভেবে দেখতে পারেন।

কেউ কাউকে চিঠি লেখে না

মাধবকাকু সেই চিঠি বাবার হাতে দেননি। আমাকে দেখতে পেয়ে একদিন ডাকলেন। বললেন, তিন দিন ধরে তোমাকে খুঁজছি। ইচ্ছে করেই বাড়িতে দিইনি। কোনও ভয় নেই। তোমার চিঠি আমি তোমাকেই দেব।
এখন লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। মাধবকাকুদের মতো চরিত্ররাও বোধহয় হারিয়ে গেছে।

বেঙ্গল টাইমস ই ম্যাগাজিন। পয়লা বৈশাখ সংখ্যা

বছরে কয়েকটা দিন বাঙালি যেন একটু বেশিই বাঙালি হয়ে ওঠে। পোশাকে, খাওয়া–‌দাওয়ায়। কিন্তু আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বাংলার প্রভাব কতটুকু?‌ বাংলা ভাষা, বাংলা সংস্কৃতি কি হারিয়ে যাওয়ার পথে?‌ নাকি এই আকালেও...

শুধু একটি বছর

আরও একটা নতুন বছর। অবশ্য নতুন বছর বললেই আমরা ইংরাজির ক্যালেন্ডার বদলের কথা ভেবে নিই। বাংলাতেও যে আলাদা একটা বছর আছে, সেটা আমরা ভুলেই যাই। বাংলার কোন মাস চলছে, অনেকেই...

বোর্ড সভাপতির চেয়ার ছেড়ে ডাগআউটে বসতে হিম্মৎ লাগে

অজয় নন্দী গতবছর আইপিএলের কথা মনে করুন। সেবার করোনার কারণে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়নি। তার বদলে হয়েছিল জমকালো সমাপ্তি অনুষ্ঠান। মধ্যমণি কে?‌ সৌরভ গাঙ্গুলি। জয়ী দলের হাতে ট্রফিও তুলে দিয়েছিলেন...

বাংলাস্ফিয়ারের নদী বইতে থাকুক

সুমনবাবুকেও অনুরোধ, দু একটা বিরূপ মন্তব্য দেখে বিচলিত হবেন না। এমন বেনোজল সর্বত্রই থাকে। তাঁদের পেছনে বেশি সময় বা মনযোগ কোনওটাই নষ্ট করার দরকার নেই। কিছু অর্বাচীন যেমন থাকবে, তেমনই মননশীল শ্রোতারও অভাব নেই। বাংলাস্ফিয়ারের এই নদী আপন খেয়ালে, তার নিজের মতো করে বয়ে চলুক। যার ইচ্ছে, সে নদীতে নামবে। কেউ না হয় দূর থেকেই দেখবে।

সেদিন চৈত্রমাস

‌স্মৃতিটুকু থাক অন্তরা চৌধুরি কথায় বলে চৈত্র মাস মধুমাস। অবশ্য এখন এই কথা কাউকে বললে একটা মারও আমার পিঠের বাইরে পড়বে না। কারণ গত কয়েক দিনের তীব্র দাবদাহে চৈত্র মাসকে...

চাঁদে গিয়েছিলেন!‌ ইয়ার্কি হচ্ছে!‌

আবার নাকি চাঁদে লোক পাঠাচ্ছে নাসা। এবার আর একজন নয়, যাবেন চারজন। প্রায় পঞ্চাশ বছর আগে নাকি চাঁদে পৌঁছেছিলেন নিল আমস্ট্রং। ছোট থেকে ইতিহাসে আমরা সবাই এমনটাই পড়ে এসেছি। কিন্তু নন্দ ঘোষ বললেন, কভি নেহি। আমস্ট্রং মোটেই চাঁদে যাননি। এবার নন্দ ঘোষের কড়চায় একহাত নিলেন আমস্ট্রংবাবুকে।

আর কেউ চাঁদে যেতে পারল না!‌

ছোট বেলা থেকেই পড়ে আসছি, নিল আর্মস্ট্রং আর এডুইন অলড্রিন নাকি চাঁদে গিয়েছিলেন। ছোটবেলায় প্রচার ছিল রাকেশ শর্মাও নাকি চাঁদে গিয়েছিলেন। পরে জেনেছিলাম, চাঁদ নয়, আসলে তিনি মহাকাশে গিয়েছিলেন। কিন্তু নিল আর্মস্ট্রংরা কি সত্যিই চাঁদে গিয়েছিলেন? তাই নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে। বেশ কয়েকটি প্রশ্ন মনের মধ্যে নাড়া দিচ্ছে। ইন্টারনেটে খোঁজখবর নিয়ে জানতে পারলাম, সারা বিশ্বেই এই প্রশ্নগুলো আছে। বিশ্বের অধিকাংশ দেশই নাকি আমেরিকার এই চাঁদে লোক পাঠানোর তত্ব মানতে পারেনি।