স্মৃতির সরণি:‌ আমাদের সেই সরস্বতী পুজো

নিছক একটি পুজো নয়। বাঙালির আবেগের সঙ্গে, তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে আছে সরস্বতী। স্মৃতির সরণি বেয়ে তেমনই দুষ্টুমিমাখানো কোলাজ। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

সেই ধড়িবাজ, যে আমার প্রাণের ভেতর বাস করে

জগাই আমাকে আর সাইকেল টানতে টানতে পানের দোকানে গিয়ে বলল, ‘‌ওই পুলিশ কাকু বলল পাঁচটা টাকা দিতে। দোকানির তাকানো, পুলিশ কাকুর হাতের ইশারায় পাঁচ দেখানো এবং খানিক বাদেই আমরা ঝুড়িভাজা, হাতলাট্টু আর পাঁচটা বলের মালিক।

সুখস্মৃতি উঠে আসুক

ফেলে আসা দিন মানেই একটা নস্টালজিয়া। টুকরো টুকরো কত স্মৃতির ভিড়। জীবনে যত ব্যস্ততাই আসুক, সেই স্মৃতিগুলো হারিয়ে যাওয়ার নয়। ফিরে ফিরে ঠিক এসে যায়। আর একটু অবসর পেলে তো...

হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি মোর

স্মৃতিটুকু থাক উত্তুরে হাওয়া দিলেই তার মন কেমন করে ওঠে। উত্তুরে হাওয়া বড় খারাপ। এ হাওয়া বয়ে আনে শুধু একরাশ প্রশ্ন। উত্তর দেয় না মোটে। উত্তুরে হাওয়া দিলেই তার বুকের...

মারাদোনার সঙ্গে আমরাও যে কেঁদেছিলাম!‌

ফাইনালের সেই রাতটার কথা কখনই ভুলব না। একেবারে শেষপর্বে এসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হল। এডগার্ডো কোদেসাল লোকটাকে পেলে কী করতাম, কে জানে!‌ সেনসিনি, ভয়লার, ব্রেহমে নামগুলো এখনও ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না মারাদোনার সেই কান্না। সুদূর এই বাংলায় বসে আমরাও যে সেদিন কেঁদেছিলাম!‌

শিমুলতলা একবারই আসে জীবনে

প্রতিবার শীত এলেই শিমুলতলার সেই প্রান্তর, সেই অন্ধকার দেখতে পাই। ভাবি, যাব। একদিন নিশ্চয়ই যাব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুতেই যেন যাওয়া হয় না। বছরের পর বছর গড়িয়ে যায়!এখন বুঝি, শিমুলতলায় কখনও যাওয়া যায় না। শিমুলতলা একবারই আসে জীবনে। সেই স্মৃতি এবং ফেরার স্বপ্ন নিয়েই জীবন কেটে যায়।’‌

স্মৃতিটুকু থাক

নিজের মধ্যে পুষে রাখা জড়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলুন। আপনার সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্মৃতি ভাগ করে নিন অন্যদের সঙ্গেও।

হারিয়ে যাওয়া কোন্নগর, হারানো সেই ছেলেবেলা

বুদ্ধদেব হালদার ছেলেবেলার সেইসব দিনগুলো অন্যরকম ছিল। সেদিনকার সেই মফসসলের সঙ্গে আজকের এই মফস্‌সলের আকাশ-পাতাল তফাৎ। বাবা আমাদেরকে প্রত্যেক শনিবার গঙ্গাস্নানে নিয়ে যেতেন। আমার বরাবরই জলে ভয়। বাবার হাত ধরে...

হারিয়ে যাওয়া দস্যি–‌দামাল স্কুলবেলা

কে জানে সেই হাজিরা খাতাটা এখন আছে কিনা। খুব কেঁদেছিলাম প্রাইমারি স্কুল ছাড়ার সময়। ফোর থেকে যে ফাইভে উঠতে হবে। শৈশবের সোনামাখানো দিন যা আজও অমলিন। এ স্মৃতি আমার একার নয়, এ স্মৃতি তোমার–‌আমার সবার। যা গেছে চলে তা কি সত‍্যিই গেছে চলে?‌ নাকি হাতছানি দিয়ে ডাকে?‌

‘সু’‌ ….. আমার অনেকটা জুড়ে থাকা ছোটবেলা

মালগুডি ডেজ নামে হিন্দি সিরিয়াল হত রাতে, তার একটা গল্প ছিল ‘‌স্বামী’‌। তাতে মাঝে মাঝে ‘‌স্বামী——’‌ বলে একটা ডাক ছিল, রেশ টেনে। সিরিয়াল শেষ হলেই ‘‌সু’‌ এভাবে আমার নাম ধরে পাড়া কাঁপিয়ে ডাকত, এটাই ছিল ওর ভালোবাসা।