পাগলি তোমার সঙ্গে
একদিকে পাইন বন, ভেসে আসছে মেঘের ভেলা। ওদিকে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেও ডাকছে হাতছানি দিয়ে। এমনই এক জায়গা থেকে মুগ্ধতামাখানো চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
একদিকে পাইন বন, ভেসে আসছে মেঘের ভেলা। ওদিকে শ্বেতশুভ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা। সেও ডাকছে হাতছানি দিয়ে। এমনই এক জায়গা থেকে মুগ্ধতামাখানো চিঠি। লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বক্সাদুয়ার। যেন মেঘের গায়ে জেলখানা। পাহাড়, জঙ্গলঘেরা জনপদ। দুর্গের আনাচে কানাচে অজানা ইতিহাসের হাতছানি। তুলে ধরলেন মলয় সিংহ।।
আপনি বসে আছেন কাচের কামরায়। চারপাশে গভীর জঙ্গল। মাথার ওপর খোলা আকাশও দেখতে পারেন অনায়াসেই। শিলিগুড়ি থেকে আলিপুরদুয়ারে এমনই পরিষেবা চালু করতে পারে রেল। পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে চলেছে ডুয়ার্স। বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ প্রতিবেদন।
সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম অতীত। জমির লড়াইয়ের ব্যাটনটা এখন ইসলামপুরের হাতে। সব প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে কার্যত একাই লড়ে যাচ্ছেন এক তরুণ বিধায়ক। ঠাণ্ডা ঘরের হিসেবি বিবৃতি নয়, সোশাল মিডিয়ার বিপ্লবও নয়। আসল লড়াইটা বোধ হয় অন্য ময়দানেই হয়। সেই ময়দানটাই চিনিয়ে দিচ্ছেন ভিক্টর। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।
বিস্ময়ের আরও বাকি ছিল। দুর্গম পথে যে জ্যোতিদার কণ্ঠে বাক্যালঙ্কারের লাইভ কমেন্ট্রি শুনছিলাম, সেই জ্যোতিদার কণ্ঠে মুগ্ধতার কবিতা! লেপচা খা, সত্যিই তোমাকে সেলাম। মাত্র কয়েক ঘণ্টায় একজন মানুষের এমন রূপান্তর ঘটে যায় ! লেপচা খা নিয়ে দুরন্ত লেখা সৌম্যদীপ সরকারের।
আগামী তিন মাস বেঙ্গল টাইমসে ভ্রমণ একটু বাড়তি গুরুত্ব পাবে। প্রতিদিন একটি বা দুটি করে ভ্রমণ সংক্রান্ত লেখা। নানা আঙ্গিকে সেই লেখা হতে পারে। পূর্ণাঙ্গ বিবরণ হতে হবে, এমন কোনও শর্ত নেই। চিঠির মোড়কে হতে পারে, ডায়েরির মোড়কে হতে পারে, গল্পের মোড়কেও হতে পারে।
কোথাও উত্তাল নদী। কোথাও মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে পাহাড়ের বুকে। কোথাও গা ছমছম করা জঙ্গল। প্রকৃতি দু’হাত ভরে সাজিয়ে দিয়েছে উত্তরবঙ্গকে। আমাদের কি কোনও দায়িত্ব নেই? আমরা কি আরও উত্তরবঙ্গকে আরও ভালভাবে তুলে ধরতে পারি না? লিখেছেন তিস্তা ঘোষাল।
তিনি কোনও ফরেস্ট রেঞ্জার বা বন দপ্তরের কোনও কর্মী নন। গাছের উপরেই তাঁর সংসার। কারও কাছে তিনি গাছবাবা। কারও কাছে বেতাল বাবা। এইসব নামগুলো এতটাই জনপ্রিয়, তার আড়ালে আসল নামটাই হারিয়ে গেছে। এমনই একজনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন আরণ্যক ঘোষ।।
একটা দার্জিলিংকে ভাঙিয়ে আমরা আর কতদিন খাব? আরও ছোট ছোট গ্রামকে পর্যটন কেন্দ্রের চেহারা দিতে হবে। এই বছরের মধ্যে এমন দশটি জায়গা খুঁজে বের করা হোক। তারপর শুরু হোক জোরদার প্রচার। পুজোর আগেই বাঙালি যেন সেইসব নতুন ঠিকানায় যেতে পারে। লিখেছেন শুভজিৎ বোস।।