এখন পাড়ায় পাড়ায় বিদ্যাসাগর
এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।
এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।
মেট্রো রেলে শৌচাগার নেই। আটের দশকে না হয় তেমন দরকার ছিল না। কিন্তু ২০১৮ সালে দাঁড়িয়েও করা যাবে না ? যাত্রীদের সমস্যা মেট্রো কর্তৃপক্ষ কবে আর ভাববেন ? ট্রেনে যদি নাও করা যায়, প্ল্যাটফর্মে তো ব্যবস্থা করা যেতেই পারে। বাধা কোথায় ? লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।
দার্জিলিং থেকে নামার পথে। কোনও পরিকল্পনা ছিল না। হঠাৎ করেই হানা দেওয়া চমনিতে। ডাউ হিল লাগোয়া ছোট্ট এক পাহাড়ি জনপদ। সেই চিমনি ভ্রমণের দুটো দিন। লিখলেন অভীক মজুমদার।।
কক্সবাজার সৈকতের দৈর্ঘ্য কত ? ১২০ কিমি। না, ছাপার ভুল নয়, সত্যিই ১২০ কিমি। এত লম্বা বিচ আপনি কল্পনা করতে পারেন ? অর্থাৎ, যতদূরেই যান, সমুদ্রের উত্তাল গর্জন আপনার সঙ্গেই থাকছে। জোয়ারে তার যেমন উত্তাল রূপ, ভাটায় সে যেন ততটাই শান্ত, স্নিগ্ধ।
বই পড়ার অভ্যেস ক্রমশ কমে আসছে। মানুষের সময় যেমন কমে আসছে, তেমনই ধৈর্যও কমে আসছে। বাংলা সাহিত্য কি তাহলে একটু একটু করে হারিয়ে যাবে? পরের প্রজন্ম কি বই পড়াই ছেড়ে দেবে? লাইব্রেরিগুলো কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে? প্রকাশনা সংস্থাগুলো কি ক্রমশ ধুঁকতে থাকবে? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।।
এই গরমে যদি পাহাড়ে হারিয়ে যাওয়া যেত! পাহাড় মানেই কি শুধু দার্জিলিং–গ্যাংটক! কত নির্জন পাহাড়ি গ্রাম আছে। যা তথাকথিত টুরিস্ট স্পটের থেকে ঢের সুন্দর। তেমনই এক সুন্দর পাহাড়ি ঠিকানা তুলে ধরলেন রূপম রায়।
এদের সৃষ্টি করা হয় – শাসকদের কাজই এই শ্রেণীটাকে শক্ত কর, পোক্ত কর, কাজেই এদেরকেই দুর্নীতির লাইসেন্সটা দাও, ইনসেন্টিভ হিসাবে। এরাই তো মিছিল আটকাবে। দুর্নীতির সামাজিক গ্রাহ্যতা নিয়ে লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরী।
রাত দশটা থেকে এগারোটা, কীরকম প্যাসেঞ্জার, এগারোটা থেকে বারোটা কী রকম প্যাসেঞ্জার, একটা মোটামুটি হিসেব থাকবে তো। যদি চারজন যাত্রী পিছু একটি ট্যাক্সিও ধরি, তাহলে কতগুলো ট্যাক্সি দরকার হতে পারে, তার ধারনা থাকবে না? এমন তো নয় যে রাতের দিকে শহরে ট্যাক্সি চলে না। তাহলে পরিবহন দপ্তরের সঙ্গে বা ট্যাক্সি ইউনিয়নের সঙ্গে বসতে আপত্তি কোথায়? রাতের দিতে যেন পর্যাপ্ত ট্যাক্সি থাকে, সেই অনুরোধ তো করা যেতে পারে। হাওড়ায় নতুন কমিশনারেট হয়েছে। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্যোগগুলো কি আদৌ নেওয়া হয়েছে? নেওয়া হলেও তার ফলো আপ হয়েছে?
পুজোর গন্ধ গায়ে মেখেই আসবে বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন। প্রতিবারের মতো এবারও। থাকছে প্রায় একশো পাতার ই ম্যাগাজিন। সেখানে থাকবে নানা স্বাদের লেখা।
বিশ্বকর্মার শ্রেণিচরিত্র যেন অন্যরকম। মেকি বুদ্ধিজীবী হওয়ার হিড়িক নেই। এখানে যে যেমন, সে তেমনই। পুজো প্যান্ডেলের গানগুলোও অন্যরকম, মহাকালের গন্ডি টপকে আসা। কৈশোরে ফিরে যাওয়া, এবং কিশোরে ফিরে যাওয়া। অন্য আঙ্গিক থেকে অসাধারণ লেখা কুণাল দাশগুপ্তর।