মেন্দাবাড়ি কোনও বিখ্যাত জায়গা নয়। বাংলার পর্যটন মানচিত্রে তাকে খুঁজেও পাবেন না। কোনও বহুজাতিক কোম্পানি এখানে হোটেল করতে এগিয়ে আসেনি। এমনকি সাধারণ মানের কোনও হোটেলও আপনি পাবেন না। কোনও ট্যুর অপারেটর আপনাকে মেন্দাবাড়ি নিয়ে যাবে না। শপিং মল তো দূরের কথা, চা খেতে চাইলে তেমন দোকানও বোধ হয় তিন কিলোমিটারের আগে খুঁজে পাবেন না। বিদ্যুতের আলো নেই। পাকা রাস্তা থেকে অনেক ভেতরে। ঘাস, জঙ্গল পেরিয়ে সে অনেকটা পথ। দশবার গেলেও রাস্তা গুলিয়ে যেতে পারে। বর্ষাকালে আপনার গাড়ি ঢুকবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই। যদিও বা ঢুকল, হাতির পাল এসে অন্ধকারে পথ আগলে দাঁড়াতেও পারে। চাইলে হয়ত আরও অনেক অভিযোগের ফিরিস্তি পেয়ে যাবেন। তাই, আরও একবার ভেবে নিন, যাবেন কিনা। পর্যটনের লেখায় শুধু ভাল ভাল কথার ফিরিস্তি থাকে। এখানে এই নেই, সেই নেই, এসব লিখতে নেই। কিন্তু কী করব? মেন্দাবাড়িতে যে অনেককিছুই নেই। কিন্তু যা আছে, তা যে অনেক অনেক বেশি। তবে, তা সবাই অনুভব করতে পারবেন, এমন আশা না করাই ভাল। এটা অনুভব করতে গেলে প্রকৃতিকে ভালবাসতে হবে। প্রকৃতির প্রতি ভালবাসা না থাকলে, নির্জনতাপ্রিয় না হলে, আপনাকে শুধু অভিযোগের ফিরিস্তি দিয়ে যেতে হবে। তাই এই জায়গা শুধু তাঁদের, যারা অনেক ‘নেই’ এর সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন। যাঁরা প্রাণভরে প্রকৃতিকে অনুভব করতে পারেন।
বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই–ম্যাগাজিন। জমজমাট পাহাড় সংখ্যা। বাংলার নানা পাহাড়ের কথা যেমন আছে, তেমনই আছে ভিনরাজ্যের পাহাড়ও। সেইসঙ্গে বাড়তি পাওনা পড়শি দেশ ভুটান। ডাউনলোড করে দ্রুত পড়ে ফেলা যায়।
কিছুদূর যাওয়ার পরই রাস্তার পাশে একটা ছবির মতো সুন্দর বাড়ি চোখে পড়ল। সামনে অজস্র ফুলে ঘেরা লন। সেখানে বসে এক বিদেশিনী আলতো রোদ গায়ে মেখে একমনে বই পড়ছেন। দৃশ্যটা মনে গেঁথে যাওয়ার মতোই। জায়গাটা একঝলক দেখেই বেশ ভাল লেগে গেল। জানা গেল, সেটা এক নেপালী পরিচালিত হোমস্টে। বাড়ির সামনে অনেকটা ফাঁকা জায়গা। নানারকম পাহাড়ি ফুল বাগান আলো করে রেখেছে। অদ্ভুত প্রজাতির পাতাবাহার ও অর্কিডও রয়েছে। পাশেই রয়েছে বহু পুরনো বিশাল এক চার্চ।সিটং থেকে ফিরে লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।
চা–বাগানের ১৫ শতাংশ পর্যন্ত জমিকে পর্যটনের কাজে ব্যবহার করা যাবে। চা–বাগান মালিকদের কাছ থেকে এমন প্রস্তাব আসছিল। পর্যটন সংস্থাগুলিও বারেবারে এমন প্রস্তাব দিচ্ছিল। এতে উত্তরের পর্যটন শিল্প অনেকটাই চাঙ্গা হতে পারে। এমনকী, চা–বাগানগুলির অর্থনীতিও কিছুটা হলেও উন্নত হতে পারে। বিকল্প কর্মসংস্থানও হতে পারে।
খুব পরিচিত জায়গা নয়। তবে মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতোই ঠিকানা লেপচাজগত। পাইন বনে মেঘের আনাগোনা। আকাশ একটু পরিষ্কার থাকলেও ডানা মেলবে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেখান থেকে ফিরে এসে দু–চার কথা। ভাগ করে নিলেন সন্দীপ লায়েক।
টাইগার হিলে যে কুপন সিস্টেম চালু হয়েছে, তা আরও নতুন সমস্যা তৈরি করবে। এই ব্যাপারে পরিবহণ সংস্থা ও পর্যটন সংস্থাগুলির সঙ্গে আরও আলোচনা জরুরি ছিল। গাজোয়ারি করে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে আগামীদিনে পাহাড় ফের অশান্ত হয়ে উঠতে পারে। প্রশাসন এখনও দেওয়াল লিখনটা পড়তেই পারছে না। লিখেছেন সঞ্জয় মিত্র।
টানা তিন মাস বন্ধ ছিল। এবার খুলে যাচ্ছে উত্তরের জঙ্গল। খুলে যাচ্ছে সুন্দরবনও। বাঙালির জঙ্গল অভিযানের দ্বিতীয় অধ্যায় এবার শুরু।
টাইগার হিলকে ঘিরে বাঙালির আদিখ্যেতার শেষ নেই। মাঝরাত থেকে কিচির মিচির করে সবাই ছুটবে সূর্যোদয় দেখতে। নিজের বাড়ির ছাদ থেকে কোনওদিন সর্যোদয় দেখেছে কিনা সন্দেহ। জিজ্ঞেস করুন, সূর্য কোনদিকে ওঠে, বলতেও পারবে না। এরাই কিনা ভিড় করত টাইগার হিলে। লিখেছেন সুরঞ্জন দাশগুপ্ত।।
কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন মার্কা টিপিক্যাল ভ্রমণ কাহিনী নয়। একেবারে ভিন্নস্বাদের বেড়ানোর গল্প। বেঙ্গল টাইমসে পড়ুন। আপনিও লিখুন। চেনা ছকে নয়, একেবারে আপনার নিজের মতো করে লিখুন।
এবার থেকে আর ইচ্ছে হলেই টাইগার হিলে যাওয়া যাবে না। টাইগার হিলের ভিড়ে রাশ টানতে চাইছে প্রশাসন। সকালের দিকে তিনশোর বেশি গাড়িকে অনুমতি দেওয়া হবে না। আগাম অনুমতি নিতে হবে।