জঙ্গলের মাঝে কুঁড়েঘরের হাতছানি
ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।
ইচ্ছে হল, একঝলক গ্রাম দেখার। গ্রামে রাত কাটানোর। জঙ্গলের মাঝে গ্রামের আমেজ পেলে মন্দ কী? আবার শহুরে সাচ্ছন্দ্যও আছে। ঘুরে আসতেই পারেন জয়পুরের বনলতা রিসর্টে।
ছ বছর ঘুমিয়ে থেকে হঠাৎ জেগে উঠলে প্রশ্ন তো উঠবেই। মুখ্যমন্ত্রী ধর্না দিতে চলে যাচ্ছেন। মন্ত্রীরা বিচারপতিকে চমকাতে চলে যাচ্ছেন। হাপ থেকে মাঝারি নেতারা নিজাম প্যালেসের বাইরে লোক জড়ো করছেন। এত সাহস এরা পায় কোত্থেকে? পায়, কারণ, এঁরাও জানেন, সিবিআই নামক বস্তুতি একটি নিষ্কর্মার ঢেকি ছাড়া কিছু নয়।
যাঁরা যে কলমে সিপিএমকে গাল দিচ্ছেন, তাঁরাই সেই কলম দিয়ে সিপিএমকে প্রাসঙ্গিক করে তুলছেন। সত্যিই, সিপিএম–কে জ্ঞান দেওয়া এখন কত সহজ। যে পারছে, জ্ঞান দিয়ে যাচ্ছে। বামেদের যে এত শুভাকাঙ্খী আছে, এই কলমচিদের লেখা না পড়লে জানাই যেত না। একটু ভেবে দেখুন, মার্কসবাদী কোচিং সেন্টার বলে কিছু একটা চালু করা যায় না। লিউ সাওচি পড়বেন আর পড়াবেন। লিখেছেন কুণাল দাশগুপ্ত।
বিচারপ্রক্রিয়া হচ্ছে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে। খোদ অভিযুক্তরাই আদালতে নেই। দুই পক্ষের আইনজীবীরাও আদালতে নেই। তাহলে দল বেঁধে এই তিন মন্ত্রী আদালতে গেলেন কেন? ফল কী হল, সন্ধেবেলায় পরিষ্কার হয়ে গেল। এত দাবড়ানি খেয়ে স্থানীয় আদালতের বিচারক কী রায় দেবেন, মোটামুটি জানাই ছিল। ঠিক সেটাই হল। কেন লোয়ার কোর্টের রায় একপেশে হয়, এটা তার ছোট্ট একটা নমুনা।
এতবার ডুয়ার্সে এসেছি। কিন্তু এমন একটা জায়গায় কেন আসিনি! নিজেদের ওপরই রাগ হল। নৌকোয় বাবুও সঙ্গে ছিল। ভাগ্যিস বাবু সিকিয়াঝোরার প্রস্তাবটা দিল! নইলে তো এবারও আসা হত না। অন্তত আমাদের পরিকল্পনার মাঝে কোথাও ছিল না এই উত্তরের অ্যামাজন। বাবুকে কী ভাষায় ধন্যবাদ জানাব! শব্দভান্ডারের কোনও শব্দই জুৎসই মনে হল না। আমাদের রোমাঞ্চ, আমাদের মুগ্ধতা দেখে যা বোঝার, ও বুঝে নিক।
গুরুত্বপূর্ণ সব দপ্তরই প্রায় কলকাতার লোকেদের হাতে। ক্যাবিনেটে জেলার তেমন প্রতিনিধিত্ব কই? অধিকাংশ জেলার ভাগে জুটেছে রাষ্ট্রমন্ত্রী, নয়তো গুরুত্বহীন দপ্তর। এরপরেও এই মন্ত্রিসভাকে কূপমণ্ডুক ক্যাবিনেট বলা যাবে না? লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
যেমন রাজ্যপাল, তেমনই মুখ্যমন্ত্রী। কে কত ছেলেমানুষ, এ যেন তারই প্রতিযোগিতা চলছে। মাঝে মাঝেই ভাব হয়, দুদিন পরই ঠিক কোনও না কোনও কারণে ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। একজন টুইট করে বসেন। অন্যজন আমলাদের দিয়ে পাল্টা চিঠি লিখিয়ে বসেন। দুটোই প্রকাশ্যে চলে আসে। একজন সাংবাধানিক প্রধান, একজন প্রশাসনিক প্রধান। দুজনেই বালখিল্যতার চরম জায়গায় পৌঁছে যান।
তৃতীয়বারের তৃণমূল এটাই বুঝল, কেউ আমাদের কিচ্ছু করতে পারবে না। আমরা যা করছিলাম, সেটাই আরও বেশি করে করব। এবং সেটাই আরও স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেবে। তৃতীয়বারের তৃণমূল আরও বেপরোয়া ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। ঔদ্ধত্য আরও চরমে উঠবে। জেলার প্রতি উপেক্ষা আরও তীব্র হবে। সময়ই এর উত্তর দেবে।
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন।
বিজেপির সবথেকে ভাল ফল কোথায়? একদিকে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া। অন্যদিকে, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি। এই ছয় জেলায় বেশিরভাগ আসন পেয়েছে বিজেপি। বাকি জেলাগুলোতে এই সাফল্য এল না কেন? কেন এই আসনগুলোতে জিতেছে, সেটা বুঝতে পারলেই বোঝা যাবে, কেন অন্যান্য জেলায় জয় আসেনি।