অমল ও চাওআলা
বাড়িতে একাকী অমল। হঠাৎ আগমন এক চাওয়ালার। এই শীতে দইওয়ালার থেকে চাওয়ালাই ভাল। দুজনের গপ্পো শুরু হয়ে গেল। লেখা হয়ে গেল নতুন এক ডাকঘর। রবি ঠাকুর ক্ষমা করবেন।
রবীন্দ্রনাথ, ঠাকুরবাড়ি ও মোহনবাগান
রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ছিলেন ? তাঁর কোন লেখায়, কোন ক্লাবের কথা কীভাবে উঠে এসেছে ? গোষ্ঠ পালকে দেখে কী বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? এমন নানা অজানা বিষয় উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।
ক্যাশলেস
খুচরোর আকাল। ব্যাঙ্ক, এটিএমে লম্বা লাইন। কীভাবে সামাল দিচ্ছেন মধ্যবিত্ত। একটি গল্পে উঠে এল সেই ছবিটা। এই সময়ের পটভূমিতে লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।
ছোটবেলার সঙ্গী, বড়বেলারও সঙ্গী
অনেকেরই শৈশব কেটেছে পাণ্ডব গোয়েন্দা পড়ে। এখন তাঁদের ছেলেরা, নাতিরাও পড়ে পাণ্ডব গোয়েন্দা। কীভাবে লেখা হল এই গোয়েন্দা কাহিনী ? লেখক ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় ও পঞ্চুর অনেক অজানা কাহিনী। লিখেছেন সংহিতা বারুই।।
বেঙ্গল টাইমস। দীপাবলি সংখ্যা।।
প্রকাশিত হল বেঙ্গল টাইমসের দীপাবলি সংখ্যা। আকর্ষণীয় কভার স্টোরি ছাড়াও সাহিত্য, সিনেমা, খেলা, ভ্রমণ বিষয়ক নানা আকর্ষণীয় লেখা। ৭৫ পাতার ই-ম্যাগাজিন, পিডিএফ ফাইলে আপলোড করা হল। ডাউনলোড করলেই অনায়াসে পড়তে পারেন।
এখন পাড়ায় পাড়ায় বিদ্যাসাগর
এই রে! নন্দ ঘোষ জেনে গেছেন, আজ বিদ্যাসাগরের জন্মদিন। তাঁর দাবি, তিনি বিদ্যাসাগর নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, এমন সাধ্য কার আছে ? আসুন দেখা যাক, জন্মদিনে তিনি কীভাবে শ্রদ্ধা (সরি, শ্রাদ্ধ) জানান।
শুধুই সমাজ সংস্কার? গদ্যের রূপকার নন!
বিদ্যাসাগর বলতেই মনে আসে সমাজ সংস্কারের কথা। আসে বর্ণ পরিচয়ের কথাও। কিন্তু বাংলা গদ্যকে কতখানি সাবলীল করেছিলেন, সে কথা আড়ালেই থেকে যায়। সেই আঙ্গিক থেকে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধা জানালেন অন্তরা চৌধুরী।
সিঙ্গুর কাণ্ডঃ পাগলা দাশুর ২ ছড়া
সিঙ্গুর কান্ড নাকি সিলেবাসে আসবে। আসুক। কিন্তু পাগলা দাশু তো সিলেবাস কমিটির লোক নন। হুকুম তামিল করার দায় তাঁর নেই। তাঁর মনে নানা প্রশ্ন। তাই নিয়ে লিখলেন দুটি ছড়া।
অপু থেকে হরিহর, হরিহর থেকে অপু
তখন তাহারা নির্জন দুপুরে, মায়ের পাশে শুইয়া চাঁদের পাহাড় পড়িত। যাহারা পড়িতে শেখে নাই, তাহাদের মায়েরা দিদি নাম্বার ওয়ান না দেখিয়া সন্তানকে পড়িয়া পড়িয়া শোনাইতেন।
বিভূতিভূষণের জন্মদিনে একেবারে ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
