পেশাদার কাঠামোয় থাকার যোগ্যতাই নেই লাল হলুদের এই কর্তাদের

আলোচনায় বসতে চেয়ে চিঠি। তার জন্য দফায় দফায় আইনজীবীর দ্বারস্থ হতে হবে কেন?‌ বিশ্বাসের সেতুতে তো প্রথম থেকেই ফাটল ধরিয়ে দেওয়া। দুই পক্ষের আলোচনায় পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হতে পারত। পুরটো না হোক, অন্তত অর্ধেক সমস্যা মিটত। আরও এক–‌দুবার আলোচনায় বাকি জটগুলো খুলতে পারত। কিন্তু এই কর্তারা গ্যালারি শো করতেই ব্যস্ত।

বাবার স্মৃতি আগলে রয়েছেন অভিমানী জামলিং

বাইরেই ছাড়া আছে তিনটি বিদেশি কুকুর। তাদের আহ্বান শুনে শুরুতেই ভয় পেয়ে যেতেই পারেন। মনে হতে পারে, আর ওপরে উঠে কাজ নেই। ফিরে যাওয়াই ভাল। কিন্তু কুকুরের ভয় কাটিয়ে যদি ওপরে উঠে যান, এক জীবন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। হ্যাঁ, এখানেই তেনজিং নোরগের বাড়ি। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে পড়া সেই তেনজিং। প্রথম এভারেস্টে পা রাখা সেই তেনজিং। এভারেস্ট দিবসে সেই বাড়ির কথাই তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

দারুণ কাজ, কিন্তু সংযমটাও জরুরি

ধরা যাক, কারও বাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দিতে হবে। যাঁর বাড়িতে ওই কঠিন সময়ে অক্সিজেন পৌঁছে দিলেন, তিনি এমনিতেই মনে রাখবেন। কৃতজ্ঞ থাকবেন। তার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারের গায়ে কাস্তে হাতুড়ি স্টিকার সাঁটিয়ে দেওয়া খুব জরুরি?‌

শূন্যের পরও ওরাই অক্সিজেন, লালবাহিনীকে লাল স্যালুট

তাঁরা রঙ দেখছেন না, দল দেখছেন না। বামেদের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত হয়নি বিজেপি থেকে তৃণমূল–‌ কোনও দলই। ঢাক পিটিয়ে এসব কাজের প্রচার করতেও হয়নি। ছবি তুলতেও হয়নি। মুখে মুখে ফিরেছে এই পাশে থাকার কথা। লকডাউনে এঁদের জন্য কোনও ছাড়েরও ব্যবস্থা করেনি সরকার। তবু ওরা খাওয়া দাওয়া ফেলে বলছে, আপনাকে চলে যেতে দেব না। কারণ, ‘‌ওরা কাজ করে।’‌ রেড ভলান্টিয়ারদের স্যালুট জানিয়ে লিখলেন কুণাল দাশগুপ্ত।

ইংল্যান্ড হতে পারত আইপিএলের সেরা বিকল্প

আইপিএল আয়োজন করতে কোনও দেশই পিছিয়ে যাবে না। যে কোনও ক্রিকেট খেলিয়ে দেশ বোঝে আইপিএলের গুরুত্ব কতটা। বাণিজ্যিক সাফল্য তো আছেই। সেইসঙ্গে একটা ঠিকঠাক আইপিএল আয়োজন মানে সেই মাঠের টিআরপি অনেক বেড়ে যাওয়া। অন্যান্য ম্যাচ আয়োজনের ব্যাপারে একলাফে অনেকটা এগিয়ে যাওয়া।

বিধান পরিষদ:‌ আবার এক অবাস্তব প্রতিশ্রুতি

ভোটে জেতার পর ক্যাবিনেটে এই প্রস্তাব পাশ হয়ে গেল। এমনভাবে চ্যানেলে বলা হল, এমনভাবে কাগজে লেখা হল, যেন বিধান পরিষদ হয়েই গেল। যেন আর কোনও বাধা রইল না। সর্বাধিক প্রচারিত কাগজের শিরোনামে ব্যবহার করা হল ‘‌ছাড়পত্র’‌ শব্দটি। যেন ক্যাবিনেটের ছাড়পত্রের জন্য বিষয়টি আটকে ছিল।

দলবদলুরা যদি অজয় দে–‌কে দেখে কিছু শিখতেন!‌

অজয় দে কি নিছকই একজন প্রাক্তন বিধায়ক!‌ শুধুই শান্তিপুর পুরসভার দীর্ঘদিনের পুরপ্রধান!‌ এর বাইরেও অন্য এক অজয় দে আছেন। যিনি দলবদলের পর উপনির্বাচনে দাঁড়িয়ে নতুন করে জিতে আসার হিম্মৎ দেখিয়েছিলেন। গত দশ বছরে এমন নজির আর কটা আছে!‌ দলবদলুরা যদি অজয় দে–‌কে দেখে কিছু শিখতেন!‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

পরীক্ষা নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট হোক

ঢাক ঢোল পিটিয়ে নিজের অক্ষমতার কথাই প্রচার করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। করোনার কারণে চলতি বছর কেন্দ্রীয় দুটি বোর্ড তাদের দশম শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করেছে। সিবিএসই আর আইসিএসই–‌র একাদশ শ্রেণির ক্লাসও শুরু হয়ে গেছে। কোভিডের জন্য পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ নির্দিষ্ট সময় মাধ্যমিক পরীক্ষা নিতে পারেনি।

এই অজ্ঞতা স্পিকারকে মানায়!‌

গ্রেপ্তার করার ক্ষেত্রে স্পিকারের অনুমতি বাধ্যতামূলক, এমন কোনও নিয়ম আছে নাকি?‌ জানা নেই তো। বিধানসভার ভেতরে কাউকে গ্রেপ্তার করতে গেলে অবশ্যই স্পিকারের অনুমতি প্রয়োজন। কিন্তু অন্য সময় এই বাধ্যবাধকতা নেই বলেই জানি। গ্রেপ্তারের পর জানালেই হয়।

ববিদা, আপনি বাঙালির মুখ উজ্জ্বল করলেন

বাকিরা হাত পেতে টাকা নিলেন। যা পেলেন, তাই নিলেন। একমাত্র হাকিমবাবু নিলেন না। বললেন, এই টাকা আমরা নিলে ছোট ছেলেরা কী নেবে? বুঝিয়ে দিলেন, মাত্র পাঁচ লাখে তাঁকে কেনা যায় না। তাঁর এই মহানুভবতা ও স্বার্থত্যাগকে বাঙালি বুঝল না। এই আকালে বাঙালির মর্যাদা তিনিই রক্ষা করলেন। তাঁকে খোলা চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।