ফেলুদা, ব্যোমকেশ কিরীটীর কথা হয়ত জানি। কিন্তু বাংলায় প্রথম কোন মহিলা সাহিত্যিক কি গোয়েন্দ কাহিনি লিখেছেন ? ঠিক ধরেছেন, আশাপূর্ণা দেবী। একদিকে আটপৌরে সংসারের কাহিনি, অন্যদিকে গোয়েন্দাকাহিনি। তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখলেন শোভন চন্দ।।
ঠিক চার বছর আগে। সেবার পুরসভা ভোটের আবহ। এমনই পরিস্থিতি, নির্বাচন কমিশনার বাধ্য হলেন পদত্যাগ করতে। তড়িঘড়ি নির্বাচন কমিশনার করা হল আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ঝরঝরে বাংলা বলা আলাপন কেন হঠাৎ ইংরাজি বলতে শুরু করলেন? সেই সময়ের আবহে লেখা একটি খোলা চিঠি। ফিরিয়ে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।
একেকটা কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রীর চারটে–পাঁচটা করে সভা। কিন্তু লোক কোথায়? আশি ভাগ তো আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি, সিভিক ভলান্টিয়ারে ভর্তি। সাধারণ মানুষ বা তৃণমূল কর্মীরা কোথায়? লোক জড়ো করতে ভরসা সেই পুলিশ। এই অশনি সঙ্কেতটা নেত্রী বুঝতেও পারছেন না! লিখেছেন ধীমান সাহা।
অনেকেই বিধানসভা থেকে পদত্যাগ করে লোকসভায় লড়ছেন। অন্তত ছটি আসন শূন্য। হঠাৎ, শুধু দার্জিলিংয়ে উপনির্বাচনের ঘোষণা। তাও আবার লোকসভা ভোট হয়ে যাওয়ার পর। বাকি কেন্দ্রগুলি বাদ রইল কেন? কোনও ব্যাখ্যা নেই। নির্বাচন কমিশন সত্যিই নিজেকে হাস্যকর করে তুলছে।