একটু আড়ালে থাকতে শিখুন

মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট। সবাই জানতে চাইছেন কৃতী ছাত্র–‌ছাত্রীদের কথা, তাদের অভিভাবকদের কথা। কিন্তু টিভির পর্দাজুড়ে মুখ্যমন্ত্রী। সারা দুপুর তাঁকে নিয়েই ব্যস্ত টিভি চ্যানেল। নিজের ঢাক তো সারা বছর পেটান। দু–‌একদিন একটু মুলতুবি রাখা যায় না!‌ এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন বেঙ্গল টাইমসে।

দেরিতে হলেও শিক্ষামন্ত্রী তাহলে বুঝলেন!‌

শিক্ষামন্ত্রীর উপলব্ধি, কলকাতার ছেলেরা সোশাল সাইটে ব্যস্ত, তাই তাদের রেজাল্ট খারাপ। যেন জেলার ছেলেরা সোশাল মিডিয়া বোঝেই না!‌ আর এতই যদি বুঝলেন, তাহলে স্কুল–‌কলেজে ঘটা করে ফ্রি ওয়াই ফাই চালু করছেন কেন?‌ লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।

কৃতীরাও ডাক্তারি ছাড়া কিছু ভাবতেই পারছে না!‌

যারা এত এত নম্বর পেল, তারা যথেষ্ট মেধাবী, এই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। মেধাবী বলেই তারা সহজেই বোঝে, ডাক্তারের ওই সীমাহীন আয়ের উৎস কী। হ্যাঁ, তারপরেও তারা ডাক্তারই হতে চায়। সিস্টেম বদলের তাড়নায় নয়, সিস্টেমের সঙ্গে মিশে যাওয়ার তাড়নায়। লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।

মোবাইল আসক্তি কি শুধু ছাত্রদের?‌ শিক্ষকদের নয়?‌

শিক্ষকদের মোবাইলের নেশা সংক্রমিত হচ্ছে ছাত্রদের মধ্যেও। অধিকাংশই মোবাইলে মগ্ন। মোবাইল ছাড়া দশ মিনিটও অনেকে থাকতে পারেন না। শিক্ষকরাই যদি এত আসক্ত হয়ে পড়েন, ছাত্রদের দোষ দিয়ে লাভ কী?‌ লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।।

দেখি, এখন কেরল কেমন পাশে দাঁড়ায়

কেরলে তো সরকার আছে। এত মন্ত্রী, বিধায়ক আছেন। লোকসভাতেও সাংসদ আছেন। রাজ্যসভার একটি আসন কি বাংলার জন্য ছাড়া যায় না?‌ বাংলার নেতারা কি এই দাবিটুকুও জানাতে পারেন না?‌ বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।

‌রাজনীতির বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রপতি খোঁজা হোক

চাই এমন একজন রাষ্ট্রপতি হোন, যাঁকে সারা দেশ শ্রদ্ধা করবে। যিনি দলমতের ঊর্ধ্বে উঠতে পারবেন। পনেরো বছর আগে একজন কালামকে পাওয়া গিয়েছিল। আজ কি তেমন কেউ নেই!‌ লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।

যদি তিনি এমন শপথ নিতেন..

(‌এক বছর আগে, ঠিক এমন দিনেই দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জি। সেদিন সকালে বেঙ্গল টাইমসে এই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। শপথের বর্ষপূর্তিতে সেই লেখাটিই আবার প্রকাশিত হল। যাঁরা পড়েননি,...

গোটা দেশে রাষ্ট্রপতি পাওয়া যাচ্ছে না!‌

সত্যিই!‌ দেশটার কী হল!‌ এত বড় একটা দেশ। একশো তিরিশ কোটি জনসংখ্যা। অথচ, সেই দেশে একজন সর্বজনগ্রাহ্য রাষ্ট্রপতি পাওয়া যাচ্ছে না। এবার মনে হচ্ছে কাগজে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

মাধ্যমিকে সবাইকে ছাপিয়ে গেল বাঁকুড়া

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ আবার মাধ্যমিকে বাঁকুড়ার জয়জয়কার। সবাইকে ছাপিয়ে আবার শীর্ষে বাঁকুড়া। প্রথম বিবেকানন্দ শিক্ষায়তন হাইস্কুলের অন্বেষা পাইন। তার নম্বর ৬৯০। দ্বিতীয় স্থানও পেয়েছে বাঁকুড়া। বাঁকুড়া জেলা স্কুলের মোজাম্মেল হক...

শতরূপ, পাথর ছোঁড়ার ছবিটা কিন্তু আশীর্বাদ

পাথর ছুঁড়ছেন শতরূপ ঘোষ। এমন একটি ছবি ছেপে কেউ কেউ তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বানিয়ে দিলেন। তাঁরা নিজেরাই জানেন না, কতবড় উপকার করলেন। এক লহমায় অনেক অপবাদ মুছে গেল। ছবিটা যেন আশীর্বাদ হয়ে উঠল। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।