‌প্রতিভার এই অপমৃত্যুর দায় তাহলে কার?‌

গত দুটি বিশ্বকাপে যাঁরা খেলেছেন, এমন তিরিশের বেশি ক্রিকেটারকে জাতীয় দলের আঙিনায় দেখা গেল না কেন?‌ আইপিএলের অর্থ ও নানা হাতছানিতে তাঁরা কি হারিয়ে গেলেন?‌ ক্রিকেট থেকে তাঁদের ফোকাসটাই কি সরে গেল?‌ বিষয়টা সত্যিই ভাবার মতো। শুধু ক্রিকেটারদের দায়ী করে লাভ হবে না। সিস্টেমেও কোথাও একটা গলদ আছে। এত এত প্রতিভাকে আগলে রাখার ক্ষেত্রে বোর্ড বা নির্বাচকদের কি কোনও দায় ছিল না?‌

জ্যোতিবাবু থাকলে ফেসবুক ছেড়ে মানুষের কাছেই যেতে বলতেন

ফেসবুকে সারাক্ষণ মগ্ন থেকে, নিজেদের কর্মসূচির ছবি পোস্ট করে, পা পছন্দের পোস্টে লাইক দিয়ে একটা আত্মশ্লাঘা হতে পারে। তাতে কাজের কাজ কিছুই হবে না। যদি সত্যিই জ্যোতিবাবুর প্রতি শ্রদ্ধা থাকে, তবে মানুষের কাছে যান। কেন মানুষের বিশ্বাস হারিয়েছিল, সেই কারণগুলো খুঁজে বের করুন। সম্ভব হলে শুধরে নেওয়ার চেষ্টা করুন। দেখবেন, তখন আর তৃণমূলকে গালাগাল দেওয়ার দরকার পড়ছে না।

জ্যোতিবাবু জঙ্গলের বড় বাঘের মতো

জ্যোতিবাবুর কথা বলতে গিয়ে তাঁর চেলাদের কথা এত বলছি কেন? কারণ, একটা মানুষ কেমন, সেটা তাঁর সঙ্গীসাথীদের দেখেই বোঝা যায়। এই যে এতজনের কথা বললাম, এঁদের কাউকে আপনি অসৎ বলতে পারবেন না। এঁরা কেউ কিন্তু গাড়ি, বাড়ি বা টাকার জন্য রাজনীতি করতে আসেননি। অন্য পেশায় অনেক সফল হতে পারতেন। সব হাতছানি ছেড়ে এসেছেন। জ্যোতিবাবু ছিলেন এঁদের নেতা। এঁদের দেখেই বোঝা যায়, জ্যোতিবাবু কেমন ছিলেন।‌

ইন্টারভিউ নিতে ডাকলেন স্বয়ং সুচিত্রা সেন!‌

ক্যামেরা বের করলাম। হাতের সামনে সুচিত্রা। ছবি না তুললে কেউ বিশ্বাস করবে? ক্লিক করতে গেলাম। উনি চিৎকার করে বললেন, ‘প্লিজ স্টপ। আই সে, স্টপ প্লিজ।’ বলেই ভেতরের ঘরে ঢুকে গেলেন।

ধর্মের নামে বিদ্বেষ নয়

ধর্ম আর রাজনীতির মাঝে সেই দেওয়ালটা যেন আর থাকছে না। কারও ইচ্ছে হল, তিনি এই বাংলায় বাবরি মসজিদ বানানোর হঙ্কার দিচ্ছেন। কেউ আবার ব্রিগেডের মাঠে ঘটা করে গীতা পাঠের আয়োজন করছেন। আর সেই গীতা পাঠকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বানিয়ে ফেলছেন। ভোট যত এগিয়ে আসবে, ধর্মের নামে এইসব কর্মকাণ্ড ততই বাড়বে।

সব কাজেই ঝোলান! আপনি মশাই নির্ঘাত সিবিআই

আপনাকে বলা হয়েছিল, ২ কেজি আলু আনতে। তার বদলে আপনি কত জায়গায় না চক্কর কাটলেন। তারপর রান্নার মাসিকে সেই আলু দেওয়ার বদলে আপনার বিস্তর গবেষণা ও কাগজপত্র জমা দিলেন। সেই রান্নার মাসি বেচারা কী করবেন, বুঝে উঠতেই পারছেন না।

গম্ভীরবাবুর ‘‌মন কী বাত’‌

আচ্ছা বলুন তো, সবসময় ক্যামেরার নজরদারিতে থাকা যায়!‌ বিরাট কোহলি চার মারছে, অমনি আমার দিকে ক্যামেরা ঘুরে যাচ্ছে। আমি হাসছি না গম্ভীর আছি, সেসব টিভি স্ক্রিনে ভেসে উঠছে। হাসলে সেই হাসি আন্তরিক না মেকি, তা নিয়ে যে যা পারছে মত দিয়ে যাচ্ছে। যদি হাততালি দিই, তাহলে কবার দিলাম, আওয়াজ উঠল কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা। লোকে বলে, ক্রিকেটারদের ওপর নাকি চাপ থাকে। আচ্ছা বলুন তো, সাজঘরে বসে থাকাও কি কম চাপের!‌

কবিতাগুলো বেঁচে থাক গান হয়ে

মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হয়, আবার রাগও হয়। বাংলা ছবি আপনাকে সেভাবে ব্যবহারই করতে পারল না। ‘সেদিন চৈত্রমাস’ ছবির কথা মনে পড়ছে। আপনার কণ্ঠে অসাধারণ একটা গান দিয়েছিলেন সুমন—‘সূর্য তাকেই দেখতে চায়, আকাশ তাকেই ডাক পাঠায়।’ গানটি যেন আপনার জন্যই তৈরি হয়েছিল। কিন্তু পরে আর সেভাবে ব্যবহার করা হল না কেন? কারা সঙ্গীত পরিচালনা করেন, তাঁরা কী চান, জানতে খুব ইচ্ছে করে।

হিন্দিতে অগ্নীশ্বর করতে চেয়েছিলেন অমিতাভ!‌

এরপর অগ্নীশ্বর। উত্তমের জীবনের স্মরণীয় ছবিগুলির একটি। বেতার জগতের শারদীয়া সংখ্যায় বেরিয়েছিল বনফুলের এই গল্পটি। তখন থেকেই এই গল্প নিয়ে ছবি করার কথা ভেবে আসছিলেন ঢুলু বাবু। কিন্তু এর চিত্রনাট্য তৈরি করা বেশ কঠিন ব্যাপার ছিল। পাঁচটি গল্পকে এক জায়গায় এনে চিত্রনাট্য তৈরি করেছিলেন অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়। ছবিটি দেখে অমিতাভ বচ্চন এতটাই অভিভূত ছিলেন, হিন্দিতে ওই ছবি করতে চেয়েছিলেন। অনেকদূর কথা এগিয়েওছিল। কিন্তু শেষমেষ আর হয়ে ওঠেনি।

মন জুড়ে তখন শুধুই রঞ্জিত মল্লিক

আমার মনে প্রথম দাগ কাটা ছবি শত্রু। তখন কে অঞ্জন চৌধুরি, চিনতাম না। আমার কাছে শত্রু মানে রঞ্জিত মল্লিক। এক সৎ ও সাহসী পুলিশ অফিসার। সেই ছবিতে চিরঞ্জিৎ ছিলেন, প্রসেনজিৎও ছিলেন। কিন্তু আমার মনজুড়ে একজনই রঞ্জিত মল্লিক। সেই ছবিটা দেখেই পুলিশকে সম্মান করতে শিখেছিলাম। দৈনন্দিন নানা ঘটনায় পুলিশ সম্পর্কে ধারণা খারাপ হয়। তবু এখনও যে বিশ্বাসটা তলিয়ে যায়নি, তার একটা বড় কারণ শত্রু।