একটি আদর্শ স্কুলের কাহিনী
প্রত্যন্ত গ্রামের একটি স্কুল। টেক্কা দিতে পারে শহরের স্কুলগুলিকেও। এমন স্কুলকে যে কেউ ঈর্ষা করতেই পারে। এমন একটি স্কুলকে দেখে আমরা সবাই যদি শিখতে পারতাম! লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
প্রত্যন্ত গ্রামের একটি স্কুল। টেক্কা দিতে পারে শহরের স্কুলগুলিকেও। এমন স্কুলকে যে কেউ ঈর্ষা করতেই পারে। এমন একটি স্কুলকে দেখে আমরা সবাই যদি শিখতে পারতাম! লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
শান্তি ফেরাতে গেলে সদিচ্ছা চাই। যেটা রাজ্য সরকারের নেই। বিনয় তামাংদের উস্কানি দিয়ে মোর্চায় বিভাজন আনা যায়, পাহাড়ে শান্তি আনা যায় না। প্রতিটি পদক্ষেপেই অস্বচ্ছ্বতা। তাই এই বৈঠকও প্রহসন হয়ে উঠবে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
মাত্র তিনদিনের সফর। পাহাড়ের বাঁকে অজানা মেঘের মিছিল। একইসঙ্গে চিঠি ও দিনলিপি। নানা মুহূর্ত, নানা অনুভূতি। সেই কোলাজ। বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।।
পাহাড় আমাদের বড্ড প্রিয়। শরৎ এলেই মনটা পাহাড়–পাহাড় করে। কিন্তু শীতের দেশে এত হিংসা কেন, এত আগুন কেন? আসুন, এই একটা বছর আমরা বরং পাহাড় থেকে মুখ ফিরিয়েই থাকি। লিখেছেন রাহুল বিশ্বাস।।
ধরা যাক, বিমল গুরুং একজন কাল্পনিক চরিত্র। ধরা যাক, দার্জিলিংও একটা কাল্পনিক নাম। সেই বিমল গুরুংয়ের আত্মকথা। এই লেখায় যদি বাস্তবের সঙ্গে মিল থাকে, সেটা মোটেই ‘কাকতালীয়’ নয়। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
পাহাড়ে অশান্তির দায় কার? মুখ্যমন্ত্রী দায় চাপিয়েছেন মোর্চার ওপর। চ্যানেলের বুদ্ধিজীবীরাও সেই সুরেই কথা বলছেন। কিন্তু দশটি অস্বস্তিকর প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন সাংসদ কুণাল ঘোষ। দেখে নেওয়া যাক তাঁর প্রশ্নগুলি। তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসে। আপনিও মতামত জানাতে পারেন।
অর্জুন মুন্ডা বা বাবুলাল মারান্ডি যদি মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন, তাহলে বিমল গুরুংও পারেন। তাই ‘অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ’ এই আদিখ্যেতা ছেড়ে শতাধিক বছরের পুরনো দাবিতে এবার সায় দিন। ওদের আলাদা রাজ্যের স্বীকৃতি দেওয়া হোক। লিখেছেন শেখর বাগচী।
সেদিন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, জমি নেওয়া হবে না। বিশ্বাস করেনি নন্দীগ্রাম। আজ মমতা ব্যানার্জি বলছেন, বাংলা চাপিয়ে দেওয়া হবে না। বিশ্বাস করছে না পাহাড়। সেদিন গুজবকে উসকে দিয়েছিলেন মমতা। আজ তার মাশুল দিতেই হবে। ইতিহাস এভাবেই ফিরে ফিরে আসে। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— আশির দশক। সেই সময়ের নানা কথা উঠে আসবে এই ফিচারে। পাহাড়ে সাম্প্রতিক অশান্তির আবহে উঠে এল গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের কথা। লিখেছেন রক্তিম মিত্র।
পাহাড় এই বাংলারই অঙ্গ। তাহলে, পাহাড়ে বাংলা পড়ানো হবে না কেন? পিছিয়ে যাওয়া নয়। বরং দৃঢ়তার সঙ্গে বলা হোক, পাহাড়ের ছাত্রদেরও বাংলা শিখতে হবে। লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।