‌নিজের ব্যর্থতার ঢাক পেটাতেও প্রধানমন্ত্রীর জুড়ি নেই

অন্যের দিকে আঙুল তুলছেন ঠিকই। আসলে, আঙুলটা তাঁর নিজের দিকেই উঠছে। নিজের ব্যর্থতাকেই বেআব্রু করে চলেছেন। সেই কতকাল আগে অটল বিহারী বাজপেয়ী তাঁকে বলেছিলেন, রাজধর্ম পালন করতে। সেই শিক্ষা আজও নিতে পারেননি। রাজধর্ম থেকে তিনি আলোকবর্ষ দূরে। তিনি শুধু বাজার গরম করতেই জানেন। কিন্তু প্রশাসন চালানো তাঁর কম্ম নয়।

পাটনার এই ঐক্য আরও প্রসারিত হোক

রঞ্জন সেন পাটনার মেগা বৈঠককে নিয়ে অনেকদিন ধরেই অনেক আলোচনা। এই বৈঠক আদৌ কতটা কার্যকর হবে?‌ এই বৈঠক থেকে কী বার্তা বেরিয়ে আসবে?‌ এই বৈঠকেই কি বিকল্প হিসেবে কোনও মুখকে...

‌রাহুলের থেকেও বড় বড় সব পাপ্পু সংসদ আলো করে আছেন

এঁদের পাশে যখন রাহুল গান্ধীকে দেখেন, তখন কাকে বেশি করে পাপ্পু মনে হয়?‌ যে বুকের পাটা রাহুল দেখিয়েছিলেন, সেটা তো রাজনাথ বা অমিত শাহ দেখাতে পারলেন না।

উত্তরসূরীকে ঠিক চিনেছিলেন দেশবন্ধু

বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।

‌রাবার স্টাম্প কি শুধুই খাড়্গে?‌

গান্ধী পরিবারের সুবিধাটা কোথায়?‌ এতদিন বারবার এটাই অভিযোগ উঠত, তাঁরা ক্ষমতা আঁকড়ে আছেন। ফলে, ব্যর্থতার সব দায় তাঁদেরই নিতে হত। তাছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির আক্রমণের নিশানাই থাকতেন রাহুল গান্ধী। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই পরিবারতন্ত্রের কথা টেনে আনা হত। নিজের ব্যর্থতাকে ঢাকতে গিয়ে এমনকী বারবার নেহরুকেও টেনে আনতেন প্রধানমন্ত্রী। রাহুলের দোষ চাপাতেন নেহরুর ঘাড়ে।

মুলায়ম, প্লিজ নিজেকে ‘‌নেতাজি’‌ বলবেন না

(‌বছরখানেক আগে। মুলায়ম সিং যাদবের ৮০ তম জন্মদিনে এই লেখা বেঙ্গল টাইমসে প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর পর সেই লেখা ফের প্রকাশিত হল। )‌ স্বরূপ গোস্বামী   ছোটবেলার চেনা শব্দগুলোর মানে...

দশ বছর আগে, দুই ‘‌ক’‌ ও দুই ‘‌ম’‌ এর কাহিনি

এরই মধ্যে মুলায়ম সিং যাদব দুদিন পর জানিয়ে দিলেন, তিনি আগের ঘোষণা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। অর্থাৎ, রাষ্ট্রপতি পদে প্রণব মুখার্জিকেই সমর্থন করবেন। যতদূর মনে পড়ে, সেই সময় মমতার শিবির থেকে মুলায়মকে ‘‌বিশ্বাসঘাতক’ বলেও চিহ্নিত করা হয়েছিল। মুলায়মের এই হঠাৎ করে নেওয়া সিদ্ধান্তে বেশ ক্ষুব্ধই হয়েছিলেন মমতা। তিনি কার্যত একা পড়ে গেলেন। দিন কয়েক যেতে না যেতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীও হাজির প্রণববাবুর বাড়িতে, তাঁকে সমর্থনের বার্তা দিতে।

মুলায়মকে কখনও ইংরাজি বলতে শুনেছেন!‌

শোনা যায়, প্রথম জীবনে তিনি পেশায় অধ্যাপক ছিলেন। তাও আবার বিজ্ঞান বিভাগের। এমন একজন মানুষ কি চেষ্টা করলে দু–‌চার লাইন ইংরাজি বলতে পারতেন না?‌ আলবাত পারতেন। কিন্তু কোনওদিন চেষ্টাই করলেন না।

মমতা যদি এমন তাস ফেলতেন!‌

একবার যদি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আদবানির নাম ঘোষণা করে দিতেন, তাহলে সত্যিই চাপে পড়ে যেতেন মোদি অমিত শাহরা। তখন তাঁরা কী করবেন, সত্যিই ভেবে পেতেন না। বাধ্য হয়েই এই নামটা গিলতে হত। নৈতিক জয় হত মমতারই। কেন যে মমতা এই তাসটা ফেললেন না!‌

এই ললিপপে তিনি ভুলছেন না

এবার এই রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হয়েও তিনি খুব খুশি, এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। এই বয়সে এসে কে নিজের মান সম্মান খোয়াতে চান?‌ হয়ত তাঁকে রাজ্যসভার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই এবারের মতো হয়ত রাজি হয়ে গেলেন। কয়েকমাস পর মিলিয়ে নেবেন। আর এরপরও যদি টিকিট না মেলে, লিখে রাখুন, তৃণমূলের ত্রিসীমানাতেও তাঁকে দেখা যাবে না।