স্মৃতির সরণি:‌ আমাদের সেই সরস্বতী পুজো

নিছক একটি পুজো নয়। বাঙালির আবেগের সঙ্গে, তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে আছে সরস্বতী। স্মৃতির সরণি বেয়ে তেমনই দুষ্টুমিমাখানো কোলাজ। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

অবাঙালিদের কড়া বার্তা দেওয়ার সময় এসেছে

যাঁরা কয়েকমাসের জন্য এসেছেন, তাঁদের কথা বলছি না। কিন্তু যাঁরা বহু বছর ধরে এখানে আছেন, যাঁদের এখানেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা, তাঁরাও বাংলায় কথা বলেন না। বরং আমরা আদিখ্যেতা করে তাঁদের সঙ্গে হিন্দিতে কথা বলি। অনেক হয়েছে। এবার এটা বন্ধ হওয়া দরকার। একটা কড়া বার্তা পৌঁছে দেওয়া দরকার।বিশেষ প্রতিবেদন।

সকালে না উঠলে অর্ধেক কাজ মিস করে গেলেন

ভোরে উঠতে হবে বলে বেশি চাপ নেবেন না। রাতে যদি বারবার এটাই ভাবতে থাকেন, তাহলে ঠিকঠাক ঘুম হবে না। বরং ভাবুন, না উঠলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না। নিজেকে হালকা রাখুন।

রাতে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপকে গুডবাই বলতে শিখুন

শীত হোক বা গ্রীষ্ম, ভোরে ওঠাটা সবসময়ই বেশ কঠিন ব্যাপার। অনেকেই অ্যালার্ম দেন, কিন্তু উঠতে পারেন না। কিন্তু ভোরে উঠতে শুরু করলে তখন দেখবেন ভোরটা সত্যিই সুন্দর। সবাইকে উঠতেই হবে, এমন নয়। কিন্তু যাঁরা উঠতে চান, অথচ উঠতে পারেন না, তাঁদের জন্য কয়েকটি প্রয়োজনীয় পরামর্শ।

ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে

শীতের দুপুরে নানা মেলার পাশাপাশি ঘুরে আসুন ভুটিয়া মার্কেটে। এই অনলাইন শপিংয়ের যুগে কেমন আছে সেই ভুটিয়া মার্কেট ? ঘুরে দেখে এলেন সংহিতা বারুই।।

সুখস্মৃতি উঠে আসুক

ফেলে আসা দিন মানেই একটা নস্টালজিয়া। টুকরো টুকরো কত স্মৃতির ভিড়। জীবনে যত ব্যস্ততাই আসুক, সেই স্মৃতিগুলো হারিয়ে যাওয়ার নয়। ফিরে ফিরে ঠিক এসে যায়। আর একটু অবসর পেলে তো...

সু্ব্রতর জন্যও কিনা ডাক্তার পাওয়া যায়নি!‌

সন্ধেবেলায় অনেক ডাকাডাকির পরেও উডবার্ন ওয়ার্ডে কোনও ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সুব্রত মুখার্জি যখন ছটপট করছেন, তখন বারবার ডাক্তারদের খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কাউকেই পাওয়া যায়নি। শেষবেলায় কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার নাকি আসেন। বুকে পাম্প করেন। ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। অর্থাৎ, মন্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

ছেলেবেলার চকোলেট বোম আর সেই রূপকথার ‘‌বুড়িমা’‌

আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।

কোন অভিমানে হারিয়ে গেলেন পান্নালাল?

কিছুটা অকালেই হারিয়ে গিয়েছেন। কোন অভিমানে চলে গেলেন, কে জানে!‌ অথচ, তাঁর গান পেয়েছে অমরত্ব। মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পরেও দীপাবলি আর পান্নালাল মিলেমিশে একাকার। ব্যতিক্রমী এই শিল্পীকে নিয়ে লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

ধনতেরাস নিয়ে বাঙালিরএত আদিখ্যেতা কেন?‌

এই লৌকিকতা প্রায় উৎসবের অঙিনায় পৌঁছে দিয়েছে মিডিয়া। তাই আজ শ্যামা পূজা বা দীপাবলীর সঙ্গে বড় করে উদযাপিত হয় ধনতেরাস। বাঙালি অবাঙালি তাই এখন পঞ্জিকা মেনে পৌঁছে যায় সোনার দোকানে। সেখানে লম্বা লাইন বুঝিয়ে দেয় আমাদের জনজোয়ারে গা ভাসানোর ধুম। খবরের কাগজে, বেতার, দূরদর্শন, পাড়ার মোড়ে, পথের দু–‌ধারে তাই এখন শুধুই সোনার বিজ্ঞাপন।