একদিন ক্লাস নাইনের এই ছেলেটিই বলেছিল, ‘স্যার, এই অঙ্কের উত্তর আগেও মেলে নাই।’ বিদায়বেলায় সেই ছেলেটির হাতেই কঠিন অঙ্কের উত্তর মেলানোর দায়িত্ব সঁপে দিয়েছিলাম। ইংরাজির শিক্ষক হয়েও সব অঙ্কের উত্তর ঠিকঠাক মিলিয়ে দিয়েছিল। একটা বৃত্ত যেন সম্পূর্ণ হয়েছিল।
তখন এসডিও সাহেব স্যারকে প্রণাম করে বললেন, ‘আমাদের অনেক জায়গায় যেতে হয়। অনেক স্কুলেই স্ট্রং রুম নিতে হয়। আজ আপনি আমার চোখ খুলে দিলেন। আমরা এতদিন স্কুলকে স্ট্রং রুম হিসেবেই দেখে এসেছি। এটা যে স্কুল, এই জিনিসটা মাথাতেও আনি না। আজ আপনি আমাকে একটা শিক্ষা দিলেন। নিজের স্কুলকে কীভাবে ভালবাসতে হয়, আপনার কাছ থেকে শিখলাম। সব স্কুলে যদি আপনার মতো একজন শিক্ষক থাকেন, শিক্ষার চেহারা বদলে যাবে। আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, আপনার স্কুলের কোনও ক্ষতি আমি হতে দেব না। গণনার পর আমি নিজে আবার আসব। দেখে যাব। যদি কোথাও কোনও ক্ষতি হয়, সব দায়িত্ব আমি নিলাম।’
অনেক স্মৃতি জমে থাকে। না বলা কথা হয়েই থেকে যায়। ছেলেবেলার কোনও বন্ধুর কথা মনে পড়ছে ? কোনও মাস্টারমশাই বা আত্মীয়দের কথা মনে পড়ছে ? কোনও সুখস্মৃতি ভাগ করে নিতে চান ? অতীতের কোনও ঘটনার জন্য কারও কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চান ? কোনও যন্ত্রণার কথা বলে একটু হালকা হতে চান ?
একদিকে ডায়মন্ডের হুঙ্কার। অন্যদিকে, বাইচুংয়ের হ্যাটট্রিক। অমল দত্ত আর পিকে ব্যানার্জির সেই বাগযুদ্ধ। সেদিন যুবভারতীর গ্যালারিতে ১ লাখ ৩১ হাজার দর্শক। যা ভারতীয় ফুটবলে নজির হয়েই থেকে গেছে। সেই ডার্বির ২৫ বছর। আলো ফেললেন রজত সেনগুপ্ত।
এরই মাঝে কত রাজনৈতিক জল্পনা। অনেকে বলেন, পা বাড়িয়ে অফস্টাম্পের বাইরের বলটাকে ছেড়ে দিলেন। আসলে, স্টেপ আউট করে জল্পনাটাকে গ্যালারিতেই পাঠিয়ে দিলেন। একই অঙ্গে কত ভিন্ন সত্ত্বার স্রোত। সব সত্ত্বাকে ছাপিয়ে আসলে তিনি এক মহাজীবনের শিক্ষক।
কৌশিক কর্মকার বছরের পর বছর। কত মানুষ অপেক্ষা করেছেন হাওড়া স্টেশনের বড় ঘড়ির তলায়। এই বিষয়ে আমার একটা খুব মজার অভিজ্ঞতা আছে। তখন সদ্য গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। মোবাইল ফোন সবেমাত্র...
কীভাবে কেটেছিল মাধ্যমিকের পরের তিন মাস? এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— মাধ্যমিকের পরে। পুরো মার্চ ও এপ্রিল মাস জুড়েই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পরের দিনগুলো নিয়ে আলোচনা চলবে। ফেলে আসা দিনগুলোতে একটু উকি দেওয়া।
সমীরবাবু না হয় নেই। আর কেউ কি কবিতায় সুর দিতে পারবেন না? ঘরেই তো আছেন এক কৃতী সুরকার। একটু না হয় তাঁকেই ধমকে চমকে সুর করান। মন থেকে বিশ্বাস করি, জয় সরকার চেষ্টা করলে পারেন। সেই গান যদি তিনি অন্য কাউকে দিয়ে গাওয়ানোর চেষ্টা করেন! কোমর বেঁধে ঝগড়া করুন। ওই গান আপনার, শুধু আপনার।
আমি কিছুক্ষণ পিছু নিলাম। কিন্তু ডাকার সাহস পেলাম না। কী জানি, কী মনে করবে! যদি অস্বস্তিতে পড়ে যায়! মাঝে প্রায় চোদ্দ–পনেরো বছর পেরিয়ে গেছে। সময়ের আয়নায় ধুলো জমে গেছে। তবু পাঁচবছর আগের সেই বইমেলার দুপুরটা বড় বেশি করে মনে পড়ে। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে বইমেলার কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি।
১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব বেতার দিবস। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী? নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।