প্রতিবাদে গর্জে ওঠার মতো সংগঠন না হয় নেই। কিন্তু একটা বিবৃতিও দেওয়া যায় না? ত্বহা সিদ্দিকি বা ইমাম বরকতিদের তোয়াজ করা কি খুব জরুরি? সত্যিকারের মুসলিমদের পাশে দাঁড়ান। যাঁরা হিংসার কথা বলেন, তাঁদের পাশে নয়। স্পষ্ট ভাষায় নিন্দাটা জরুরি। নইলে পায়ের তলার মাটি এভাবেই সরে যাবে। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।।
কোশিক গাঙ্গুলির টুইট করা একটা ছবি। দেখে ভরসা পেলাম। ছবিটা আমাদের নন্দনের। হলের বাইরে বেশ ভিড়। না, বাহুবলী দেখার জন্য নয়। এই ভয়ঙ্কর আগ্রাসনের সময়ে এই ছবিটা যেন নতুন করে ভরসা জোগালো।
মেদিনীপুরে পিটিয়ে খুন করা হল সিপিএম নেতাকে। নিশ্চিত থাকুন, পুলিশ কিছুই করবে না। মুর্শিদাবাদে টিএমসিপি নেতা খুন। পুলিশ ধরল জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতিকে। নির্লজ্জ আচরণটাই যেন পুলিশের দিনলিপি হয়ে দাঁড়িয়েছে। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
হুঙ্কার দেওয়ার জন্য, ফতোয়া দেওয়ার জন্য, দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার জন্য আবার বেছে নেওয়া হল কলকাতা প্রেস ক্লাবকে। এইসব লোককে হল ভাড়া না দিলেই নয়? এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।