রিভিউ তো অনেকরকম হয়। কিন্তু এ হল রবি করের এক বেআক্কেলে রিভিউ। ব্রাত্য বসুর বোমা দেখতে গিয়ে আজব আজব সব প্রশ্ন। আজ সেই নাটক দেখতে গিয়ে আপনার মাথাতেও সেইসব প্রশ্ন কিলবিল করতে পারে। পড়ে নিন। তারপর নাটকটি দেখুন।
বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। এখন সেই পার্বণের চেহারা বদলে গিয়েছে। নব্য বাঙালির তেরো পার্বণ তাহলে কী? অসাধারণ এক রম্যরচনা। লিখেছেন রবি কর।।
ইস্টবেঙ্গলে বিক্ষোভ। হেনস্থা হতে হচ্ছে কোচকে। কিন্তু ভিন্ন সুরও আছে। কেন ইস্টবেঙ্গলের এই অবস্থা, তা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠে এল। যুক্তিপূর্ণভাবে আত্মসমালোচনা করলেন দেবায়ন কুণ্ডু।।
একের পর এক সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেখানে আবার নতুন করে ফিরে এল মিনার, বিজলি, ছবিঘর। বাংলা ছবির পক্ষে দারুণ এক বার্তা। জেলার হলগুলিও যদি একটু সাহস নিয়ে এগিয়ে আসত! লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
সময়ের কাজ সময়ে করাটা খুব জরুরি। অনেক কাজ ফেলে রাখি কালকের জন্য। সেই ‘কাল’ আর আসে না। বাকির পাহাড় জমতে থাকে। তাহলে উপায়? কযেকটি সাধারণ, ছোটখাটো পরামর্শ। পড়ে দেখুন।।
স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এখানে পাঠক নির্দ্বিধায় নিজের ফেলে আসা জীবনের টুকরো টুকরো ঘটনা তুলে ধরতে পারেন। স্যারের দেওয়া বর্ষাকালের এক ছাতা। তাকে ঘিরে জমে থাকা অনেকদিনের পুরনো একটি ঘটনা। তুলে ধরলেন সজল চক্রবর্তী।।
কলকাতার নামী অর্থোপেডিক সার্জেন। অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। কিন্তু একইসঙ্গে প্রচন্ড ক্রীড়াপাগল। তাই ঠিক করেছেন, ছোট ক্লাবের ফুটবলারদের নিখরচায় চিকিৎসা করবেন। এমনই এক চিকিৎসক ডা. ঋত্বিক গাঙ্গুলি। খেলাধুলো নিয়ে তাঁর ভাবনার কথা জেনে নিলেন কুণাল দাশগুপ্ত।
আই লিগে ইস্টবেঙ্গলের আর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা নেই। তাহলে, মোহনবাগানের হয়ে চিৎকার করতে বাধা কোথায়? ট্রফিটা অন্তত বাংলায় আসুক। ইস্ট সমর্থক হয়েও এমনই ডাক দিলেন কৌস্তভ হালদার।।