বেঙ্গল টাইমস। দীপাবলি সংখ্যা।
শারদ উৎসবের পর এবার দীপাবলি। আবার স্বমহিমায় হাজির বেঙ্গল টাইমস। ৬০ পাতার ই ম্যাগাজিন। রাজনীতি, সাহিত্য, খেলা, ফিচার, বিনোদন, ভ্রমণ–সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিভাগ। পিডিএফ আপলোড করা আছে। দেওয়া আছে ওয়েবলিঙ্কও।
শারদ উৎসবের পর এবার দীপাবলি। আবার স্বমহিমায় হাজির বেঙ্গল টাইমস। ৬০ পাতার ই ম্যাগাজিন। রাজনীতি, সাহিত্য, খেলা, ফিচার, বিনোদন, ভ্রমণ–সহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় বিভাগ। পিডিএফ আপলোড করা আছে। দেওয়া আছে ওয়েবলিঙ্কও।
এই সিবিআই কে চালায়? তৃণমল চালায় না। সিপিএম চালায় না। কংগ্রেসও চালায় না। দেশের সবথেকে অপদার্থ একটি সংস্থার দায়িত্বে এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনিই সিবিআই–কে এমন হাস্যকর জায়গায় এনে দাঁড় করিয়েছেন। তিনি নাকি আয়রন ম্যান। তিনি নাকি চানক্য। তিনি নাকি দারুণ সাহসী। তাহলে সিবিআই মাসের পর মাস ঘুমিয়ে থাকে কেন? সত্যি করে বলুন তো, এমন ব্যর্থ এবং এমন ভীতু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই দেশ কখনও দেখেছে? এমন সীমাহীন ব্যর্থতার পর তিনি কিনা এই রাজ্যে এসে কর্মীদের চাঙ্গা করেন।
এই ডাক্তাররা সরকার চালান না। এঁদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে পাওয়ার কিছুই নেই। তারপরেও মানুষ কেন দিচ্ছেন? এই প্রশ্নটা কেউ ভেবে দেখেছেন? যাঁরা দিচ্ছেন, তাঁদের অধিকাংশই এঁদের চেনেনও না। এঁরাও তাঁদের চেনেন না। কিন্তু তারপরেও ভিন রাজ্যের এমনকী ভিন দেশের মানুষরা টাকা দিতে চাইছেন। কেন? টাকা দিয়ে তাঁদের কী লাভ? আসলে, এঁদের আন্দোলন কোথাও একটা এমন স্তরে পৌঁছেছে, যেখানে মানুষের মনে হচ্ছে, এঁদের পাশে থাকা দরকার। মানুষের কোথাও একটা মনে হচ্ছে, এঁদের লড়াইয়ে আমার এটুকু অন্তত অবদান থাকুক। দিয়ে তিনি নিজেও কোথাও একটা মানসিকভাবে তৃপ্তি পাচ্ছেন।
তন্ময়বাবুর বিষয়টি নিয়েও সন্দেহ হচ্ছে। সেই মহিলা সাংবাদিকের অভিযোগের প্রতি এবং তাঁর প্রতিবাদের প্রতি সম্মান জানিয়েও বলতে হচ্ছে, তিনিও রাজনৈতিক পুতুল হয়ে গেলেন না তো? মীনাক্ষীর ব্যাপারে যে দুই মুখপাত্র সোচ্চার হয়েছিলেন, এক্ষেত্রেও তা্ঁদের অতি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। একটা বিকৃত প্রচার বুমেরাং হয়ে গেল, তাই অন্য কোনও বিকৃত প্রচারকে সামনে আনার নোঙরা উদ্দেশ্য নয় তো!
আইপিএল যেমন অনেককিছু দিয়েছে, তেমনই অনেককিছু কেড়েও নিয়েছে। নতুন নতুন তারকার জন্ম দিয়েছে। বাণিজ্য দিয়েছে। বিশ্ব ক্রিকেটে দাদাগিরির অধিকার এনে দিয়েছে। কিন্তু স্পিনার সামলানোর ধৈর্য কেড়ে নিয়েছে। তাই টেস্ট থেকে ড্র শব্দটা আস্তে আস্তে হারিয়ে যাচ্ছে। এমনকী অধিকাংশ টেস্ট তিনদিনে বা সাড়ে তিন দিনে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
মীনাক্ষী তাঁর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হতে পারেন। তিনি মীনাক্ষিকে এবং মীনাক্ষী তাঁকে রাজনৈতিকভাবে আগেও আক্রমণ করেছেন। কিন্তু কোনটা মীনাক্ষী করতে পারেন আর কোনটা করতে পারেন না, এটুকু বোঝার মতো বিচক্ষণতা কুণালবাবুর নেই, এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। মীনাক্ষীর রুচিবোধের সঙ্গে এই জাতীয় পোস্ট কখনই খাপ খায় না, এটা কুণালবাবু বোঝেন না? তারপরেও কেন বিকৃত পোস্ট নিয়ে বাজার গরম করার এই চেষ্টা?
অবসরের পর জীবনটা সত্যিই বড় বদলে যায়। অনেকের চোখের ভাষায় সেটা বুঝতে পারি। আসলে, আমরা কখনই বর্তমান অবস্থানে খুশি নই। যখন চাকরি করি, তখন ছুটি চাই। আবার যখন অনন্ত ছুটি চাই, তখন সেটা বিরক্ত লাগে। এই কারণেই কবি লিখেছিলেন, ‘নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস’।
বিজয়ার বিষাদ শেষে একটু একটু করে শরৎ চলে যায়। কাশফুল পরের বছর ‘আবার আসব’ প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোথায় যেন নিমেষে হারিয়ে যায়। শিউলি ফুল টিকে থাকলেও কেমন যেন নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এই কার্তিক মাসের শিউলি মাটিতে ঝরে পড়া পছন্দ করে না। বরং ফুরিয়ে যাওয়ার আগে সে গাছের সঙ্গে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। তাকেও টিকে থাকার লড়াই করতে হয়। হেমন্তের শিউলির মধ্যে শরতের সেই প্রাণ চঞ্চলতা থাকে না। কারণ তার বিদায় নেওয়ার সময় আসন্ন।
এমন অনেক অজানা ঘটনা। যা খেলার মাঠের আড়ালে ঘটে যাওয়া অনেক ঘটনাকে চিনিয়ে দিয়ে যায়। সাক্ষীর পথ চলার পাশাপাশি সেই সময় ও সতীর্থদেরও চেনা যায়। এই দেশে কুস্তির বিবর্তনের ইতিহাসটাও কোথাও একটা ধরা পড়ে। তাই কে লিখে দিলেন, বা কে পড়ে দিলেন, এই বিতর্ক থাক। এই জাতীয় বই আরও লেখা হোক। এই বইগুলোই তো দলিল হয়ে থেকে যাবে।
অনেককে বলতে শুনি, সিবিআই–এর ওপর আস্থা আছে। সুপ্রিম কোর্টের ওপর আস্থা আছে। কেন আস্থা আছে, বুঝি না। লোকদেখানো দু একটা চুনোপুঁটি ধরা আর গ্যালারি শো করা ছাড়া আস্থা অর্জনের জন্য সিবিআই কী এমন করেছে? কেন আমরা জোর গলায় বলতে পারি না, সিবিআই–এর প্রতি এতটুকুও আস্থা নেই। সিবিআই আগে আস্থার যোগ্য হয়ে উঠুক।