সাতদিন পরেই খুলে যাবে জঙ্গল

কুমার লামা

একদিকে পাহাড় অশান্ত। পর্যটকদের ভাবনা থেকে দার্জিলিং আপাতত ছুটি নিয়েছে। পুজোয় কে কোথায় বেড়াতে যাবেন, জুলাই মাস থেকেই অনেকে ঠিক করে ফেলেন। জুলাই–‌আগস্টের মধ্যেই ট্রেনের টিকিট থেকে হোটেল বুকিং সেরে ফেলেন। অনেকে নিশ্চয় বেড়ানোর ঠিকানায় দার্জিলিংকে রেখেছিলেন। পুজোর পর কি সত্যিই শান্তি ফিরবে?‌ সত্যিই কি সেখানে নিরাপদে, নির্ভয়ে যেতে পারবেন পর্যটকরা?‌ একটা আশঙ্কা তো থাকছেই।

dooars10
তাহলে বিকল্প ঠিকানা কী হতে পারে?‌ অবশ্যই ডুয়ার্স। আপাতত সব জঙ্গল বন্ধ। ১৫ জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সব ন্যাশনাল ফরেস্টই বন্ধ থাকে। এই সময় পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। তাই, পাহাড় অশান্ত থাকার সময় অনেকেই এসেছিলেন ডুয়ার্সে। মূলরাস্তার ওপর টুকটাক ঘুরেছেন ঠিকই, কিন্তু সেই সময় জঙ্গল সাফারি বন্ধ ছিল। তাই অনেককেই হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। আর মাত্র সাতদিন। তারপরই ডুয়ার্স খুলে যাচ্ছে।
ইচ্ছে হলেই ঢুকে পড়তে পারেন জলদাপাড়ায়। জয়ন্তী, গরুমারা, চিলাপাতায় অনায়াসেই সাফারি করতে পারেন। বাংলো বুকিংয়েও সমস্যা নেই। অনেকে অবশ্য আগাম বুকিং করেই রেখেছেন। এবার নতুন সমস্যা ট্রেন। বন্যার জন্য উত্তরবঙ্গ–‌দক্ষিণবঙ্গ বিচ্ছিন্ন। মহালয়ার পর সেটাও আস্তে আস্তে স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তখন অনায়াসেই কাঞ্চনকন্যায় চেপে পড়তে পারেন। জঙ্গলের বুক চিরে এগিয়ে চলবে ট্রেন। ট্রেনে চড়েই আপনার জঙ্গল সাফারি হয়ে যাবে।

Previous post পুজো সংখ্যায় ফিরে আসুক কাকাবাবু, নীললোহিত
Next post যোগ্য শিক্ষামন্ত্রী হতে পারতেন আশিস ব্যানার্জি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *