মাল্টিপ্লেক্সে বাইরের খাবার আনার ছাড়পত্র দেওয়া হোক

মহারাষ্ট্রে নাকি সরকার নিয়ম চালু করেছে, বাইরের খাবার আনা যাবে। আমাদের রাজ্যে এমন নিয়ম চালু করা যায় না?‌ মাল্টিপ্লেক্স বেশি দামে খাবার বিক্রি করতেই পারে। কিন্তু বাইরের খাবার নিয়ে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হোক। ১২০ দিনের নির্দেশিকার সঙ্গে খাবার সংক্রান্ত নির্দেশিকাটিও জুড়ে দেওয়া হোক। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।

মাল্টিপ্লেক্সে বাংলা, অনেক আগেই দরকার ছিল

‌সৌম্যজিৎ চৌধুরি মাল্টিপ্লেক্সে নতুন ফরমান। প্রাইম টাইমে বাংলা ছবি চালাতে হবে। একজন সিনেমাপ্রেমী হিসেবে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। এরকম একটা সিদ্ধান্ত অনেক আগেই নেওয়া উচিত ছিল। বাঙালি বাংলা ভুলতে ভুলতে...

এবার পুজোয় নারকান্ডা

মাথার উপরে দিগন্ত বিস্তৃত নীল আকাশ আর চারিদিকে শুধু শ্বেত শুভ্র বরফরাশি। হিমালয়ের কোলে ছোট্ট শৈল শহরের নাম নারকান্ডা। চলো এবার পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসি।লিখেছেন শান্তনু ব্যানার্জি।।

তিন মাস পর খুলে গেল জঙ্গল

১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর— এই তিন মাস বন্ধ থাকে বিভিন্ন জাতীয় অরণ্য। এই তালিকায় জলদাপাড়া, মহানন্দা, বক্সা, গরুমারা যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে সুন্দরবনও। এই সময়টা মূলত পশুদের প্রজননের সময়। সেই কারণেই এই সময় পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকে।

মানভূমের জনজাতির নৃতাত্ত্বিক ও ভাষিক সংক্ষিপ্ত পরিচয়

অসিত বরণ মাহাত   পুরুলিয়া জেলার পূর্বনাম ছিল 'মানভূম'। কিন্তু এই নামের উৎপত্তি নিয়েও বিভিন্ন মহলে মতপার্থক্য আছে। অনেকের অনুমান 'মান' একটি রাজবংশের নাম। অতীতে অনার্য এই রাজবংশটি মানভূম, সিংভূম...

পূর্তমন্ত্রী কে, কজন জানেন?‌

এই রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী কে, কজন জানেন?‌ এমনকী মাঝেরহাট কাণ্ডের পরেও কজন জানেন, সন্দেহ আছে। অথচ, তিনি নানা পরিচয়ে ‘‌স্বনামধন্য’‌। তাঁর বিবিধ পরিচিতির মধ্যে শুধু ‘‌পূর্তমন্ত্রী’ পরিচয়টাই হারিয়ে গেছে। ‌পূর্তমন্ত্রীর চেয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী পরিচয়টা যদি বড় হয়ে যায়, বুঝতে হয়, দপ্তরের গুরুত্বটা নিজেই বোঝেন না। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

বাঙালির হাত ধরেই সেই দাপট ফিরে আসুক

দল গঠন থেকে শুরু করে মাঠে নিজেদের মেলে ধরা। সব ব্যাপারেই এগিয়ে ছিল মোহনবাগান। যোগ্য দল হিসেবেই চ্যাম্পিয়ন। বাঙালি ফুটবলাররাও নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরলেন। এবার সর্বভারতীয় ফুটবলে এই দাপট ফিরে আসুক, বাঙালির হাত ধরেই সাফল্য আসুক। লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।।

ত্রিপুরাতেও অনুপ্রেরণা–‌র হাওয়া বইছে!‌

বাংলায় ভোট হয়নি ৩৪ শতাংশ আসনে। আর ত্রিপুরায় ভোট হল না ৯৮ শতাংশ আসনে। ক্ষমতায় এসে সাত বছরের তৃণমূল যে কীর্তি দেখিয়েছে, সাত মাসের বিজেপি তাকে ছাপিয়ে গেল। বোঝা যাচ্ছে, উন্নয়নের হাওয়া ত্রিপুরাতেও বইছে। লিখেছেন সুরঞ্জন মিত্র।।

অন্য কলকাতা

এ কলকাতার মধ্যে আছে আরেকটা কলকাতা। সেই অচেনা কলকাতার ছবিই তুলে ধরা হবে। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন। চিনে নিন সেই অচেনা কলকাতাকে। আপনার সন্ধানে যদি অন্য কলকাতার হদিশ থাকে, তাহলে তা অন্যদের জানান।

শ্রীকান্তর শুরুটাই ভাল, বাকিটা একঘেয়ে

আপনার সবথেকে বড় গুণ আপনার লেখা মহিলারাও গোগ্রাসে পড়েছেন। কিন্তু আপনার এই লেখাগুলো আজকের সিরিয়ালের উন্নত সংস্করণ। সিরিয়ালে যেমন একটি করে দজ্জাল মহিলা থাকে, যারা সংসারে আগুন লাগায়। সিরিয়ালে যেমন অধিকাংশ পুরুষ হয় বদমাশ নয় মেনিমুখো। আপনার লেখাতেও তাই। নন্দ ঘোষের কড়চায় এবার শিকার শরৎচন্দ্র।