বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ১৬ মার্চ সংখ্যা।

সেই শৈশব, সেই কৈশোর যেন হারিয়ে গেছে। পরীক্ষা শেষ হতে না হতেই ইলেভেনের টিউশনি শুরু হয়ে যাচ্ছে। জয়েন্টের কোচিং সেন্টার গুলো তো মাধ্যমিক শুরুর এক বছর আগে থেকেই ভয় দেখাতে শুরু করে, এখনই ভর্তি হয়ে যান, পরে কিন্তু সিট খালি থাকবে না। অভিভাবকরাও সেই ফাঁদে পা দেন। ছেলে টেনে উঠতে না উঠতেই আগাম জয়েন্টের কোচিংয়ে নাম লিখিয়ে দিলেন। ফলে, ওরা ছুটির আনন্দটুকুই পায় না। এবারের সংখ্যার প্রচ্ছদ কাহিনিতে সেইসব দিনকে একটু ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। সেইসব দস্যি দামাল দিনগুলোয় একটু উঁকি দেওয়ার চেষ্টা।

সরস্বতী পুজোয় কিন্তু ‌সিগারেটেরও হাতেখড়ি

ছোটবেলার পুজো বলতে বারবার মনে পড়ে সরস্বতী পুজোর কথা। দুর্গাপুজো নিয়ে বাঙালির আবেগের শেষ নেই। কিন্তু কেন জানি না, সেই আবেগ ছোটবেলায় সেভাবে স্পর্শ করেনি। তার থেকে অনেক বেশি আপন...

শুরুর সেই উষ্ণতা কোথায় যে হারিয়ে গেল!‌

কে বড় ফুটবলার, পেলে নাকি মারাদোনা?‌ তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই তর্ক চলছে। পেলের জন্ম ১৯৪০ এ, মারাদোনার ১৯৬০ এ। বয়সের ব্যবধান কুড়ি বছরের। দু’‌জন দুটো ভিন্ন সময়ের প্রতিনিধি।...

পরমাঃ সময়ের থেকে এগিয়ে থাকা ছবি

অপর্ণা সেন বললেই মনে হয় সুন্দরী এক নায়িকা। কিন্তু পরিচালক অপর্ণা ? সেইদিকেই আলো ফেলা হল এই প্রতিবেদনে। বিশেষভাবে উঠে এল পরমা-র কথা। যা সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে থাকা ছবি। এই সুরই উঠে এল স্নেহা বিশ্বাসের লেখায়।

সংসারে সন্ন্যাসী লোকটা

আপনভোলা এক কবি। সংসারে থেকেও যিনি সন্ন্যাসী। ‘অবনী বাড়ি আছো’, বা ‘যেতে পারি কিন্তু কেন যাব’ আজ যেন প্রবাদের চেহারায়। মুখে মুখে ফেরে, মনে মনেও ফেরে। কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য। তাঁর জন্মদিনে, তাঁকে নিয়ে বিশেষ লেখা। লিখলেন শোভন চন্দ।।

‌‘‌প্রচলিত’‌ গানের আড়ালে

আচ্ছা, একজন শিল্পী একটা গান কেন রিমেক করেন? ধরে নেওয়াই যায়, সেই গানটা তিনি ছোট থেকে শুনে আসছেন। তাঁর মনের মধ্যে সেই গান স্থায়ী ছাপ ফেলেছে। সেই কারণেই এত গান থাকতে সেই গানকে বেছে নিয়েছেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সেই গান রেকর্ডের সময় তার কথা ও সুর কার, সেই ব্যাপারটি গায়ক জানেন না। এটা কতটা বিশ্বাসযোগ্য?

‌এই অঙ্কের উত্তর আগেও মেলে নাই

একদিন ক্লাস নাইনের এই ছেলেটিই বলেছিল, ‘‌স্যার, এই অঙ্কের উত্তর আগেও মেলে নাই।’ বিদায়বেলায়‌ সেই ছেলেটির হাতেই কঠিন অঙ্কের উত্তর মেলানোর দায়িত্ব সঁপে দিয়েছিলাম। ইংরাজির শিক্ষক হয়েও সব অঙ্কের উত্তর ঠিকঠাক মিলিয়ে দিয়েছিল। একটা বৃত্ত যেন সম্পূর্ণ হয়েছিল।

‌‌‌

‌তাঁর প্রশ্রয় না পেলে আমি হয়ত শিল্পী হতাম না

প্রদীপ সিংহবাবু মানুষের বেড়ে ওঠার পেছনে তার পরিবারের বড় একটা অবদান থাকে। ছোট থেকে যে পরিবেশে সে বড় হয়, সেই পরিবেশের একটা স্থায়ী ছাপ থেকেই যায়। ডাক্তারের ছেলে হয়ত সবসময়...

‌আমার আকাশের ধ্রুবতারা

তোমার জীবনের লক্ষ্য কী?‌ মামা অনেকের কাছেই জানতে চাইতেন। অনেক সময় ক্লাসেও জানতে চাইতেন। কখনও আবার একান্তেও জানতে চাইতেন। অর্থাৎ, সেই ছাত্রর কোন বিষয়ে আগ্রহ, সেটা বুঝতে চাইতেন। ছাত্রের সেই ইচ্ছেকে সম্মান জানাতেন। উৎসাহিত করতেন।

চলে গিয়েও থেকে গেছেন মহুয়া

২২ জুলাই। মহুয়া রায়চৌধুরির মৃত্যুদিন। দেখতে দেখতে ৩৬ বছর হয়ে গেল। এমনই একটি দিনে হারিয়ে গিয়েছিলেন টলিউডের এই অভিনেত্রী। তাঁর স্মৃতিতে বিশেষ এই লেখা। লিখেছেন শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।