হঠাৎ এসে পড়া সেই অতিথিরা

আচ্ছা, আজকাল আর কেউ হঠাৎ বেড়াতে আসে? সেই মুখে সলাজ হাসি, যেন ‘‌এই আবার এসে পড়ে অসুবিধে করে ফেললাম।’‌ ততক্ষণে কেউ এগিয়ে এসে প্রণাম করতে করতে বলবে, ‘‌বাব্বা, এতদিনে মনে...

কপিলের ১৭৫ ও একটি নিষ্পাপ মিথ্যাচার

আচ্ছা, কপিলদেবের সেই ১৭৫ রানের ইনিংসটা দেখেছেন?‌ প্রশ্নটি একবার হাওয়ায় ভাসিয়ে দিন। তারপর দেখুন কীসব উত্তর আসে। কেউ বলবেন, ‘‌উফ, কী ব্যাটিংটাই না করেছিল। ওই ইনিংস কখনও ভোলা যায়!‌ ১৭ রানে পাঁচ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। আমরা তো আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে কপিলদেব কী ব্যাটিংটাই না করল।’‌ কেউ হয়ত বলবেন, ‘‌আমাদের বাড়িতে তখনও টিভি আসেনি। পাশের বাড়ির অমুক কাকুর বাড়িতে দেখেছিলাম। এখনও চোখের সামনে ভাসছে।’‌

গানের মতোই মানুষটাও ছিলেন সোজাসাপটা

দীর্ঘদিন বম্বেতে একসঙ্গে কাজ করেছেন। খুব কাছ থেকে দেখেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের মতো কিংবদন্তিকে। তাঁর সুরে বেশি কিছু গানও গেয়েছেন হেমন্ত। সুরকার অমিত দাশগুপ্তর স্মৃতিচারণে উঠে এল অনেক অজানা দিক। চিনতে পারবেন অন্য এক হেমন্তকে।

সত্যজিৎ রায়কে খোলা চিঠি

আগে দেখা। পরে পড়া। ফলে, পড়তে গিয়ে দেখা ছবিটাই ভিড় করে। যেমন জটায়ুর কথা পড়তে গিয়ে মনে পড়ে সন্তোষ দত্তর কথা, সমাপ্তি পড়তে গিয়ে ভেসে ওঠে অপর্ণা সেনের মুখ। অস্তিত্ব আর অভ্যাসের সঙ্গে এভাবেই জড়িয়ে আছেন সত্যজিৎ রায়। তাঁর জন্মদিনে তাঁকে মুগ্ধতা মাখানো খোলা চিঠি। লিখলেন অন্তরা চৌধুরি।

ছিয়াশি:‌ একটি মিথ ও একটি নিষ্পাপ মিথ্যে

বাঙালি দেখুক বা না দেখুক, ছিয়াশি সেই মিথ হয়েই আছে। অনেকেই প্রমাণ করতে চান, তখন থেকে তিনি আর্জেন্টিনা। অথচ, অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যাবে, তখন হয়ত আর্জেন্টিনার নামটাই শোনেননি। বা শুনলেও তাঁর মনে সেই আবেগটাই তৈরি হয়নি। এবারও যদি মেসিরা শুরুতেই বিদায় নিতেন, হয়ত এতখানি ছিয়াশির ঢেঁকুর উঠত না। যেই মেসিরা একের পর এক বাধা টপকে গেলেন, যেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে গেলেন, অমনি ছিয়াশির সঙ্গে তুলনা বাড়তে লাগল। শুধু মেসিতে মুগ্ধ হলে প্রেস্টিজ থাকে না। জনসমাজে কল্কে পাওয়া যাবে না। তাঁর সঙ্গে মারাদোনাকে জুড়তে হবে। তবে একটু জাতে ওঠা যাবে।

স্কুল ম্যাগাজিন ও না দেওয়া সেই লেখা

স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এখানে পাঠক নির্দ্বিধায় নিজের ফেলে আসা জীবনের টুকরো টুকরো ঘটনা তুলে ধরতে পারেন। স্কুল ম্যাগাজিনকে ঘিরে অনেকদিনের পুরনো একটি ঘটনা। তুলে ধরলেন সজল চক্রবর্তী।।

মুখোমুখি কিশোর-লতা!

মুখোমুখি দুই কিংবদন্তি। কিশোর কুমারের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন লতা মঙ্গেশকার! না, কাল্পনিক ঘটনা নয়। সত্যিই এমনটা হয়েছিল। লতা মঙ্গেকারের জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ পড়ুন বেঙ্গল টাইমসে ।।

স্মৃতির সরণি:‌ আমাদের সেই সরস্বতী পুজো

নিছক একটি পুজো নয়। বাঙালির আবেগের সঙ্গে, তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে আছে সরস্বতী। স্মৃতির সরণি বেয়ে তেমনই দুষ্টুমিমাখানো কোলাজ। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

সেই ধড়িবাজ, যে আমার প্রাণের ভেতর বাস করে

জগাই আমাকে আর সাইকেল টানতে টানতে পানের দোকানে গিয়ে বলল, ‘‌ওই পুলিশ কাকু বলল পাঁচটা টাকা দিতে। দোকানির তাকানো, পুলিশ কাকুর হাতের ইশারায় পাঁচ দেখানো এবং খানিক বাদেই আমরা ঝুড়িভাজা, হাতলাট্টু আর পাঁচটা বলের মালিক।

মারাদোনার সঙ্গে আমরাও যে কেঁদেছিলাম!‌

ফাইনালের সেই রাতটার কথা কখনই ভুলব না। একেবারে শেষপর্বে এসে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে পেনাল্টি দেওয়া হল। এডগার্ডো কোদেসাল লোকটাকে পেলে কী করতাম, কে জানে!‌ সেনসিনি, ভয়লার, ব্রেহমে নামগুলো এখনও ভুলতে পারি না। ভুলতে পারি না মারাদোনার সেই কান্না। সুদূর এই বাংলায় বসে আমরাও যে সেদিন কেঁদেছিলাম!‌