দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা জানে না, আলিপুরে বসে বাতেলা দিচ্ছে

রোজ নাকি শীতলতম দিন। আরে বাবা, একটা বছরে কটা শীতলতম দিন হয়?‌ অথচ, দার্জিলিংয়ের তাপমাত্রা কত, জিজ্ঞেস করুন। আবহাওয়া দপ্তরই জানে না। এই নিয়ে আবহাওয়া অফিসকে একহাত নিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।

বিতর্ক সভা থেকে কেন পালিয়ে গেলেন গৌতম?‌

মুখোমুখি বিতর্কে মন্ত্রী–‌মেয়র। শিলিগুড়িতে এমন একটি বিতর্ক ভেস্তে গেল। কার্যত রণে ভঙ্গ দিলেন মন্ত্রী গৌতম দেব। এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।

উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় দুই নতুন সম্পাদক

আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার। উত্তরবঙ্গের দুই জেলায় সিপিএমের সম্মেলন। দুই নতুন জেলা সম্পাদক মৃণালকান্তি রায়, অনন্ত রায়।

সান্দাকফুর রাস্তা থেকে বিদায় নিচ্ছে ল্যান্ডরোভার

মাত্র ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা। কিন্তু যেতে সময় লাগত চাড়ে চার ঘণ্টা। যেমন তেমন গাড়ি সেখানে চলবে না। ভরসা ছিল ব্রিটিশ আমলের সেই ল্যান্ডরোভার। খাড়া পাহাড়ি পথ বেয়ে চলত সেই ল্যান্ডরোভার। এবার তা চলে যাচ্ছে স্মৃতির পাতায়।

ন্যাওড়ার জঙ্গলে আবার বাঘ

আবার সেই ন্যাওড়াভ্যালির জঙ্গল। আবার ক্যামেরায় ধরা পড়ল বাঘ। শীতের সময় দেখা মিলছে, বাকি সময় কোথায় থাকে?‌ একই বাঘ নাকি অন্য বাঘ?‌ এমন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

হাতিকে হাতির মতো থাকতে দাও

হাতির সঙ্গে মোটেও পাঙ্গা নেবেন না। হাতিকে হাতির মতো থাকতে দিন। সে ক্ষেপে গেলে আর রক্ষে নেই। সে উসান বোল্টের থেকেও জোরে দৌড়তে পারে। চিতাবাঘ পালাতে পারল না, আর আপনি–‌আমি তো কোন ছার!‌ লিখেছেন রজত বসু।।

দার্জিলিং ম্যানিয়াক (প্রথমপর্ব)

একটু একটু করে ছন্দে ফিরছে পাহাড়। শীতের আমেজে বাঙালি আবার পাহাড়মুখী। কত টুকরো টুকরো স্মৃতি সেই দার্জিলিংকে ঘিরে। তাই নিয়েই সন্দীপ লায়েকের লেখা দার্জিলিং ম্যানিয়াক। আজ প্রথম কিস্তি। দ্বিতীয় কিস্তি রবিবার।

‌সমতলের সেই ‘‌অনুপ্রেরণা’ পাহাড়েও!‌

নির্মল ছেত্রি‌ সমতলের সেই ‘‌অনুপ্রেরণা’‌ তাহলে পাহাড়েও চলে এল!‌ কয়েক মাস আগেই পাহাড়ে পুর নির্বাচন হয়ে গেল। মিরিকে তৃণমূল জয় পেয়েছিল। কিন্তু বাকি তিনটি পুরসভাতেই শোচনীয় পরাজয়। দার্জিলিংয়ে ৩২ টির...

সাতদিন পরেই খুলে যাবে জঙ্গল

পাহাড় বন্ধ। জঙ্গলও বন্ধ। তবে দিন সাতেক পরেই খুলে যাবে ডুয়ার্স। ট্রেন চলাচলও মহালয়া থেকে স্বাভাবিক হয়ে আসবে। তাই যাঁরা জঙ্গলে যাওয়ার কথা ভাবছেন, তৈরি থাকুন। লিখেছেন কুমার লামা।

বিমল গুরুং বলছি

‌পাহাড়ের গোপন ডেরা থেকে হুঙ্কার ছেড়েই চলেছেন বিমল গুরুং। ধরা যাক, তিনি বিনয় তামাংকে বার্তা দিতে চান। চিঠি লিখতে চান। কী লিখতেন সেই চিঠিতে। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে। বিমলের বয়ানে সেই চিঠিই লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।