মূর্তি ভাঙা যায়, কিন্তু চেতনায় থেকেই যায়

মূর্তি ভাঙলেই কি মানুষগুলোকে মুছে ফেলা সম্ভব?‌ তাঁরা থেকে যান। লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে, চেতনায়। বরং, যতবার মূর্তি ভাঙা হয়, ততবার এই মনীষীরা জীবন্ত হয়ে ওঠেন। আর ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে যায় তারা, যারা এই ভাঙায় হাততালি দেয়। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

হ্যাঁ, আমরা সবাই লেনিনের বাচ্চা

লেনিনের ছবি দেখিয়ে সন্তানকে বলব, ‘‌ইনিও আমাদের এক পূর্বপুরুষ। যুগে যুগে ইনি স্পার্টাকাস। ইনিই বিরসা মুন্ডা। ইনিই গ্যালিলিও। ইনিই গান্ধী। এঁকে দেখে যুগে যুগে মানুষ লড়াইয়ের সাহস পায়। তাই যুগে যুগে এঁর ওপরেই আঘাত নেমে আসে’। ধন্যবাদ বিজেপি, তোমরা আমাকে উত্তরাধিকার ফিরিয়ে দিয়েছো। স্মৃতির সরণি বেয়ে লেনিন–‌মন্থন। অমৃতরস তুলে আনলেন ময়ূখ নস্কর।

বাংলা নয়, ফের উত্তরপ্রদেশ থেকেই রাজ্যসভায় যাচ্ছেন জয়া বচ্চন

মমতার সঙ্গে অখিলেশের কথাও হয়। মমতা নাকি অখিলেশকে বলেছিলেন, তুমি যদি একান্তই না পাঠাতে পারো, তাহলে আমরা বাংলা থেকে জয়াজিকে পাঠাব। অখিলেশ তাঁকে আশ্বস্ত করেন, সমাজবাদী পার্টি থেকে তাঁরা জয়াকেই ফের রাজ্যসভায় পাঠাবেন।

অনুশোচনা আসবে, নতুন শপথও আসবে

এখন যার বয়স ৩০/‌৩৫, সে তো ছোট থেকে এই সরকারটাই দেখে আসছে। তার মনে নানা প্রশ্ন, ক্ষোভ তৈরি হবেই। প্রত্যাশার পারদ ঊর্ধ্বমুখী। নানা প্রলোভনে বিভ্রান্ত হওয়ারই কথা। তবু বাংলার দিকে যদি একটু তাকাতেন!‌

মানিকবাবু, বুদ্ধবাবুর পরিণতি থেকে কোনও শিক্ষাই নিলেন না!‌

আপনাদের ভদ্রতা, আপনাদের উদারতাকেই অন্যরা দুর্বলতা ভেবে নিয়েছে। প্রশাসক হিসেবে কড়া হতে পারলে হয়ত এই শক্তগুলো মাথা তুলতে পারত না। যে ভুলটা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য করেছিলেন, সেটাই মানিক সরকারও করলেন। ত্রিপুরার ফলাফলের পর লিখলেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

এখন আর এসব কথা তুলে কী হবে কমরেড?‌

অরিত্র ঘোষাল বিজন ধরের সাংবাদিক বৈঠক দেখছিলাম। একেবারেই ভাল লাগল না। নির্বাচনে হার–‌জিৎ আছেই। কিন্তু হারটাকে খোলা মনে মেনে নিতে হয়। এটাই গণতান্ত্রিক শিষ্টাচার। কিন্তু ত্রিপুরার বাম নেতৃত্বকে দেখে মনে...

তৃণমূল থেকে রাজ্যসভায় যেতে পারেন জয়া বচ্চন

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ এই রাজ্য থেকে রাজ্যসভায় যেতে পারেন জয়া বচ্চন। আপাতত তিনি উত্তরপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভার সদস্য। সমাজবাদী পার্টির প্রতীকে। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। এখন সমাজবাদী পার্টির...

চৌরাস্তার মোড়ে বাইচুং

তৃণমূল তো ছাড়লেন। এবার কোথায় যাবেন বাইচুং?‌ নানা জল্পনা ভেসে বেড়াচ্ছে। নানা সম্ভাবনাকে একটু তলিয়ে দেখা। চৌরাস্তার মোড়ে আপাতত দাঁড়িয়ে। কোন দরজা খুলবে, বাইচুং নিশ্চয় জানেন।

এই মায়াবতীর জন্য একটি লাইনও থাকে না

গোটা দেশ মেতে আছে শ্রীদেবীর হাওয়ায়। বাংলা কাগজও তাই। তাই এমন প্রতিবাদের পরেও মায়াবতীকে নিয়ে একটি লাইনও লেখা হয় না। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

দেশ থেকে মুসলিমদের তাড়ালেই কি সব সমস্যা মিটে যাবে?‌

দেশে যেন আর কোনও সমস্যা নেই। মুসলিমরা না থাকলেই যেন আর কোনও সমস্যা থাকবে না। ধর্মনিরপেক্ষতার দেশ ভারতবর্ষে মুসলিমদের “অবাঞ্ছিত” মনে করে তাদের দেশ থেকে বিতাড়ন করলেই কি সব সমস্যার সমাধান হবে ? প্রশ্ন তুললন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।