বেঙ্গল টাইমস। দীপাবলি সংখ্যা (২০২২)। সাহিত্য, রাজনীতি, খেলা, বিনোদন, ভ্রমণ, স্পেশাল ফিচার সমৃদ্ধ ৫০ পাতার বই। পিডিএফ আকারে আপলোড করা হল। ডাউনলোড করলেই সহজে পড়া যায়। সঙ্গে দেওয়া হল ওয়েবলিঙ্ক। সেখানে ক্লিক করলেও পড়া যাবে।
কিছু ভুলভাল ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুকের কিছু পোস্টে গুঞ্জন ছড়াতেই পারে। তাই বলে মেইনস্ট্রিম মিডিয়ায় এই নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক খবর প্রচারিত হবে? ফেসবুকের দু’চারজন অর্বাচিনের সঙ্গে মেইনস্ট্রিম মিডিয়াও নিজেদের এক করে ফেলছে! সত্যিই, অনুপ্রেরণা বড়ই ভয়ঙ্কর জিনিস।
এমন একশ্রেণির হাতে কাগজ বা মিডিয়ার নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে, যাঁদের কাগজ পড়ার অভ্যেসটাও হয়ত সেভাবে ছিল না। তাঁরা পুরনো লোকেদের সেভাবে চেনেনও না। যেহেতু তাঁরা চেনেন না, অতএব এইসব লোকের গুরুত্ব নেই।
বাংলায় বেশ সুন্দর একটা শব্দ আছে — চন্দ্রাহত। সেদিন কোজাগরি পূর্ণিমার ওই রাত্রে সান্দাকফুতে যাঁরা হাজির ছিলেন, তাঁরা সকলেই যেন চন্দ্রাহত হয়ে গিয়েছেন। শায়িত বুদ্ধ যিনি এই বিশাল হিমালয়কে, আকাশের নয় লক্ষ তারাকে, হিমালয়ের কোলে আমাদের সবাইকে রক্ষা করে চলেছেন, তিনি চাঁদের আলোয় আমাদের সামনে শুয়ে আছেন।
কী বলছেন? আমি ভুল বকছি? আমি ইতিহাস বিকৃত করছি? আমি মিথ্যে বলছি? ধুর মশাই, আপনারা কিছুই জানেন না। যান, আগে ‘নিরলস সাহিত্যসাধনা’ করে আসুন। রাজ্যে এত বিনিয়োগ হচ্ছে, এত কলকারখানা হচ্ছে, আপনারা বুঝতেও পারছেন না। প্রাইমারি, এসএসসি, সিএসসি–র মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে এত শিক্ষক নিয়োগ হচ্ছে, আপনারা জানতেও পারছেন না।
তিন দশক পর এবার সৌরভের পালা। সেদিন দাদা স্নেহাশিস জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন ভাই সৌরভকে। এবার ভাই সৌরভ সভাপতির আসন ছেড়ে দিলেন দাদা স্নেহাশিসকে। প্রতিদানের একটা বৃত্ত যেন সম্পূর্ণ হল।
সারা পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে আছে রামকৃষ্ণ মিশনের শাখা। কত হাজার হাজার সন্ন্যাসী ছড়িয়ে আছেন পৃথিবীর নানা প্রান্তে। এতকিছুর পরেও রামকৃষ্ণ আমাদের কাছে অনেকটাই অধরা থেকে যেতেন যদি এই মহেন্দ্র গুপ্ত না থাকতেন।
শাপমোচনের আসল মঞ্চ হয়ে থাকল মেলবোর্নের এই ম্যাচ। কী প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে মাথা ঠান্ডা রেখে এইভাবে জয়ের মঞ্চ তৈরি করা মোটেই সহজ কাজ ছিল না। এই ইনিংস আসলে কী শিখিয়ে গেল?
অন্তিম চিঠি বিশ্বরঞ্জন দত্তগুপ্ত আমার প্রাণের থেকে প্রিয় আমার সোনা, এখন গভীর রাত। সবাই ঘুমাচ্ছে। আমার চোখে ঘুম নেই। নির্জন ফাঁসির আসামির সেলের ছোট্ট কুঠুরিতে বসে আমি শুধু ভয়ে প্রহর...
গান্ধী পরিবারের সুবিধাটা কোথায়? এতদিন বারবার এটাই অভিযোগ উঠত, তাঁরা ক্ষমতা আঁকড়ে আছেন। ফলে, ব্যর্থতার সব দায় তাঁদেরই নিতে হত। তাছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির আক্রমণের নিশানাই থাকতেন রাহুল গান্ধী। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই পরিবারতন্ত্রের কথা টেনে আনা হত। নিজের ব্যর্থতাকে ঢাকতে গিয়ে এমনকী বারবার নেহরুকেও টেনে আনতেন প্রধানমন্ত্রী। রাহুলের দোষ চাপাতেন নেহরুর ঘাড়ে।