‌ধনতেরাসের ধামাকাই বলে দেয় বাঙালি কতটা পিছিয়ে

বাঙালি নবান্ন, পিঠে পরব ভুলতে বসেছে। আঁকড়ে ধরছে ধনতেরাসকে। হুজুগপ্রিয়তার এমন উর্বর জমি, কে না চাষ করতে চাইবে?‌ তাই গয়নার কোম্পানিগুলোও বাজার ধরতে লাফিয়ে পড়েছে। ধনতেরাস ধামাকার নামে আদেখলাপনাই বুঝিয়ে দেয় ‘‌এগিয়ে বাংলা’‌র ছবিটা আসলে কেমন।

এই প্রজন্ম জানলই না পুজোর ভিয়েন কাকে বলে!

অধিকাংশ বাড়িতেই সেই সময়ে ফ্রিজ ছিল না। কাজেই, এমন সব খাবার তৈরি করা হত, যা অনায়াসেই কয়েক মাস রাখা যায়। আসলে, তখন বাড়ির কাকিমা–জেঠিমাদের জীবনে অঢেল সময় ছিল। সিরিয়াল নামক ‘বঙ্গ জীবনের অঙ্গ’টি তাদের দুপুর ও সন্ধেগুলো কেড়ে নেয়নি। অন্যদের খাইয়েই তারা আনন্দ পেত।

‌কর্মাটাঁড়ের হোমিওপ্যাথি ডাক্তার

শাক্য সেন মংপুতে তিনবার গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। থাকতেন মৈত্রেয়ী দেবীর বাড়িতে। বাড়িতে না বলে কোয়ার্টারে বলাই ভাল। মৈত্রেয়ী দেবীর স্বামী চাকরি করতেন কুইনাইন ফ্যাক্টরিতে। তাঁর বাংলোতেই অতিথি হয়ে উঠতেন বিশ্বকবি।...

‌সখী ‘আমানি’ কারে কয়!

অন্তরা চৌধুরি আমানি…। কাব্যে এক উপেক্ষিত পানীয়। আগের পোস্টে তেলপোড়া নিয়ে লেখাটা আপনাদের খুব ভালো লেগেছিল। সেইজন্য সকলকে ধন্যবাদ। কিন্তু এই তেলপোড়ার প্রসঙ্গেই অনেকে জানতে চেয়েছেন আমানি কী জিনিস? অধিকাংশ...

সারাক্ষণ স্মার্টফোনে?‌ অজান্তে বিপদ ডেকে আনছেন না তো?‌

টেনিস এলবোর নাম তো আমরা সবাই শুনেছি। শচীন তেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেটার এই রোগে কাবু হয়ে পড়েছিলেন। পশ্চিমী দুনিয়ায় এখন এক নতুন সমস্যার নাম সেলফোন এলবো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হ্যান্ড অ্যান্ড আপার এক্সট্রিমিটি সেন্টারের অস্থি বিশেষজ্ঞ ডক্টর পিটার জে ইভান্স জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ সেলফোন ব্যবহারের ফলে হাতের হাড় ও পেশিতে এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে।

কজন ডাক্তার অগ্নিশ্বর দেখেছেন?

সজল মুখার্জি আমাদের বেড়ে ওঠা আটের দশকে। তখন টিভিতে জুলাই মাস মানেই উত্তম কুমার। সপ্তাহে একদিন বাংলা ছবি। নিজেদের বাড়িতে টিভিও ছিলাম না। পাড়ায় এর-ওর বাড়িতে ভিড় করতাম। তখন কোনও...

‌প্রবাসের চিঠি: অবাক পৃথিবী

মধুজা মুখোপাধ্যায় এক মাথা ভর্তি লম্বা অবিন্যস্ত পাকা চুল পালক গোঁজা টুপিতে ঢাকা, গাল থেকে লম্বা ধবধবে পাকা দাড়ি বুক পর্যন্ত নেমে এসেছে, পরনে জীর্ণ একখানা কোট, ছোট হয়ে যাওয়া...

চিঠি লিখতে কি আমরা ভুলেই গেলাম !

লোকে চিঠি লিখতেই ভুলে গেছে। কিন্তু ভোরে উঠে যদি চিঠি লেখেন, তাহলে কেমন হয়? এই নিয়ে লিখেছেন মনোবিদ কুণাল সাহা।