দলবদলুরা যদি অজয় দে–‌কে দেখে কিছু শিখতেন!‌

অজয় দে কি নিছকই একজন প্রাক্তন বিধায়ক!‌ শুধুই শান্তিপুর পুরসভার দীর্ঘদিনের পুরপ্রধান!‌ এর বাইরেও অন্য এক অজয় দে আছেন। যিনি দলবদলের পর উপনির্বাচনে দাঁড়িয়ে নতুন করে জিতে আসার হিম্মৎ দেখিয়েছিলেন। গত দশ বছরে এমন নজির আর কটা আছে!‌ দলবদলুরা যদি অজয় দে–‌কে দেখে কিছু শিখতেন!‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।

একেবারেই কূপমণ্ডুক মন্ত্রিসভা

গুরুত্বপূর্ণ সব দপ্তরই প্রায় কলকাতার লোকেদের হাতে। ক্যাবিনেটে জেলার তেমন প্রতিনিধিত্ব কই?‌ অধিকাংশ জেলার ভাগে জুটেছে রাষ্ট্রমন্ত্রী, নয়তো গুরুত্বহীন দপ্তর। এরপরেও এই মন্ত্রিসভাকে কূপমণ্ডুক ক্যাবিনেট বলা যাবে না?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

বিজেপির এই ভরাডুবি প্রত্যাশিতই ছিল

বিজেপির সবথেকে ভাল ফল কোথায়?‌ একদিকে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া। অন্যদিকে, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি। এই ছয় জেলায় বেশিরভাগ আসন পেয়েছে বিজেপি। বাকি জেলাগুলোতে এই সাফল্য এল না কেন?‌ কেন এই আসনগুলোতে জিতেছে, সেটা বুঝতে পারলেই বোঝা যাবে, কেন অন্যান্য জেলায় জয় আসেনি।

হার মানতে শিখুন, এখন আর আবোল তাবোল মানায় না

এত বিশাল জয়ের পরেও আবোল তাবোল বকার অভ্যেসটা গেল না। একজন দায়িত্বশীল মুখ্যমন্ত্রী এরকম লাগামছাড়া মিথ্যে বলে যেতে পারেন!‌ যত বড় ব্যবধানেই তৃণমূল জিতুক, মিথ্যেটাকে মিথ্যেই বলতে হবে। এবং এই অভ্যেস সহজে যাওয়ার নয়। সেটাই তিনি ফের বুঝিয়ে দিলেন।

বিনয় মিশ্ররা জানেন, সিবিআইয়ের দৌড় কতদূর

উত্তম জানা অনেকদিন ধরেই অভিযোগ উঠছে, নেতারা কোভিড বিধি মানছেন না। তাঁরা মিটিং করছেন, মিছিল করছেন, জনসভা করছেন, রোড শো করছেন। আর হাজার হাজার জনতা মাস্ক ছাড়াই সেই মিছিলে সামিল...

‌সুন্দরবনের জলদস্যু

বাচ্চু সর্দার এর নাম আমি প্রথম শুনি দয়াপুরে। তারপর শান্তিগাছি, কুমীরমারি যেখানেই গেছি, প্রায় সবাই ওর নাম করেছেন খুব সাবধানে, ভয়ে ভয়ে। সুন্দরবনের এক সময়কার ভয়ঙ্কর জলদস্যু বাচ্চু। ওকে ঘিরে সুন্দরবনের আনাচে কানাচে কত মিথ, কত গল্প ছড়িয়ে আছে, তার ইয়ত্তা নেই। বাদাবনের বেতাজ বাদশা। পুলিশের হাতে কখনও ধরা পড়েনি। বন দপ্তরও ওর হদিশ পায়নি।জলদস্যুদের অজানা কাহিনি উঠে এল শুভেন্দু আচার্যর লেখায়।

ছোট্ট একটা রেডিও, টুকরো টুকরো কত ছবি

১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব বেতার দিবস। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী?‌ নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।

ছৌ মুখোশের চড়িদা গ্রামে একটি দিন

ছৌ নাচের কথা কে না জানেন!‌ কোথায় তৈরি হয় সেই ছৌ–‌মুখোশ?‌ অযোধ্যার লাগোয়া সেই চড়িদা গ্রাম থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।

এই আকালেও স্বপ্ন দেখাচ্ছে ভর্গো

এভাবেই একটু একটু করে এগিয়ে চলেছে ভর্গো। এগিয়ে চলেছেন রাজা–‌রুমেলিরা। নিজেদের পেশাগত ব্যস্ততার বাইরেও সময় বের করে পাশে দাঁড়াচ্ছেন দুর্গতদের। এই আকালেও কেউ কেউ স্বপ্ন দেখান। কেউ কেউ আলো দেখান। তাই অন্ধকার পথের শেষে কোথাও একটা আলোর দিশা ঠিক খুঁজে পাওয়া যায়।

‌শুশুনিয়ার প্রাচীন ওই শিলালিপির কাছে

শুশুনিয়া মানে শুধু পাহাড় নয়। পাহাড়ের পেছনে রয়েছে এক শিলালিপি। যা আজ থেকে অন্তত ১৬০০ বছর আগের। এত বছর আগে, এই পাহাড়েই গুহা তৈরি করে ডেরা আশ্রয় নিয়েছিলেন রাজা চন্দ্রবর্মা। সেই ইতিহাস তুলে আনলেন অন্তরা চৌধুরি।