‌স্বপ্নে জড়ানো ছেলেবেলার চড়ুইভাতি

এখনকার পিকনিকে মজা কোথায়! এগুলো তো কর্পোরেট পিকনিক। নিজের হাতে রান্না না করলে কি আর পিকনিক জমে! বাঁধাকপিতে যদি একটু পোড়া গন্ধ না ছাড়ে, মাংসে যদি একটু বেশি নুন না হয় তাহলে আর পিকনিক হল কই! আমাদের ছোটবেলায় ছিল বনভোজন বা চড়ুইভাতি। আমরা যারা আশি নব্বইয়ের দশকে বেড়ে উঠেছি তারা ব্যাপারটা ভাল বুঝতে পারবেন।

হারিয়ে যাওয়া দিনগুলি মোর

স্মৃতিটুকু থাক উত্তুরে হাওয়া দিলেই তার মন কেমন করে ওঠে। উত্তুরে হাওয়া বড় খারাপ। এ হাওয়া বয়ে আনে শুধু একরাশ প্রশ্ন। উত্তর দেয় না মোটে। উত্তুরে হাওয়া দিলেই তার বুকের...

নয়ের দশকের চুমকিযেন বাংলার আশা পারেখ

মনে মনে চুমকিকে আয়েষার রোল দিয়ে দিই। বঙ্কিমী প্যাশনের এমন নায়িকা, আর কেউ ছিলেন না। এখনও নেই। নয়ের দশকের সেই আটপৌরে নায়িকার উপাখ্যান। লিখলেন প্রাজ্ঞদীপা হালদার।

‌ডিম নিয়ে ভাবুন, ভাবা প্র্যাকটিস করুন

অন্তরা চৌধুরি আচ্ছা ডিম খেতে কে না ভালবাসে বলুন তো? এককথায় উত্তরটা হল সাত থেকে সাতানব্বই সকলেই ভালবাসে। কিন্তু বাঙালি সেকথা কিছুতেই স্বীকার করবে না। কারণ, ডিমের মধ্যে নাকি কোনও...

ফিরে আসা দক্ষিণ আফ্রিকা আর ভয়ঙ্কর সেই ডোনাল্ড

দেখতে দেখতে তিরিশ বছর হয়ে গেল। ইডেনে নির্বাসন ভেঙে ফিরে এসেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। রাইস, কুকরা তখন ক্রিকেট জীবনের শেষ প্রান্তে। তারই মাঝে ঝলক দিয়ে গেলেন একজন, অ্যালান ডোনাল্ড। সেই ম্যাচের স্মৃতি ফিরে এল অনির্বাণ বিশ্বাসের লেখায়।

শিমুলতলা একবারই আসে জীবনে

প্রতিবার শীত এলেই শিমুলতলার সেই প্রান্তর, সেই অন্ধকার দেখতে পাই। ভাবি, যাব। একদিন নিশ্চয়ই যাব। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কিছুতেই যেন যাওয়া হয় না। বছরের পর বছর গড়িয়ে যায়!এখন বুঝি, শিমুলতলায় কখনও যাওয়া যায় না। শিমুলতলা একবারই আসে জীবনে। সেই স্মৃতি এবং ফেরার স্বপ্ন নিয়েই জীবন কেটে যায়।’‌

স্মৃতিটুকু থাক

নিজের মধ্যে পুষে রাখা জড়তার প্রাচীর ভেঙে ফেলুন। আপনার সযত্নে লুকিয়ে রাখা স্মৃতি ভাগ করে নিন অন্যদের সঙ্গেও।

হৃদয় মুচড়ে দেওয়া সেই ভাইফোঁটা

প্রাথমিক ধাক্কাটা সামলে গুটি গুটি পায়ে ফাঁসিরমঞ্চে উঠলাম.. থুড়ি বসলাম। অনু কপালে ফোঁটা দিয়ে মুখে পেল্লাই সাইজের একটা সন্দেশ গুঁজে দিল। মুখে জোর করে একটু হাসি এনে দাঁত ক্যালানে বাঞ্ছারামের মতো মিন মিন করে বললাম… কিন্তু ভাইফোঁটা কাল না? অনু একগাল হেসে বলল … না গো পল্টুদা … আমাদের তো প্রতিপদে ভাইফোঁটা।

‌ভাগ্যিস তখন এত বুদ্ধিজীবী খাবার ছিল না

মাত্র কয়েক বছরেই ছবিটা এতটা বদলে গেছে যে আমরা মাঝ বয়সে এসেই নস্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ছি। মাঝে মাঝেই বলতে ইচ্ছে করে, দাও ফিরে সেই ছেলেবেলা। বলতেই পারতাম, দাও ফিরে সে কুলগুঁড়ো, লহ এ বার্গার। আমাদের শৈশবের সেই নানা রংয়ের দিনগুলি থাক আমাদেরই স্মৃতিযাপনে।

‌সখী ‘আমানি’ কারে কয়!

অন্তরা চৌধুরি আমানি…। কাব্যে এক উপেক্ষিত পানীয়। আগের পোস্টে তেলপোড়া নিয়ে লেখাটা আপনাদের খুব ভালো লেগেছিল। সেইজন্য সকলকে ধন্যবাদ। কিন্তু এই তেলপোড়ার প্রসঙ্গেই অনেকে জানতে চেয়েছেন আমানি কী জিনিস? অধিকাংশ...