এই ফলাফলের পরেও সেটিংয়ের তত্ত্ব থেকে তাঁরা সরে আসছেন না। এই আত্মঘাতী বিশ্লেষণ একেবারে নীচুতলা পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছে। এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে না আসতে পারলে ঘুরে দাঁড়ানো অসম্ভব। যদি ঘুরে দাঁড়াতেই হয়, মন থেকে আগে সেটিংয়ের তত্ত্ব ঝেড়ে ফেলতে হবে।
বেঙ্গল টাইমসের ছোট্ট নিবেদন। সত্যজিৎ স্মরণে বিশেষ ই ম্যাগাজিন। নানা আঙ্গিক থেকে ধরা হয়েছে সেই বিশ্ববরেণ্য পরিচালককে। খুব জটিল বা দুর্বোধ্য লেখার ভিড় নেই। একেবারে ছোঁয়া যায়, অনুভব করা যায়, এমন লেখা দিয়েই সাজানো হয়েছে এই সংখ্যা। পড়ুন।
পিডিএফ ফাইলে পুরো ম্যাগাজিন আপলোড করা আছে। ডাউনলোড করে অনায়াসেই পড়তে পারেন। সঙ্গে ওয়েবলিঙ্কও দেওয়া হল। সেখানে ক্লিক করেও পড়তে পারেন।
কপিলদেবের সেই অপরাজিত ১৭৫। কত লোক সেই ইনিংসের স্মৃতিচারণ করেন। কার বাড়ির টিভিতে দেখেছিলেন, সেটাও গড়গড় করে বলে যান। কিন্তু ঘটনা হল, সেই ম্যাচটা টিভিতে দেখানোও হয়নি। এমনকী, সেই ইনিংসের...
জটায়ু আসলে কে? অনেকে টেনে আনবেন রামায়ণের কথা। অনেকে বলবেন, সত্যজিৎ রায়ের তৈরি চরিত্র। ফেলু, তোপসের নামও চলে আসবে। কেউ বলবেন সন্তোষ দত্ত। আসলে, তিনি অন্য একজন। কে ? ফাঁস করলেন স্বয়ং জটায়ু। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
একেবারে সঠিক জায়গাতেই আলো ফেলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। সন্ধেবেলায় যদি আইপিএল না হত, দেশের বিরাট অংশের মানুষ হয়ত পাগল হয়ে যেতেন। সারাক্ষণ করোনার সম্প্রচার, করোনার আলোচনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন। সেখানে আইপিএল অনেকটাই টাটকা অক্সিজেন দিয়ে যাচ্ছে।