কী যে লেখেন, তিনিই বোঝেন
তিনি নাকি স্টার রিপোর্টার। এমন স্টার, লেখা পড়তে গিয়ে মানে বই খুলতে হয়। পাছে না পড়লে পিছিয়ে পড়ি! এই কুসংস্কার থেকে কিছু লোক পড়ত, কিছু না বুঝলেও বোঝার ভান করত। নন্দ ঘোষের শিকার এবার দিকপাল সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য।।
তিনি নাকি স্টার রিপোর্টার। এমন স্টার, লেখা পড়তে গিয়ে মানে বই খুলতে হয়। পাছে না পড়লে পিছিয়ে পড়ি! এই কুসংস্কার থেকে কিছু লোক পড়ত, কিছু না বুঝলেও বোঝার ভান করত। নন্দ ঘোষের শিকার এবার দিকপাল সাংবাদিক গৌতম ভট্টাচার্য।।
একটি চপের দোকান। কত ইতিহাসের নীরব সাক্ষী! এখানেই নিয়মিত চপ, পেঁয়াজি খেয়ে যেতেন নেতাজি। তাই নেতাজির জন্মদিনে এই দোকানে সব কিছু ফ্রি। শতবর্ষের দোরগোড়ায় থাকা সেই দোকানকে নিয়ে লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।
ফুটবলের ম্যাচরিপোর্ট না শরৎকালের রচনা, বোঝা মুশকিল। মোহনবাগান বা ইস্টবেঙ্গলকে পরে ফুটবল শেখাবেন, মশাই আপনি আগে ফুটবলের ম্যাচরিপোর্ট করতে শিখুন। নইলে ইতালি বা ফ্রান্সের কাগজে গিয়ে শরৎকালের রচনা লিখুন। এবার রূপায়ন ভট্টাচার্যকে একহাত নিলেন নন্দ ঘোষ।।
অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে যাচ্ছে দুই প্রধান। যদি সমর্থকদের নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হয়, তাহলে কেমন হয়? কী এমন খরচ? কিছুটা সমর্থকরা দেবেন, কিছুটা ক্লাব দেবে, এমনটা করা যায় না? এত এত মানুষের আবেগ, আর কবে কাজে লাগাবেন কর্তারা? লিখেছেন সোহম সেন।।
কখনও স্টেশনের রিটায়ারিং রুমে থেকেছেন? চমৎকার ব্যবস্থা। কিন্তু আমাদের রাজ্যে ছবিটা যেন অন্যরকম। দুই রাজ্যের দু’রকম ছবি তুলে ধরলেন সায়ন বিশ্বাস।
নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল জ্যোতিবাবুর মৃত্যুদিন। অনেকেই মনে রাখেননি। বামেরাও ব্যস্ত রইলেন ফেসবুকের টিকাটিপ্পনিতে। কীভাবে দিনটাকে পালন করা যেত? লিখলেন প্রতাপ ভঞ্জ।
তিন বছর হল তিনি বিদায় নিয়েছেন। না থেকেও দিব্যি আছেন সুচিত্রা সেন। বিদায় বেলায় যদি সাক্ষাৎকার দিতেন, কেমন হত সেই ইন্টারভিউ? না নেওয়া সেই ইন্টারভিউ তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।