ফেরার পথে সাফারি পার্ক হয়ে যাক

গরমে অনেকেই যাচ্ছেন দার্জিলিং। যাওয়ার পথে বা ফেরার পথে যদি একবার টাইগার সাফারি হয়ে যায়, মন্দ কী?‌ শালুগাড়ার সাফারি পার্কে আপনি থাকবেন গাড়ির খাঁচায়, আর বাঘ ঘুরে বেড়াবে জঙ্গলে।

ফেসবুকে রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণা!‌

কোনও প্রেস কনফারেন্স নয়। কোনও প্রেস বিবৃতি নয়। ফেসবুকের মাধ্যমে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল। বলা ভাল, মমতা ব্যানার্জি। রাজ্যসভায় কারা দলের প্রার্থী হবেন, সেই তালিকা প্রথম জানা গেল ফেসবুক ঘোষণা থেকে। ভারতীয় রাজনীতিতে এমন কাণ্ড সম্ভবত এই প্রথম।

অনুপ্রেরণা লাগে মশাই, ‘‌অনুপ্রেরণা’

মিরিকে জিতেও নিশ্চিন্তে নেই তৃণমূল। কাউন্সিলরদের কার্যত বন্দী রাখতে হয়েছে ডুয়ার্সে। দার্জিলিংয়ে ৩২–‌এর মধ্যে ৩১ জিতেও নিশ্চিন্তে নেই মোর্চা। মুচলেকায় সই করানো হল। কেনা–‌বেচার সংস্কৃতিটা কীভাবে ঢুকে পড়েছে!‌ ‘‌উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ’‌ বলে নতুন দুটো শব্দ চালু হয়েছে। যার আড়ালে যে কোনও ডাকাতি, অপহরণও চাপা পড়ে যায়। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

৩২ এর মধ্যে ১!‌ এর পরেও বলতে হবে উন্নয়নের জয়!‌

দার্জিলিংয়ে ৩২ আসনের মধ্যে তৃণমূল জিতল মাত্র ১টিতে। কালিম্পঙে ২৩টির মধ্যে ২টি। কার্শিয়াংয়ে ২০–‌র মধ্যে ৩। এরপরেও বলা হচ্ছে, তৃণমূল নাকি পাহাড় জয় করল। এটা যদি প্রত্যাখ্যান না হয়, তাহলে প্রত্যাখ্যান আর কাকে বলে!‌ লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।

ডাউ হিল নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানো বন্ধ হোক

সুন্দর সাজানো একটি জায়গা ডাউহিল। এমন মনোরম জায়গা নিয়ে অহেতুক ভূতের গুজব। আর তা কিনা ছড়াচ্ছেন এক পরিচালক। দোহাই, ডাউহিল নিয়ে গুজব ছড়ানো বন্ধ করুন। ‌লিখেছেন প্রসূন মিত্র।।

মেঘের দেশ, পাহাড়ের দেশ

বক্সা দুর্গ। ইতিহাস যেন ফিসফিস করে অনেককিছু বলতে চাইছে। আরও একঘণ্টার পথ লেপচা খা। চাইলে, একবার ঘুরে আসতেই পারেন। পাহাড়ি সেই উপত্যকা ঘুরে এসে নিজের অনুভূতির কথা লিখলেন সৌম্যদীপ সরকার।।

পার্থবাবু, চুপি চুপি গিনেস বুকে নাম পাঠিয়ে দিন

এক বিধায়ক একটা তালিকা ধরিয়ে দিলেন। শিক্ষামন্ত্রী গড়গড় করে পড়ে গেলেন। তালিকাটা নতুন না পুরনো, ভাল করে যাচাইও করলেন না। যদি নতুনও হত, তবু শিক্ষামন্ত্রীর চেয়ারে বসে এমন তালিকা ঘোষণা করা যায়?‌ এমন যাঁর বোধবুদ্ধি, তিনি কিনা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী!‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

কলেজে ওয়াই ফাই?‌ লাভ বেশি না ক্ষতি?‌

কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রি ওয়াইফাইয়ের কথা খুব শোনা যাচ্ছে। এর ফল কী মারাত্মক হতে পারে, ভেবে দেখেছেন?‌ শিক্ষাবিদদের মতামত নেওয়া হচ্ছে?‌ নাকি কলেজ ক্যাম্পাসকেও ভোট টানার মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে?‌ শি৭ক সমাজই বা নীরব কেন?‌ লিখলেন প্রভাত দাশগুপ্ত।।

গাছের কোটরে ১৬ বছর !‌

একটি প্রকাণ্ড গাছ। তার ওপরেই বাসা বেঁধে আছেন একজন মানুষ। একদিন–‌দুদিন নয়, টানা ১৬ বছর। ভিনদেশ বা ভিনরাজ্যের ঘটনা নয়। ডুয়ার্সের রায়মাটাংয়ে গেলেই পেয়ে যাবেন এই ‘‌গাছবাবা’‌কে। তাঁকে নিয়ে দুরন্ত প্রতিবেদন।

পাহাড় মানেই সেই মানুষটা

দার্জিলিং মানেই এক মুগ্ধতা। কিন্তু দার্জিলিং মানে এক অপরাধবোধ, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে অকপটে সেকথাই জানালেন রাজেন মল্লিক। পড়ুন। আপনার জীবনে এমন কিছু ঘটে থাকলে, লিখে জানান।