রবি ঠাকুরকে বন্দী রেখেছিল বিশ্বভারতীই
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন।
রবীন্দ্র চেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথকে বন্দী রাখার কাজটাই করেছে বিশ্বভারতী। তাই রবি ঠাকুর বিশ্বকবি তো দূরের কথা, জাতীয় কবিও হতে পারেননি। বাঙালি হয়েই থেকে গিয়েছেন।
কোন এলাকায় ভোটের ছবিটা কেমন? সবথেকে কাছ থেকে দেখলেন ভোটকর্মীরা। তাঁদের অভিজ্ঞতা কেমন? কোথায় শান্তি, কোথায় চাপা সন্ত্রাস, কোথায় খুনসুটি। এমন নানা ঘটনা নিয়ে নতুন ফিচার— ভোটকর্মীদের ডায়েরি। চলবে মে মাস জুড়ে।
সংস্কৃতির জন্য বাঙালির কতই না বড়াই। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কতই আদিখ্যেতা। কিন্তু বুকে হাত রেখে বলুন তো, কজন জোড়াসাঁকোয় গিয়েছেন। হাতের কাছেই, টিকিট লাগে না, চাইলেই যাওয়া যায়। এই রবীন্দ্র জয়ন্তীতে না হয় সেখান থেকেই ঘুরে এলেন। এই নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন।
কারা কারা রবীন্দ্রনাথকে দুশ্চরিত্র মনে করেন, হাত তুলুন। রবি ঠাকুরের লেখা পড়ি আর নাই পড়ি, তাঁর বিয়ে নিয়ে, বউ নিয়ে, চরিত্র নিয়ে আমাদের কৌতূহলের অন্ত নেই। রবীন্দ্র জয়ন্তীতেও সেই কৌতূহল থেমে নেই। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।
রবীন্দ্রনাথ এমন একটা বিষয়, যাকে ছাড়া চলে না। ঘর সাজাতে রবি ঠাকুর। নিজেকে বুদ্ধিজীবী জাহির করতেও ভরসা সেই রবি ঠাকুর। ট্রাফিক সিগনালেও তিনি, রেস্তোরাঁর মৃদু মন্দ আলোতেও তিনি। তাঁর নিস্তার নেই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।
রবি ঠাকুর কোন দলের সমর্থক ছিলেন ? তাঁর কোন লেখায়, কোন ক্লাবের কথা কীভাবে উঠে এসেছে ? গোষ্ঠ পালকে দেখে কী বলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ? এমন নানা অজানা বিষয় উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।