বেঙ্গল টাইমস / বিধানচন্দ্র রায় বিশেষ সংখ্যা
বিধানচন্দ্র রায়ের স্মরণে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধাঞ্জলি।কিংবদন্তি এই মানুষটিকে নিয়ে নানা স্বাদের এক ডজন লেখা। উঠে আসবে অনেক অজানা তথ্য ও ঘটনা।
বিধানচন্দ্র রায়ের স্মরণে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধাঞ্জলি।কিংবদন্তি এই মানুষটিকে নিয়ে নানা স্বাদের এক ডজন লেখা। উঠে আসবে অনেক অজানা তথ্য ও ঘটনা।
কিন্তু বিধান রায়ও নাছোড়। তিনি এসেছেন যখন, দেখা করেই যাবেন। বুঝলেন, রাষ্ট্রদূতকে দিয়ে হবে না। সেখান থেকে ফোন করে বসলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নেহরুকে। বললেন, জওহর, আমি এখানে এসেছি যখন, তখন কেনেডির সঙ্গে দেখা করেই যাব। কিন্তু তোমার রাষ্ট্রদূত আমাকে প্রোটোকল বোঝাতে শুরু করেছে। এই বয়সে ওসব বুঝে আমার কাজ নেই। তুমি ওকে বলো, ও যেন প্রেডিডেন্টের সঙ্গে অ্যাপয়েন্টমেন্টের ব্যবস্থা করে।
বিধানচন্দ্র জানতে চাইলেন, ছবির নাম কী? শুনলেন পথের পাঁচালী। ব্যাস, উপায় বেরিয়ে গেল। পথ আছে। গ্রাম বাংলা আছে। ব্যাস, আর কী চাই! গ্রাম বাংলার পথের ওপর তথ্যচিত্র বলে চালিয়ে দেওয়াই যায়। টাকা এল পিডব্লুডি–র ফান্ড থেকে।
সেবার চৌরঙ্গি ও শালতোড়া–দুটি আসনেই জিতেছিলেন বিধানবাবু। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছেড়ে দিতে হত। তিনি চৌরঙ্গি আসনটিই ধরে রেখেছিলেন। জয়ী হয়েছিলেন জানুয়ারিতে। জুলাই মাসের প্রথম দিনই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ফলে, আর শালতোড়ায় আসা হয়নি। শোনা যায়, শালতোড়াকে ঘিরেও তাঁর কিছু উন্নয়নের পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি। লিখেছেন সজল মুখার্জি।
মূলত এসব নিয়েই ভাষণ। ভাবা যায়, একজন মুখ্যমন্ত্রী এরকম বার্তা দিচ্ছেন! গল্পের ছলে কত ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে দিলেন। কোনও লড়াইয়ের কথা নয়। দেশের স্বার্থে প্রাণ বাজি রাখার কথা নয়। অথচ, তাঁর যা পাণ্ডিত্য, যে কোনও বিষয় নিয়েই কথা বলতে পারতেন। আসলে, অল্পবিদ্যা সবসময়ই ভয়ঙ্করী। প্রকৃত জ্ঞানীরাই এমন সরল হতে পারেন। একেবারেই আটপৌরে সভা। কিন্তু মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো কথা।লিখেছেন সেঁজুতি সেনগুপ্ত।
বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন! মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।
পরিকল্পনা সাজানোই ছিল। ঘরে ঢুকে পড়লেন চিফ সেক্রেটারি। হাতে নকশা। আর জমি হস্তান্তরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। ওই ঘরে বসিয়েই সই করিয়ে নেওয়া হল হেম নস্করকে। বেচারা মন্ত্রী! ঠিকমতো বুঝে ওঠার আগেই বিধানবাবুর কথায় সই করে ফেলতে হল। সল্টলেক তৈরির ইতিকথা। স্মৃতিচারণে প্রবীণ সাংবাদিক সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত।