গীতা মুখার্জির পাঠশালায় নারীর মুক্তি

‌কেমন ছিলেন অতীত দিনের দিকপাল সেই সাংসদরা?‌ কেন এতবছর পরেও তাঁদের আমরা মনে রাখি?‌ এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধাঞ্জলি গীতা মুখার্জিকে। লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।।

‌সংসদের সেই দৃপ্ত কণ্ঠস্বর

বাংলার দিকপাল সাংসদরা যখন কথা বলতেন, গোটা সংসদ তখন যেন মুগ্ধ শ্রোতা। অতীত দিনের সেইসব দিকপাল সাংসদদের নিয়ে বিশেষ সিরিজ। এবারের শ্রদ্ধার্ঘ্য গুরুদাস দাশগুপ্তকে। তাঁকে নিয়ে লিখেছেন ড. অরিন্দম অধিকারী।

মোয়ার সেকাল একাল

মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।

নিবিঢ় অরণ্যের হাতছানি সুতানে

জঙ্গলে যাব মনে করলেই মনটা কেমন ডুয়ার্স ডুয়ার্স করে ওঠে। পাহাড়, নদী, জঙ্গল, ঠান্ডা আবহাওয়া সবই তো উত্তরবঙ্গে। তাই বলে দক্ষিণবঙ্গের কপালে শুধুই গরম আর রুক্ষ প্রকৃতি? না। আমাদেরও আছে। দক্ষিণবঙ্গের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে আছে টুকরো টুকরো ডুয়ার্স।

শিক্ষক দিবস হোক আত্মসমীক্ষার দিন

দিব্যেন্দু দে শিক্ষক দিবস এলেই পুরনো সব স্মৃতি এসে ভীড় করে। আমাদের স্কুলে কীভাবে শিক্ষক দিবস পালন হত। কীভাবে আমরা শিক্ষকদের নানারকম উপহার দিতাম। তাঁরাও স্নেহ উজাড় করে দিতেন। সেইসব...

বনস্পতির ছায়া দিলেন, সারাজীবন

আজ শিক্ষক দিবস। প্রিয় শিক্ষকদের স্মৃতিতর্পণ। শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দে–‌র স্মৃতিতে তেমনই একটি লেখা। তুলে আনা হল ‘‌বনস্পতি’‌ স্মরণিকা থেকে

শিক্ষকরা মারতেন, সেটাই বোধ হয় ভাল ছিল

হয়ত শিরোনাম দেখে অনেকে অবাকই হবেন। কিন্তু আমার মনে হয়, এইমুহূর্তে এটাই জরুরি। আমরা ছোট বেলা থেকেই গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করেছি। কোনও কোনও স্যার থাকতেন, যাঁরা মারধর করতেন। আমরা ভয় পেতাম। কী জানি, সেই কারণেই হয়ত তেমন দুষ্টুমি করতাম না।

আঁকা বাঁকা পথ বেয়ে সুতানে

অরণ্য ঘেরা সুতানে ফেরা যাক। পৌঁছেই চোখে পড়বে এক বিশাল ওয়াচ টাওয়ার। সেখানে উঠে মাইলের পর মাইল এই আদিম অরণ্যের বিস্তৃতি দেখা যায়। যতদূর চোখ যাবে, শুধুই জঙ্গল। সেই ওয়াচ টাওয়ারের পাশেই রয়েছে এক সুবিশাল জলাশয়। একটা সরকারি কটেজও রয়েছে। তৈরি হয়ে গেছে। লকডাউনের কারণে কিছু কাজ থমকে গিয়েছিল। তখনও উদ্বোধন হয়নি। এখানে যাঁরা আসেন, তাঁরা মূলত মুকুট মণিপুর বা ঝিলিমিলিতে ঠাঁই নেওয়া পর্যটক। সেখান থেকে আশপাশ ঘুরতে গিয়ে সুতানে ঢুঁ মেরে যান। কিন্তু একটু পরিকাঠামো গড়ে তুলতে পারলে সুতান নিজেই একটা দুরন্ত পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

ডিম–‌ভাত নয়, সমস্যা অনেক গভীরে

আজ যাঁরা নানা বাধ্যবাধকতায় ব্রিগেডে, তাঁদের অনেকেই এখনও মনে মনে লাল পতাকা নিয়েই হাঁটছেন। আবার একদিন লাল পতাকার নিশ্চিত আশ্রয়েই ফিরে আসবেন। সেই গরিব গুর্বো মানুষগুলোর ডিম–‌ভাত খাওয়াকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁদের আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন না তো?‌ ডিম–‌ভাত নিয়ে হইচই করতে গিয়ে আসল সমালোচনার জায়গাগুলো আড়াল করে ফেলছেন না তো?‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

পুরুলিয়ার মানুষকে নিয়ে এই হেলেফেলা আর কতদিন!‌

দিলীপ মাহাত পুরুলিয়াকে বলা হয় পিছিয়ে পড়া জেলা। আসলে, মূল শহর থেকে দূরে থাকলেই তাকে পিছিয়ে পড়া বলে চিহ্নিত করতে আমরা ভালবাসি। কিন্তু যারা পিছিয়ে পড়া, তাদের এগিয়ে আনার কতখানি...