বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:
সান্দাকফু আর ল্যান্ডরোভার যেন সমার্থক হয়ে উঠেছিল। হেঁটে উঠতে পারলে ভাল, নইলে এতদিন পর্যটকদের ভরসা ছিল এই ল্যান্ডরোভার।
বাংলার সর্বোচ্চ ভূখণ্ড এই সান্দাকফু। দার্জিলিংয়ের উচ্চতা যেখানে সাত হাজার ফুট, সেখানে প্রায় বারো হাজার ফুট উঁচুতে সান্দাকফু। মাঝে মাঝেই সেখানে বরফ দেখা যায়। পাশেই নেপাল। তেমন পরিকাঠামো গড়ে ওঠেনি ঠিকই, তবে অনেক পর্যটক আরও ঠান্ডায়, বরফের আরও কাছাকাছি যেতে চান। তাঁবুতে রাত কাটানোর ব্যবস্থাও আছে। তাছাড়া, অনেকে ট্রেকিং করেও চলে যান সান্দাকফুতে।

মাত্র ৩৫ কিলোমিটার রাস্তা। কিন্তু যেতে সময় লাগত চাড়ে চার ঘণ্টা। যেমন তেমন গাড়ি সেখানে চলবে না। ভরসা ছিল ব্রিটিশ আমলের সেই ল্যান্ডরোভার। খাড়া পাহাড়ি পথ বেয়ে চলত সেই ল্যান্ডরোভার।
কিন্তু জেলা পর্যটন দপ্তর ঠিক করেছে এবার সেই ল্যান্ডরোভার সরিয়ে নেওয়ার। তার বদলে আধুনিক এসইউভি গাড়ি দেওয়া হবে চালকদের। দেওয়া হবে আকর্ষণীয় ছাড়। এই ল্যান্ডরোভারগুলি তুলনামূলক নিরাপদ জায়গায় চালানো যেতে পারে। মিরিক, সুখিয়াপোখরি— এসব রুটে কিছু কিছু ল্যান্ডরোভার চলবে। প্রশাসনের দাবি, ল্যান্ডরোভারগুলি অনেক পুরনো হয়ে গেছে। মাঝে মাঝেই খারাপ হয়ে যায়। দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই এবার তার বদল দরকার। কিন্তু গাড়ি চালকদের পক্ষে এখনই দামী গাড়ি কেনা সম্ভব নয়। তাই সরকারের উদ্যোগে আকর্ষণীয় ছাড় দেওয়া হচ্ছে। চালকরা ল্যান্ডরোভারের বদলে সেই গাড়ি ব্যবহার করতে পারেন। আরও বেশি পর্যটক সান্দাকফু যেতে পারবেন।

