হিটলারকে ‘না’ বলতে হিম্মৎ লাগে
আন্তর্জাতিক আসরে ভারতের সবথেকে বেশি সাফল্য কোন খেলায়? মানে, অলিম্পিকে সবথেকে বেশি সফল কোন খেলায়? অবশ্যই হকি। আর সেই হকির কিংবদন্তি ধ্যানচাঁদের জন্মদিনকেই বেছে নেওয়া হয়েছে ক্রীড়া দিবস হিসেবে। এর চেয়ে ভাল দিন আর কীইই বা হতে পারত!
আরেকটা পুজারা চাইলেই পাওয়া যাবে!
সবাইকে ইনস্টাগ্রামে অবসর নিতে হচ্ছে কেন?
অবোধের গোবধেই আনন্দ, তেমনই অরূপের ক্রীড়ামন্ত্রী পরিচয়েই আনন্দ
তাহলেই ভেবে দেখুন, একজন পূর্তমন্ত্রী বা বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে লোকে চিনছে ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে। এমন নয় যে তিনি দারুণ ক্রীড়াপ্রেমী। আসলে, ওই দপ্তরগুলোয় তাঁর কার্যত কোনও ভূমিকাই নেই। তাঁর যেটুকু ভেসে থাকা, এই ক্রীড়া দপ্তরের সুবাদেই।
আর কতদিন অপেক্ষা করতে হবে অভিমন্যুকে!
সাই সুদর্শনও বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরেও পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছেন। অভিমন্যুকে কি সত্যিই একটা টেস্টেও খেলানো যেত না? তিনি যদি এতই অযোগ্য, তাহলে পনেরো বা ষোল জনের দলে তাঁকে রাখা হয় কেন?
২৯ জুলাই, শিবদাস ভাদুড়ির চোখে
(শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
২৯ জুলাই, লর্ড কার্জনের চোখে
বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা জেনে নিলেন মযূখ নস্কর।
