বাইরেই ছাড়া আছে তিনটি বিদেশি কুকুর। তাদের আহ্বান শুনে শুরুতেই ভয় পেয়ে যেতেই পারেন। মনে হতে পারে, আর ওপরে উঠে কাজ নেই। ফিরে যাওয়াই ভাল। কিন্তু কুকুরের ভয় কাটিয়ে যদি ওপরে উঠে যান, এক জীবন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আপনার জন্য। হ্যাঁ, এখানেই তেনজিং নোরগের বাড়ি। ছোটবেলায় পাঠ্যবইয়ে পড়া সেই তেনজিং। প্রথম এভারেস্টে পা রাখা সেই তেনজিং। এভারেস্ট দিবসে সেই বাড়ির কথাই তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
অশোক ভট্টাচার্যকে নাকি শিলিগুড়ির প্রশাসক করে রেখে দেওয়া হচ্ছে। এত ধন্য ধন্য রব উঠছে। কলকাতায় ববি হাকিমের নিয়োগ যদি স্বাভাবিক হয়, তাহলে শিলিগুড়িতে অশোক ভট্টাচার্যের নিয়োগকে অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে কেন? মনে হচ্ছে, কারণ সরকার যে স্বাভাবিক আচরণ করতে পারে, এটাই অনেকে ভুলতে বসেছেন।
কোথাও ঘন জঙ্গল। কোথাও পাহাড়ি চড়াই–উতরাই। আর ভেসে আসা মেঘের মিছিল তো আছেই। পাহাড়ের ছোট্ট এক জনপদ। নানা বৈচিত্র্যে মোড়া। তাই নিয়েই লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
মাইলের পর মাইল হেঁটে যান চা বাগানের মাঝ দিয়ে। এই গরমে একটু হিমেল হাওয়া, একটু ভেসে বেড়ানো মেঘ। ভিনদেশ বা ভিনরাজ্য নয়, একেবারেই মিরিকের লাগোয়া ছোট্ট গ্রাম তাবাকোশি। সন্ধান দিলেন ভুবন সোম।।
ডুয়ার্স মানে ঘন জঙ্গল। আর কিছু জীবজন্তু। কিন্তু তার মাঝে যে এমন গা ছমছমে নদী আছে, কে জানত! এ তো উত্তরের অ্যামাজন। অন্য এক ডুয়ার্সের অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন স্বরূপ গোস্বামী।
একটা দার্জিলিংকে ভাঙিয়ে আমরা আর কতদিন খাব? আরও ছোট ছোট গ্রামকে পর্যটন কেন্দ্রের চেহারা দিতে হবে। একসঙ্গে অনেক পর্যটন কেন্দ্র খুঁজতে গেলে সব ঘেঁটে যাবে। তার থেকে বরং ছোট ছোট লক্ষ্য রেখে এগোনো ভাল। এই বছরের মধ্যে এমন দশটি জায়গা খুঁজে বের করা হোক। সেখানে কিছু পরিকাঠামো তৈরি করে জোরদার প্রচার শুরু হয়ে যাক। লিখেছেন শুভজিৎ বোস।
আমরা অনেকেই ফেসবুক, হোয়াটস আপ ব্যবহার করি। বাইরে বাইরে বন্ধুরা ছড়িয়ে আছেন। আমরা যদি নিজেদের প্রোফাইলে রোজ উত্তরবঙ্গের একটা করে সুন্দর ছবি পোস্ট করি, তাহলে তা অন্যান্য বন্ধুদেরও নজরে পড়বে। রোজ উত্তরবঙ্গের অজানা সব জায়গা দেখে তারাও আকৃষ্ট হতে পারেন। যিনি হয়ত দক্ষিণ ভারত যাবেন বলে ভাবছেন, তিনি উত্তরবঙ্গেও আসতে পারেন। এতে এইসব জায়গাগুলো আরও জনপ্রিয় হবে। কারণ, যাঁরা ঘুরে যাবেন, তাঁরা তাঁদের বন্ধুদের বলবেন। তাঁরাও সোশাল মিডিয়ায় প্রচার করবেন।
একজন সাধারণ কনস্টেবল বা সিভিক ভলান্টিয়ার এভাবে গাড়ি ভাঙচুর করতে যাবেন! বিশ্বাস করা কঠিন। উপর মহলের নির্দেশ ছাড়া এই কাজ হয় না। সেই উপর মহলটা কে? কোনও তদন্ত কমিটির হিম্মৎ হবে, সেই উপর মহলে আলো ফেলার! লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
কলকাতা আর শিলিগুড়ির দূরত্ব অনেকটাই কমে আসবে। ট্রেন যাত্রার ক্ষেত্রে অন্তত ২ ঘণ্টা আগে পৌঁছে যাওয়া যাবে শিলিগুড়ি। কারণ, দার্জিলিং মেল এবার থেকে পুরোটাই চলবে ইলেকট্রিক ইঞ্জিনে।
ভরা পর্যটন মুরশুম। আবার পাহাড়ে বন্ধের ডাক। এবার আর গুরুংবাহিনী নয়, বনধ ডাকল বিনয় তামাংদের যুব মোর্চা। বিনয় বলেছিলেন, আর কখনও পাহাড়ে বন্ধ ডাকবেন না। অথচ, তাঁর দলই কিনা বন্ধ ডেকে বসল! এতে পাহাড়ের ভাল হবে? গুরুংদের সঙ্গে তাহলে তফাত কোথায় ?