তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে!

বললাম, তোপসে কি বড় হবে না? ওকে একা ছেড়ে দিন না। সে–ও কিছু সমাধান করুক।
এতটুকুও বিরক্ত হলেন না। উনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘তাহলে যে ফেলু একা হয়ে যাবে। তোপসে ছাড়া সে–ও যে অসম্পূর্ণ।’

‌নাইটদের জন্য কোনও আদিখ্যেতা নেই

যখন শুরুর দিকে সৌরভ গাঙ্গুলি ছিলেন, তখন দলটার সমর্থক ছিলাম। কিন্তু তারপর যখন থেকে সৌরভকে অসম্মান করে সরে যেতে বাধ্য করা হয়, তখন থেকে এই দলটার প্রতি আর কোনও অনুরাগ নেই। বছরের পর বছর বাংলার যোগ্য ক্রিকেটারদের ব্রাত্যই রেখেছে কেকেআর।

আসল আসামী আড়ালেই থেকে গেলেন

তদন্তের নামে সিবিআই কী করেছে?‌ গোটা কয়েক চারআনা, আটআনার এজেন্টকে ধরেছে। কিন্তু তাদের কাছ থেকে আর ওপরে ওঠার চেষ্টা করেনি। সত্তর থেকে আশি শতাংশ টাকা যার পকেটে গেছে, তিনি সভা করে বেড়াচ্ছেন,ভাষণ দিচ্ছেন, হুঙ্কার দিচ্ছেন। না, তিনি মোটেই মুখ্যমন্ত্রী নন। মুখ্যমন্ত্রীর নৈতিক দায় নিশ্চয় আছে। কিন্তু আসল আসামী অন্য কেউ।

ভূতের রাজার ফোন হ্যাং

ভূতের রাজাও তাহলে ফোন কোম্পানিগুলোর কাটমানি খেয়ে বসে আছে!‌ কুট্টুস ফিরিয়ে দিল সেই ফোন। বলল, আমার ফোন দরকার নেই। লোকের ফোন হ্যাং করেই আমি দিব্যি আনন্দ পাচ্ছি। দাঁড়াও, এবার তোমার ফোনটা হ্যাং করছি। তোমার দালালি করা বের করছি।
ভূতের রাজার ফোন হ্যাং।

কফিহাউসের হারিয়ে যাওয়া সেই গান

কফিহাউসের সেই গান পেয়েছে অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস সিরিজের আরও একটা গান গেয়েছিলেন মান্না দে। সেই গান কোথাও শোনা যায় না। মান্না দে-র জন্মদিনে হারিয়ে যাওয়া সেই গানের কথা তুলে আনলেন স্বরূপ গোস্বামী।।

কীভাবে লেখা হল আড্ডার সেই চিরন্তন গান?‌

প্রয়াত কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী মান্না দে’‌র কথা উঠলেই সবার মাথায় যে গানের সুর গুনগুন করে ওঠে, সেটি নিঃসন্দেহে ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই।’‌ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল বন্ধুত্বের চিরন্তন সম্পর্কের এই কালজয়ী গানের গড়ে ওঠার ইতিহাস।

স্বপ্নের মতো ছিল দিনগুলো কফিহাউসের

কফিহাউসের সেই আড্ডাটা আর আজ নেই। গানটা আমরা সবাই জানি। মান্না দের কণ্ঠে গানটা পেয়েছিল অমরত্ব। কিন্তু কফিহাউস নিয়েই আরও একটি গান ছিল মান্না দের। প্রথম কফিহাউসের তেইশ বছর পর। সেই গানটি সেভাবে প্রচারিত নয়। গানটি কথা শমীন্দ্র রায়চৌধুরির। সুর সুপর্ণকান্তি ঘোষের। মান্না দে–‌র জন্মদিনে সেই গান বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল। এখন অবশ্য ইউটিউবে গানটি শোনা যায়। আগ্রহীরা শুনে দেখতেই পারেন।

সেই কফিহাউসেই শুটিং করেছিলেন মান্না দে!‌

মান্না দে-কে নিয়ে সিনেমা। তাতে অভিনয় করছেন স্বয়ং মান্না দে ! কফিহাউসে বসে গাইলেন অমরত্ব পাওয়া সেই গান। শুটিংয়ের টুকরো টুকরো নানা মুহূর্ত তুলে ধরলেন পরিচালক সুদেষ্ণা রায়। জন্মদিনে কিংবদন্তি শিল্পীর প্রতি বেঙ্গল টাইমসের শ্রদ্ধার্ঘ্য।

মান্না দের সেই গান, একা একাই কাঁদতাম

ছোট বেলায় না বুঝেই শোনা। গেয়ে যাওয়া। যখন একটু বড় হওয়া, তখন কথার গভীরে ঢোকা। নিজের অজান্তেই চোখে জল এসে যাওয়া। মান্না দে–‌র গান সম্পর্কে এমনই স্মৃতিচারণ ‘‌স্মৃতিটুকু থাক’‌ বিভাগে।