পাচারকারী ধরা এক জিনিস। আর এশিয়ান গেমসে সোনা জয়ীর বাড়িতে হানা দেওয়া আরেক জিনিস। এটা ঘটনা, নানা কারণে স্বপ্নার পরিবারের ওপর গ্রামের লোকেদের ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। কিছুটা প্রতিবেশীদের স্বভাবজাত ঈর্ষা। বাকিটার জন্য স্বপ্নার পরিবারও দায়ী। রেঞ্জার সাহেবও খবরের গন্ধ পেয়ে চলে এলেন। কিন্তু এক্ষেত্রে এই অতি তৎপরতা হয়ত ব্যুমেরাং হয়ে উঠতে পারে।
সাংবাদিককে একটু কড়কে দেওয়া, একটু চমকে দেওয়া, এই সব খেলা জেলায় জেলায় চলছে। সব জেনেও প্রেস ক্লাবের কিছুই করার নেই। করার থাকবেও না। কারণ, কে সভাপতি হবেন, কে সচিব হবেন, কারা কমিটিতে থাকবেন, সব নবান্ন থেকে ঠিক হচ্ছে। এঁদের মুরোদ ওই সস্তায় মদ খাওয়া। এর বেশি আর কিছুই করার নেই।
কেন পুলিশ আইন হাতে তুলে নিলে মানুষ খুশি হচ্ছে, বিচার বিভাগ ভাবুক। এর পরেও দীর্ঘসূত্রিতা দূর হবে না? পাশাপাশি, এই সরকারও যে দোষীর শাস্তি দিতে পারে না, সেটা সরকার নিজেই প্রমাণ করে দিচ্ছে। কিন্তু নিজের ব্যর্থতাকেও যে এভাবে সাফল্যের মোড়কে বিজ্ঞাপন করা যায়, সেটা বিজেপিকে দেখেই শিখতে হয়।
আজ না হোক, কাল। তৃণমূলের অনেক মন্ত্রীই নাম লেখাবেন বিজেপিতে। পরে তাঁরা অনেক বিদ্রোহ দেখাবেন। কিন্তু ক্যাবিনেটে থেকেও এভাবে সোচ্চার হতে গেলে বুকের পাটা লাগে। এখানেও রাজীব বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।
উত্তম স্মরণে পিছিয়ে থাকবে না বেঙ্গল টাইমসও। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে মহানয়ককে নিয়ে থাকবে একটি বিশেষ সংখ্যা। নানা আঙ্গিক থেকে উঠে আসবে অনেক অজানা গল্প।
দেখতে দেখতে একমাস পেরিয়ে গেল। ঠিক এক মাস আগে পৃথিবীকে ‘আলবিদা’ জানিয়েছিলেন সুশান্ত সিং রাজপুত। এই এক মাসে কত ঝড়ঝাপটা বয়ে গেছে বলিউডের ওপর। কত ঝড় উঠছে কত অচেনা অনুরাগীর হৃদয়ে। এক মাস পর সেই দিকে আলো ফেলার চেষ্টা। ধারাবাহিক লেখায় সুশান্ত সিংকে তুলে আনলেন ইন্দ্রাণী রাহা। আজ প্রথম পর্ব। আগামী সাতদিন সাত কিস্তি। আপলোড হবে ঠিক সকাল আটটায়। চোখ রাখুন বেঙ্গল টাইমসে।