কেনেডির কাছেও ভিজিট চেয়েছিলেন!‌

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার যেমন তেমন রোগী নন। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ড জন কেনেডি।

দারুণ ফিল্ম বানিয়েছো হে, অস্কার না পেয়ে যাও!‌

সত্যজিত রায়ের ‘‌পথের পাঁচালী’‌ এক স্বপ্ন জয়ের লড়াই। সত্যজিত বেচে দিলেন সহধর্মিনী বিজয়া রায়ের সব গহনা, জীবনবীমার পলিসি, নিজের দুষ্প্রাপ্য গানের রেকর্ডের সংগ্রহ। সব যোগ করেও যে হল না ফিল্ম...

এই চিরঞ্জিৎকে আপনি চিনতেন?‌

এই চিরঞ্জিৎকে কি আপনি চিনতেন?‌ হ্যাঁ, তিনি এক সময় দূরদর্শনে খবর পড়তেন। সেই সাবেকি দূরদর্শন যাঁরা দেখতেন, তাঁদের হয়ত মনে আছে। সেই স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন চিরঞ্জিৎ।

সেই সর্দারজিরা যদি ফিরে আসতেন!‌

কলকাতা থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক রাস্তায় ট্রাম দেখা যায় না। শীত এলে কাবুলিওয়ালা দেখা যায় না। রাস্তার ধারে খটাখট টাইপ রাইটার দেখা যায় না। সেই সর্দারজি ড্রাইভারদেরও আর কলকাতায় দেখা যায় না। লিখেছেন জগবন্ধু চ্যাটার্জি।।

মিলেনিয়াম পার্ক যেন হারিয়ে না যায়

সিদ্ধার্থ গুপ্ত কলকাতা শহরের বুকে বিনোদনের নতুন নতুন ঠিকানা তৈরি হচ্ছে। একটা জনপ্রিয় হলে, অন্যটা একটু ফিকে হয়ে যায়, এটাই সাধারণ নিয়ম। ইকো পার্কে ভিড় বাড়লে নিকো পার্কের ভিড় পাতলা...

মোয়ার সেকাল একাল

মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।

‌নীল সাহেবের কুঠি

সব মিলিয়ে ২২/২৩ ঘণ্টা অসাধারণ কেটেছিল। হয়তো গরম বলে একটু কষ্ট হয়েছে, বর্ষা বা শীত কালে এই জায়গাটার রূপ অসাধারণ হওয়া উচিত, ইচ্ছে আছে শীতকালে আরেক বার ঢু মারার। শহরের কোলাহল, ব্যস্ততা আর ইট কাঠ পাথরের আবর্জনা থেকে বেরিয়ে খোলা হাওয়ায় সবুজের মাঝে হারিয়ে যেতে হলে একবার ঘুরে আসবেন ‘‌ভালো ভূতের দেশ’‌ থেকে। মিশকালো অন্ধকারে ইছামতির ওপর শয়ে শয়ে জোনাকির মিটমিটে আলো আর সঙ্গে পূর্ণিমার ঝকঝকে চাঁদ পেলে তো কথাই নেই।

হারিয়ে যাওয়া সেই মহালয়া

সেই রেডিওটা আজও আছে। ধুলো ঝেড়ে আর নামানো হয় না। আর ব্যাটারি ভরে প্রাণসঞ্চার করা হয় না। না বোঝা সেই মহালয়ার অনুভূতিটাও একটু একটু করে ফিকে হয়ে আসছে। ফেলে আসা সেইসব শরৎ–‌শিউলি ভোরের নস্টালজিয়া। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।

সেদিন চৈত্রমাস

‌স্মৃতিটুকু থাক অন্তরা চৌধুরি কথায় বলে চৈত্র মাস মধুমাস। অবশ্য এখন এই কথা কাউকে বললে একটা মারও আমার পিঠের বাইরে পড়বে না। কারণ গত কয়েক দিনের তীব্র দাবদাহে চৈত্র মাসকে...

উত্তরসূরীকে ঠিক চিনেছিলেন দেশবন্ধু

বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।