পাঠকদের কাছে অনুরোধ, লেখা পাঠিয়ে দ্রুত ছাপার জন্য তদ্বির করবেন না। মনোনীত হলে ই মেল মারফত জানিয়ে দেওয়া হবে। কোনও কোনও লেখা বিশেষ সংখ্যার জন্য তুলে রাখা হবে। বেঙ্গল টাইমসে পাঠানো লেখা অন্তত তিনমাস অন্য কোথাও না পাঠালেই ভাল। তিন মাস পরেও প্রকাশিত না হলে সচ্ছন্দে অন্য কোথাও পাঠাতে পারেন।
পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ধৈর্য হারিয়ে ফেলছে, অহেতুক রাত জাগছে, নিষিদ্ধ সম্পর্কে আসক্তি আসছে, কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হচ্ছে। যাঁরা দেশ চালান, তাঁরা কি বুঝতে পারছেন না? লিখেছেন নিবেদিতা পাল।।
কে কত স্তাবকতা করতে পারে, তার এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা চলে। এই আবহে তাঁর কণ্ঠস্বর বেশ স্বতন্ত্র। শিক্ষার ছাপ আছে। যুক্তির ছাপ আছে। মার্জিত রুচির ছাপ আছে। আর বলিষ্ট প্রতিবাদ তো আছেই। যুক্তি ও শালীনতা মেনেও সমালোচনা কত প্রখর হতে পারে, প্রতিদিন তার ছাপ রেখে চলেছেন। সেই সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর পুলিশি হেনস্থার পরেও বঙ্গীয় মিডিয়াকূল নীরব থাকবে! প্রশ্ন তুললেন স্বরূপ গোস্বামী।
স্তাবকতার এক অদ্ভুত কোরাস চারিদিকে। আসল সমস্যা থেকে মুখ ফিরিয়ে তাই অন্যদিকে নজর ঘোরানোর চেষ্টা। পরীক্ষার সময় এগিয়ে আনলেও আসল সমস্যাগুলো থেকেই যাবে। কলেজের সিটগুলোও তাই ফাঁকাই পড়ে থাকবে। মাঝখান থেকে গিনিপিগ করা হল লক্ষ লক্ষ ছাত্রকে।
পুজো থেকেই পর্যটন মরশুম শুরু হয়। ঝাঁজে ঝাঁকে পর্যটক এই সময়ে পাহাড়ে যান। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি অসংখ্য ছোটখাটো পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। অনেকে মহালয়া থেকেই পৌঁছে গেছেন। কেউ যাবেন ষষ্ঠী, সপ্তমীতে। এই অবস্থায় পাহাড় বন্ধ পর্যটনে নেতিবাচক প্রভাব ডেকে আনতে পারে।
সরাসরি প্রত্যাখ্যান না হলেও ঘুরপথে প্রত্যাখ্যান চলছেই। কুড়ি মিনিট–পঁচিশ মিনিট অপেক্ষার পরেও গাড়ির দেখা নেই। একসময় হঠাৎ মেসেজ ঢুকে গেল, রাইড ক্যানসেল। অর্থাৎ, আবার নতুন করে অন্য গাড়ি বুকিং করুন।
আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত উঠে এল বিশেষ প্রতিবেদনে।
পনেরোই আগস্ট সেই মানুষটা কোত্থাও যাননি। বেলেঘাটার গান্ধী আশ্রমে প্রার্থনা করে গেছেন আর একা একা চরকা কেটেছেন। না, সারাদিন কিছুই মুখে তোলেননি। উৎসব থেকে দূরে, একাকী এক সন্ন্যাসী। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।
বেঙ্গল টাইমসের মহালয়া সংখ্যা এর মধ্যেই দারুণ সাড়া ফেলেছে। এই ই–ম্যাগাজিন মাসে কটা বেরোবে? কী তার চরিত্র হবে, এই নিয়ে অনেক প্রশ্ন। অনেকে লেখাও পাঠাতে চাইছেন। তাই ই–ম্যাগাজিন সংক্রান্ত কয়েকটি জরুরি ঘোষণা।
রাজীব কুমার দিনের পর দিন সিবিআইকে উপেক্ষা করেছেন। কারণ, তিনি জানতেন, সিবিআই উপেক্ষারই যোগ্য। যে তদন্ত সাতদিনে হতে পারে, তাকে যারা পাঁচ বছর ধরে টেনে নিয়ে যায়, তাদরেও বিচার হওয়া উচিত। সিবিআই যে কতটা অপদার্থ, রাজীব অন্তত চোখে আঙুল দিয়ে আরও একবার দেখিয়ে দিলেন। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।