দাও ফিরে সে ময়দান, লহ এ মিলনমেলা
মিলনমেলায় বইমেলা? এখনও মন ঠিক সায় দিচ্ছে না। বারবার মনে হয়, ময়দানই ভাল ছিল। সামনের বছর থেকে আবার ময়দানে ফিরিয়ে আনা যায় না? প্রশ্ন তুললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।
মিলনমেলায় বইমেলা? এখনও মন ঠিক সায় দিচ্ছে না। বারবার মনে হয়, ময়দানই ভাল ছিল। সামনের বছর থেকে আবার ময়দানে ফিরিয়ে আনা যায় না? প্রশ্ন তুললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।
বেঙ্গল টাইমসে শুরু হয়েছে নতুন বিভাগ— আত্মকথা। আজ ৩০ জানুয়ারি, গান্ধীহত্যার কলঙ্কিত দিন। এই দিনে যদি নাথুরাম গডসে তাঁর আত্মকথা লিখতেন, কেমন হত? সেই ভাবনা থেকেই এই লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।
নন্দন বা রবীন্দ্র সদন কে বানিয়েছেন? কেন, মমতা ব্যানার্জি, আবার কে? রসিকতা মনে হচ্ছে? তাহলে, একবার ওই চত্ত্বর থেকে ঘুরেই আসুন। ফলক দেখলেই বুঝতে পারবেন, এগুলো মমতা ব্যানার্জিরই বানানো। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
নন্দ ঘোষ ঠিক করলেন, বইমেলায় যাবেন। গেলেন। নানা প্রকাশক ও লেখকদের নিয়ে অনেক খোঁজখবর নিলেন। বইমেলা নিয়ে কিস্তি লিখতে চান। তাঁকে কে না করবে? শুধু হল দেজ পাবলিশিংকে দিয়ে। আজ তাঁর শিকার দেজ–এর কর্ণধার শুধাংশুশেখর দে।।
সুরে সুর মেলাতে হবে। তাহলেই আপনি দেশপ্রেমী। প্রশ্ন তুললেই আপনি দেশদ্রোহী। ছাড় পাচ্ছেন না অমর্ত্য সেন, কৌশিক বসু, প্রভাত পট্টনায়েকের মতো অর্থনীতিবিদরাও। নানা মতের দেশ ভারতে একমত চাপানোর চেষ্টা কেন? যাঁরা এমন হইচই করছেন, তাঁরা দেশকে ভালবাসেন তো? লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।
বেঙ্গল টাইমসে শুরু হল নতুন বিভাগ— আত্মকথা। সপ্তাহে তিন দিন থাকবে এই আত্মকথা। আজ, সাধারণতন্ত্র দিবসে রইল সংবিধানের আত্মকথা। জন্মের ৬৮ বছর পর কী বলতে চায় আমাদের সংবিধান? কেন্দ্র, রাজ্য, পঞ্চায়েত সব জায়গায় সে নির্যাতিত। সেই নির্যাতনের কথা যেন নিজের মুখেই বলতে চাইছে আমাদের সংবিধান।
রাজ্যের নানাপ্রান্তে কতরকমের মেলা। ঢাউস সরকারি হোর্ডিং আর বিজ্ঞাপন। কিন্তু প্রাণের স্পর্শ কই? ঘুরে আসুন ডিসেরগড়ের ছিন্নমস্তা মেলা থেকে। দেখতে পাবেন, প্রাণের স্পর্শ কাকে বলে। মানুষের সমাগম কাকে বলে। বিস্তারিত জানতে হলে পড়ুন এই প্রতিবেদনটি।
নিজের পত্রিকা নিজেই ফেরি করে বেড়ান। হাসিমুখে অন্যদের হাসিয়ে যান। এমনই এক চরিত্রকে তুলে ধরলেন পারিজাত সেন।