বাংলাটা ঠিক আসে না

আজ একুশে ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। কিন্তু মাতৃভাষার প্রতি আমাদের মনোভাবটা ঠিক কেমন?‌ দারুণভাবে ফুটে উঠেছে ভবানীপ্রসাদ মজুমদারের এই কবিতায়। অনেকেই জানেন। হয়ত অনেকে আগে পড়েননি। তাই ভাষা দিবসে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। প্রকাশ করা হল সেই কবিতা। পড়ুন, শেয়ার করুন।

পাণ্ডব গোয়েন্দার অজানা কাহিনী

অনেকেরই শৈশব কেটেছে পাণ্ডব গোয়েন্দা পড়ে। এখন তাঁদের ছেলেরা, নাতিরাও পড়ে পাণ্ডব গোয়েন্দা। কীভাবে লেখা হল এই গোয়েন্দা কাহিনী ? লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় ও পঞ্চুর অনেক অজানা কাহিনী। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।

আড়ালে থাকা মাটির কবি বিনোদ বেরা

মেদিনীপুরের এক ছোট্ট গাঁয়ের এক সরল শিশুর গল্প ,প্রথম জীবনে পড়তে না জানা এক নিরক্ষরের কবি হয়ে ওঠার গল্প ,আজীবন হাল ধরা এক কৃষকের গল্প ,জীবনানন্দ পরবর্তী বাংলা কবিতায় যার লেখনীতে বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত বার বার ফিরে এসেছে যার কবিতা সমকালীন কাব্য জগতকে এক আলাদা মাত্রা দান করেছে সেই মাটির কবি বিনোদ বেরার নানান অজানা কাহিনি …………….
_ শোভন চন্দ ও অয়ন দাস

দোহাই, নোটবাতিলকে ঢাল করবেন না

গিল্ড কর্তাদের ব্যাখ্যা, খুচরো সমস্যার জন্য নাকি বই বিক্রি কম। কাকে খুশি করতে চাইছেন, কে জানে!‌ আসল কারণটা একেবারেই অন্যরকম। বই বিক্রি কমের জন্য দায়ী গিল্ডকর্তারাই। কেন?‌ জানতে হলে পড়ুন অভিরূপ কুমারের লেখা।। ‌

জনমতের দালাল

বিশেষ এজেন্সি। তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে জনমত?‌ কীভাবে?‌ এই নিয়ে চমৎকার একটি গল্প লিখেছেন অম্লান রায়চৌধুরি। একেবারেই ভিন্ন আঙ্গিকের লেখা। একটু সময় নিয়ে পড়ুন, ভাল লাগবে।

কাজীবাচা

তমাল গোলদার কাজীবাচা নাম করে আছে এক নদী, কল-কল, ছল-ছল বহে নিরবধি। নদীর বুকেতে খেলে ছোটো ছোটো ঢেউ, কেন এই ছেলেখেলা নাহি জানে কেউ! ছেলেবেলা থেকে দেখি শুধু চলেছে ধেয়ে,...

বই চুরিতে পিছিয়ে নেই বিদেশিরাও!‌

প্রায় ষোল বছর আগের কথা। বইমেলার শেষদিন। একটি ছবি ও তার অভিনব একটি ক্যাপশন। সেই মজার ঘটনার স্মৃতিচারণ করলেন সরল বিশ্বাস।।

দাও ফিরে সে ময়দান, লহ এ মিলনমেলা

মিলনমেলায় বইমেলা?‌ এখনও মন ঠিক সায় দিচ্ছে না। বারবার মনে হয়, ময়দানই ভাল ছিল। সামনের বছর থেকে আবার ময়দানে ফিরিয়ে আনা যায় না?‌ প্রশ্ন তুললেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।

বই ব্যবসা ছেড়ে হোটেল ব্যবসায় মন দিন

নন্দ ঘোষ ঠিক করলেন, বইমেলায় যাবেন। গেলেন। নানা প্রকাশক ও লেখকদের নিয়ে অনেক খোঁজখবর নিলেন। বইমেলা নিয়ে কিস্তি লিখতে চান। তাঁকে কে না করবে?‌ শুধু হল দেজ পাবলিশিংকে দিয়ে। আজ তাঁর শিকার দেজ–‌এর কর্ণধার শুধাংশুশেখর দে।।

এই দাপাদাপি দেখলে নির্ঘাত আত্মহত্যা করতেন শরৎবাবু

পাশ দিয়ে বয়ে চলেছেন রূপনারায়ণ। একটু দূরেই শরৎচন্দ্রের বাড়ি। সাহিত্যের তীর্থস্থানে পিকনিকের নামে ডিজে আর মাতালদের দাপাদাপি। আজ শরৎচন্দ্রের মৃত্যুদিনে সেই ছবিটাই তুলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরী।।