মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বাড়িতে নিয়ম করে রোগী দেখতেন বিধানচন্দ্র রায়। কারও কাছেই কোনও ভিজিট নিতেন না। একেবারেই নিখরচায়। সেই বিধানচন্দ্রই ভিজিট চেয়ে নিয়েছিলেন বিশেষ একজনের কাছে। তিনিও আবার যেমন তেমন রোগী নন। খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ড জন কেনেডি।
বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন! মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।
এক মিডিয়ার কথা অন্য মিডিয়ায় সচরাচর আলোচনা হয় না। কিন্তু বেঙ্গল টাইমসে বেশ কয়েকবছর ধরেই মিডিয়া জগতের নানা অজানা দিক উঠে আসে। একজন অভিনেতা বা খেলোয়াড় বা সাহিত্যিক যদি পারফর্মার...
সত্যজিত রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ এক স্বপ্ন জয়ের লড়াই। সত্যজিত বেচে দিলেন সহধর্মিনী বিজয়া রায়ের সব গহনা, জীবনবীমার পলিসি, নিজের দুষ্প্রাপ্য গানের রেকর্ডের সংগ্রহ। সব যোগ করেও যে হল না ফিল্ম...