স্বপ্নের নগরী কল্যাণী সেভাবে বেড়ে উঠল কই!

কীভাবে গড়ে উঠল কল্যাণী শহর? কে এই কল্যাণী? প্রশ্নটা অনেকদিনের। মুখে মুখে ফেরে। রয়েছে নানা জনশ্রুতি। কেউ বলেন, বিধানবাবুর প্রেমিকা। কেউ বলেন, পালিতা কন্যা। আলো ফেললেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।

মন্ত্রীকে বললেন, রোজ হাঁড়িয়া খাও

‘তোমরা গ্রামে হাঁড়িয়া মদ খাও। কিন্তু এখানে সেটা পাচ্ছো না। বিলিতি মদ তোমার পেটে সহ্য হচ্ছে না। সেই কারণেই তোমার সমস্যা।’ দানিশ লাকরা কিছুটা যেন লজ্জা পেলেন। বিধানবাবু বললেন, তোমাকে মদ ছাড়তে বলছি না। যখন কলকাতায় আসবে, দয়া করে বিলিতি মদ খেয়ো না। পারলে হাঁড়িয়া সঙ্গে নিয়ে এসো।

পারিশ্রমিক পেলেন দুর্গাপুর

কানুনগো জানতে চাইলেন, ডাক্তার, আপনার ফি’জ কত ? তখন বিধান রায় বললেন, ফিজ দিতে হবে না। তুমি জওহরকে ধরে দুর্গাপুরের ছাড়পত্র এনে দাও, তাহলেই চলবে। লেগে পড়লেন কানুনগো। একদিন হঠাৎ হাজির মহাকরণে। সঙ্গে দুর্গাপুরের ছাড়পত্রও।

দেখে নাও, আমাদের দেশের খুদে লেনিন

জ্যোতিবাবুর হাসি খুবই বিরল। সচরাচর তাঁকে হাসতে দেখা যেত না। বিধান রায়ের এই কথা শুনে সেদিন জ্যোতিবাবুও নাকি হেসে ফেলেছিলেন।

তাঁর বাড়িতেই লুকিয়ে ছিলেন জ্যোতিবাবু!

তখন নিষিদ্ধ হয়ে গেছে কমিউনিস্ট পার্টি। কেউ কেউ গ্রেপ্তার। কেউ এখানে ওখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কিছুতেই ধরা যাচ্ছে না বিরোধী দলনেতা জ্যোতি বসুকে। কোথায় তিনি ? একদিন পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বিধানচন্দ্র কিছুটা ধমকের সুরেই জানতে চাইলেন, কোথায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে জ্যোতি ? ওকে ধরা যাচ্ছে না কেন ? যেভাবেই হোক, ওকে ধরতে হবে।

রাজ্যসভায় বিকাশ ভট্টাচার্যের নাম এখনই চূড়ান্ত হোক

লোকসভায় এই রাজ্য থেকে বামেদের কোনও প্রতিনিধিত্ব নেই। রাজ্যসভাতেও থাকবে না?‌ ২০১৬ তে জোট করেই লড়া হয়েছিল। আগের দুবার কংগ্রেসের সাংসদ হয়েছেন। এবার বামেদেরই প্রাপ্য। বিশেষ করে বিকাশ ভট্টাচার্যর নামে কং নেতৃত্বের আপত্তি থাকার কথা নয়। কিন্তু গড়িমসি নয়, এখনই প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত হোক। কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনা এখন থেকেই সেরে ফেলা হোক। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

কেরল থেকে রাজ্যসভায় আসন চাওয়া হোক

একসময় এই রাজ্য থেকে রাজ্যসভায় পাঠানো হয়েছে বৃন্দা কারাতকে। ইয়েচুরিকে পাঠানো হয়েছে দুবার। এবার এই রাজ্যের কাউকে কেরল থেকে রাজ্যসভায় পাঠানো হোক। এখন থেকেই এই দাবি তুলুক আলিমুদ্দিন। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।