ই ম্যাগাজিন। বিধানচন্দ্র রায় সংখ্যা।
কিংবদন্তি চিকিৎসক ও বাংলার নব রূপকার বিধানচন্দ্র রায়। আজ তাঁর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন। জন্মের ১৪১ বছর। মৃত্যুর ৫১ বছর। কিংবদন্তি চিকিৎসককে শ্রদ্ধা জানিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
কিংবদন্তি চিকিৎসক ও বাংলার নব রূপকার বিধানচন্দ্র রায়। আজ তাঁর জন্মদিন ও মৃত্যুদিন। জন্মের ১৪১ বছর। মৃত্যুর ৫১ বছর। কিংবদন্তি চিকিৎসককে শ্রদ্ধা জানিয়ে বেঙ্গল টাইমসের বিশেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য।
একজন মুখ্যমন্ত্রী এরকম বার্তা দিচ্ছেন! গল্পের ছলে কত ভ্রান্ত ধারণা ভেঙে দিলেন। কোনও লড়াইয়ের কথা নয়। দেশের স্বার্থে প্রাণ বাজি রাখার কথা নয়। অথচ, তাঁর যা পাণ্ডিত্য, যে কোনও বিষয় নিয়েই কথা বলতে পারতেন। আসলে, অল্পবিদ্যা সবসময়ই ভয়ঙ্করী। প্রকৃত জ্ঞানীরাই এমন সরল হতে পারেন। একেবারেই আটপৌরে সভা। কিন্তু মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো কথা।
বিধানবাবুর জীবনী হয়ত অনেকেই লিখেছেন। তাতে নিশ্চিতভাবেই অনেক অজানা তথ্য আছে। কিন্তু এমন সহজ সরলভাবে আর কেউ তুলে ধরতে পেরেছেন! মনে হয় না। বইটি সবার পড়া উচিত। দ্রুত পড়ে ফেলুন। একটি পেরেকের কাহিনী পড়ে লিখলেন উত্তম জানা।
এই ধরণের দেশজ খাবারগুলো কি শুধু মাত্র আমাদের রসনাই পরিতৃপ্ত করে? আমরা যখন খাই, তখন খাওয়াতেই মন দিই। কিন্তু একটু তলিয়ে ভাবলে দেখা যাবে এই খাবারগুলোর প্রতিটি কনায় জড়িয়ে আছে উৎপাদনকারীর হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম, আশা, আকাঙ্ক্ষা, এক বুক স্বপ্ন, যা তাকে ঘুমোতে দেয় না। আর যাঁরা প্রতিদিন আগুনের কাছে থেকে আমাদের হাসিমুখে খেতে দেন, তাঁদের স্নেহ, ভালোবাসা, মমতা আন্তরিকতাও তো জড়িয়ে থাকে সেই খাবারগুলোর পরতে পরতে। এইভাবেই তো একটা সাধারণ খাবার ভালোবাসার টানে হয়ে ওঠে অসাধারণ…।
বাঙালি এখনও সেই ভ্রমণপ্রিয় জাতিই থেকে গেছে। সে চার মাস আগে লাইনে দাঁড়ায়। টিকিট না পেলে পরেরদিন আবার দাঁড়ায়। তাও টিকিট না পেলে এজেন্টের শরণাপন্ন হয়। চড়া দাম দিতেও প্রস্তুত থাকে। কিন্তু তারপরও টিকিট পাওয়া যায় না। ভারতের আর কোন জাতি সম্পর্কে এমনটা বলা যায়!
সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাকি বিশ্বকাপ থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে। সুপার সিক্সে এমন জটিল অঙ্ক, তারা আদৌ বিশ্বকাপে খেলতে পারবে কিনা, তা নিয়েই সংশয়। নিজের প্রিয় দল বিশ্বকাপের আঙিনাতেই থাকবে না! এমন একটা নির্মম বাস্তব কী করে হজম করি!
যে মুহূর্তে তুমি কোনও ঘটনা লিখে রাখবে, জানবে তোমার মাথা থেকে সেটা হারিয়ে গেল। তুমি নিজের স্মৃতির ওপর ভরসা করতে পারোনি বলেই লিখে রাখতে হয়েছে। তুমি জানো, সেটা লেখা আছে, সময় হলে দেখে নেওয়া যাবে, তাই তুমি পরে সেটা ভুলে যাও। কিন্তু যখন তুমি লিখে রাখবে না, তখন তা তোমার স্মৃতিতে থেকে যাবে। এভাবেই অনেক বিষয় স্মৃতিতে সাজিয়ে রাখতে হয়।
২১ জুন। হ্যাঁ, সাতাত্তরের এমন দিনেই শুরু হয়েছিল পথ চলা। সেই ৩৪ বছরের পথচলা। সেই দিনটিকে ফিরে দেখা। লিখলেন শুভঙ্কর গুপ্ত।।