ডেপুটি চেয়ারম্যানের দৌড়ে এগিয়ে সুখেন্দুশেখর

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ এই প্রথম কোনও বাঙালি রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হতে পারেন। অন্তত সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজ্যসভায় এই মুহূর্তে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এনডিএ শরিকদের ধরলেও সংখ্যায় কম পড়ে যাচ্ছে। ফলে,...

ফেডারেল ফ্রন্ট বলে কিছু থাকবে না

কংগ্রেস যদি ১২০ ছাপিয়ে যায়, তাহলে ফেডারেল ফ্রন্ট বলে কিছু থাকবে না। একে একে বাকিরা ঝুঁকবে কং শিবিরে। তখন তাঁকেও ভিড়তে হবে।সুতরাং, যতই ফেডারেল ফ্রন্টের দামামা বাজানো হোক, ভোটের পর এসব খুঁজে পাওয়া যাবে না। হয় বিজেপি নয় কংগ্রেস, কোনও এক বন্দরে নৌকো ভেড়াতেই হবে।

আর এস এস কেমন, আপনার মেয়ে ঢের ভাল জানেন

চ্যানেলওয়ালারা কি প্রণববাবুর বক্তৃতার অর্থ বোঝেনি? ভালই বুঝেছে। কিন্তু তাদের মগজ আগে থেকেই পদ্ম ফুলের গন্ধে ম ম করছে। তাই তারা বুঝেও বুঝবে না। ঠিক তেমনি, যাদের সামনে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বক্তৃতা দিলেন, তারাও কিছু বুঝবে না। বুঝলেও বুঝবে না। নন্দ ঘোষের কড়চা।

দয়া করে প্রণববাবুকে জ্ঞান দেবেন না

কী দিনকাল এল!‌ যে পারছে, প্রণব মুখার্জিকে জ্ঞান দিয়ে দিচ্ছে। যেন সবাই প্রণব মুখার্জির থেকে বেশি বোদ্ধা। প্রণববাবু জানেন, কোথায় যেতে হয়, কী বলতে হয়, কতটুকু বলতে হয়। এবং, কী বলতে নেই। এই সংযম কখনই হারাননি। যাঁরা অহেতুক বিতর্ক তুলছেন, তাঁরাই বরং বেশি অসহিষ্ণু হয়ে পড়ছেন। লিখেছেন ধীমান সাহা।।

নিশ্চিত থাকুন, ভোট এ বছরই

উপনির্বাচন বড় এক ধাক্কা। আরও বড় ধাক্কা হয়ত অপেক্ষা করছে রাজস্থানে। সেই ঝুঁকি কি বিজেপি নেবে?‌ রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়ে কংগ্রেস ভাল ফল করলে, সারা দেশে হাওয়া ঘুরে যাবে। তাই ভোট এগিয়ে আনা ছাড়া বিজেপির উপায়ও নেই। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

রাহুল বুঝিয়ে দিলেন, তিনি এখন যথেষ্টই পরিণত

অনেকে বলছেন, কর্নাটকে আগে জোট গড়লে ভাল হত। কিন্তু সেক্ষেত্রে অন্য ফলও হতে পারত। তখন হয়ত বিজেপি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যেত। তার চেয়ে ভোটের পর এই জোট গঠন অনেক বেশি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ক্রমশ পরিণত হচ্ছেন রাহুল গান্ধী। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

সেই দিন খুব দূরে নেই, নীতীশবাবু

মাত্র কয়েক মাসেই ছবিটা কেমন বদলে যাচ্ছে। নীতীশ কুমার কেমন হারিয়ে যাচ্ছেন। বিহারেই তিনি হয়ত হয়ে উঠবেন তৃতীয় শক্তি। আস্তে আস্তে বুঝবেন, বিজেপি কতটা বন্ধু। বুঝবেন, জেলে থাকা লালুও কেন এখনও এত জনপ্রিয়। লিখেছেন সুরঞ্জন ভদ্র।।

আরও এক প্রণাম, এবার ঋতব্রত

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ আরও একটি প্রণাম। আরও এক দিকবদল। সিপিএমের বহিস্কৃত সাংসদ ঋতব্রত ব্যানার্জির তৃণমূলে যোগদানও প্রায় পাকা। কবে, কীভাবে যোগ দেবেন, তা এখন সময়ের অপেক্ষা। রাজ্যসভায় এখনও দু বছরের...

তৃতীয় ফ্রন্ট!‌ ফের এক আষাঢ়ে গপ্পো

আঞ্চলিক দলগুলির কোনও বিশ্বাসযোগ্যতা আছে?‌ একমাত্র লালুপ্রসাদ আর বামপন্থীরা ছাড়া যে কেউ সুযোগ বুঝলেই বিজেপি শিবিরে ভিড়তে পারে। এমনকী তৃণমূলও। কংগ্রেস ২০০ পেরিয়ে গেল পাশে দাঁড়ানোর লাইন পড়ে যাবে। এত এত দলকে ধরে রাখাই শক্ত। তাই তৃতীয় ফ্রন্ট আদৌ দানা বাঁধবে না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

বাংলায় এমন ঝড় কেন ওঠে না!‌

সৌম্যজিৎ রক্ষিৎ কেয়কদিন ধরে অদ্ভুত এক ভাল লাগা। মহারাষ্ট্রের ওই কৃষকদের আমি চিনি না। তাদের ভাষাও বুঝি না। কী তাদের দাবি, তার কতটা যুক্তিগ্রাহ্য, তাও বুঝি না। তবু ওদের পদচারণা...