সেই প্রথম চোখের সামনে দেখেছিলাম লতা মঙ্গেশকারকে। শুধু কি লতা ? আরেক কিংবদন্তি আশা ভোঁশলে। ছিলেন দুই বোন ঊষা ও মীণা। আর ছিলেন ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকার। একমঞ্চে পুরো মঙ্গেশকার পরিবার ? যেন স্বপ্নের মতো।সেই সন্ধ্যার স্মৃতি রোমন্থনে অভিরূপ অধিকারী।।
আমি নিজের গান একেবারেই শুনি না। শুনলেই মন খারাপ হয়ে যাবে। মনে হবে, এটা এভাবে না করে অন্যভাবে করলে ভাল হত। মনে হবে, এই সুরটা অন্যরকম হতে পারত। সাতের দশকে যা ভাল লেগেছিল, এত বছর পর তা ভাল নাও লাগতে পারে। তাই নিজের গান থেকে আমি দূরে দূরেই থাকি।
সঙ্গীত কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরের জীবনের অনেক অজানা কথা উঠে এল একটি সাক্ষাৎকারে। সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।।
বিজেপি জিতলে হঠাৎ ড্যাং ড্যাং করে এসে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার রাস্তাও হয়ত খোলা ছিল। কিন্তু বিজেপি ধরাশায়ী হওয়ায় আর কাদা লাগানোর ঝুঁকিটা নিতে হল না। যেভাবে মিঠুর চক্রবর্তীর মতো হিরোকে প্রায় নাস্তানাবুদ ও হাসির খোরাক হতে হল, সৌরভের ক্ষেত্রে তেমনটা হল না। অনেকে বলতেন, সৌরভ রাজনীতির কী বোঝেন? দেখা গেল, বোঝেন। অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই বোঝেন। লিখেছেন ঋষভ সোম।
সোশ্যাল সাইটে এখন বিদ্যাসাগরকে নিয়ে পোস্টের বন্যা। ২০০ বছর বলে কথা। স্বভাবতই পোস্ট এডিটোরিয়াল আর ফেবু পোস্টের হিড়িকটা একটু বেশি। সেই আবহে নন্দ ঘোষের কড়চার সেই লেখা আবার ফিরিয়ে আনা হল। বিদ্যাসাগরকে দু—চার কথা শুনিয়ে দিলেন নন্দ ঘোষ।
লড়াইটা বিরাট কোহলি বনাম নীরজ চোপড়ার নয়। এই প্রথম একজন ক্রিকেটারকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন একজন অ্যাথলিট। এখানেই যেন অন্য এক আবহ তৈরি করে দিয়ে গেল টোকিও অলিম্পিক।
সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত থ্রিলারে (চতুস্কোণ, বাইশে শ্রাবণ, দ্বিতীয় পুরুষ) এটি নতুন সংযোজন। এ বিষয়ে সৃজিতবাবুর রান্নার হাতটি কিন্তু মুস্কান জুবেরির মতোই (রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননির মুখ্য চরিত্র) দারুণ কিন্তু মাঝে মাঝে একটু গরম মশলা দিয়ে ফেলেন আর কি!
আমি ডঃ অর্জুন মুখোপাধ্যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞানী মহলে কিঞ্চিৎ নামডাক। গতমাসে বস্টনে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কনফারেন্স সেরে এমাসের গোড়ার দিকে দেশে ছুটি কাটাতে এসেছি। শহর থেকে দূরে পালামৌয়ের কাছে কটা দিন এই বাংলোয় কাটাবো। গতকাল এসেছি। ইচ্ছে ছিল দিন কয়েক থাকার, কিন্তু আজকের পর তা অসম্ভব !
তার আগে বার তিনেক দার্জিলিংয়ে গিয়েছি। কিন্তু সত্যি বলছি, ক্যাভেন্টার্সের কথা তার আগে কেউ বলেনি। তাই যাওয়াও হয়নি। সেখানে কার পা পড়েনি? সত্যজিৎ রায় থেকে ঋত্বিক ঘটক। অমিতাভ বচ্চন থেকে রাজেশ খান্না। এডমন্ড হিলারি থেকে তেনজিং নোরগে। এতলোক যখন গিয়েছেন, তখন নিশ্চয় দামও আকাশছোঁয়া হবে। সে এক পাঁচতারা এলাহি ব্যবস্থা হবে। ভয়মিশ্রিত একটা রোমাঞ্চ নিয়েই গিয়েছিলাম।
চোখ খুলে আস্তে আস্তে পা বাড়ায় চা দোকানের দিকে, এবার শুয়ে পড়তে হবে। ভোর হতে আর মাত্র কয়েক ঘন্টা..
রক্তিম মিত্র তেমন ইঙ্গিত ছিল না। হঠাৎ করেই ঘটে গেল ঘটনাটা। রাতের দিকে হঠাৎ জানা গেল, অর্পিতা ঘোষ নাকি রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন। আনন্দে কেউ পদত্যাগ করে না। পদত্যাগ যখন...